নিজস্ব প্রতিবেদকঃ
সারাদেশে গত কয়েকদিনের তুলনায় বর্তমানে তাপমাত্রা ঊর্ধ্বমুখী। এ জন্য স্বাভাবিক সময়ের তুলনায় শীত অনুভূত হচ্ছে কম। আজ শ্রীমঙ্গলে সর্বনিম্ন ১২ ডিগ্রি সেলসিয়াস এবং রাজধানীতে ১৬.৮ ডিগ্রি সেলসিয়াস তাপমাত্রা রেকর্ড করা হয়েছে।
এছাড়া গতকাল কক্সবাজারে দেশের সর্বোচ্চ তাপমাত্রা রেকর্ড করা হয়েছে। গতকাল কক্সবাজারের তাপমাত্রা ছিল ৩১ ডিগ্রি সেলসিয়াস এবং ঢাকায় ছিল ২৮.৬ ডিগ্রি সেলসিয়াস।
সোমবার আবহাওয়া অধিদফতরের আবহাওয়াবিদ ড. আবুল কালাম মল্লিক এসব তথ্য জানান।
তিনি বলেন, আগামীকাল (১১ জানুয়ারি) পর্যন্ত তাপমাত্রা একটু ঊর্ধ্বমুখী থাকবে। কালকের পর থেকে তাপমাত্রা কমে যাবে। ১১ জানুয়ারি সন্ধ্যা থেকে আকাশে মেঘ দেখা যাবে। ১৩ জানুয়ারি হালকা বৃষ্টির সম্ভাবনা আছে। বৃষ্টির পর তাপমাত্রা আবারও কমে যাবে।
তিনি আরো বলেন, বৃষ্টির পরে দুই এক জায়গায় শৈত্যপ্রবাহ হবে। তবে সারাদেশে শৈত্যপ্রবাহ হওয়ার সুযোগ নেই। বর্তমানে দেশের তাপমাত্রা ১২ থেকে ১৭ ডিগ্রি সেলসিয়াসের মধ্যে রয়েছে। তবে কক্সবাজার ও চট্টগ্রাম বিভাগের কয়েকটি জেলায় সর্বোচ্চ তাপমাত্রা ৩১ ডিগ্রি সেলসিয়াসের মধ্যে রয়েছে।
এছাড়া মধ্য ডিসেম্বর থেকে মধ্য ফেব্রুয়ারি বা বাংলা সনের পৌষ ও মাঘ মাসে শীতের আগমন ঘটার কথা থাকলেও সারাদেশে এখন এই সময়ে শীত পড়ছে না।
দেশের উত্তরাঞ্চলে শীতের তীব্রতা লক্ষ্য করা গেলেও অন্যান্য অঞ্চলে শীতের আগমন ঘটে দেরিতে। আর দেশের ওপর দিয়ে শৈত্যপ্রবাহ না বইলে রাজধানী ঢাকায় শীতের আগমন ততটা অনুভব করতে পারে না নগরবাসী। সময় পরিবর্তন হয়ে এখন কেবল জানুয়ারি মাসে শীতের আগমন ঘটে।
আবহাওয়া অধিদফতরের পর্যবেক্ষণ বলছে, রোববার রাজধানীতে দিনের তাপমাত্রা স্বাভাবিকের চেয়ে ৪ ডিগ্রি সেলসিয়াস বেশি ছিল, যা গত ৪৩ বছরের মধ্যে ৯ ডিসেম্বরের সবচেয়ে বেশি তাপমাত্রা।
গত ৫০ বছরে আবহাওয়া অধিদফতরের কাছে থাকা রেকর্ড অনুযায়ী, সাধারণত ৯ ডিসেম্বর দিনের বেলা সর্বোচ্চ তাপমাত্রা ২৪ ডিগ্রি সেলসিয়াস পর্যন্ত হয়ে থাকে।
২৫ পৌষ রাজধানীতে সর্বোচ্চ তাপমাত্রা রেকর্ড করা হয়েছে ২৮ দশমিক ৬ ডিগ্রি সেলসিয়াস। শীতের চেয়ে বেশি তাপমাত্রা বর্তমান প্রজন্ম দেখেনি এটা নিশ্চিত। এর আগের প্রজন্মেরও খুব বেশি মানুষের এই অভিজ্ঞতা হয়নি।
মোঃসাইফুল্লাহ /সময় সংবাদ
