আমতলীতে হামের প্রাদুর্ভাব, হাসপাতালে অ্যান্টিবায়োটিক ও ডিএনএস স্যালাইনের সংকট - সময় সংবাদ | Popular Bangla News Portal

Breaking

Post Top Ad

Responsive Ads Here

মঙ্গলবার, জুলাই ১৪, ২০২৬

আমতলীতে হামের প্রাদুর্ভাব, হাসপাতালে অ্যান্টিবায়োটিক ও ডিএনএস স্যালাইনের সংকট

 

আমতলীতে হামের প্রাদুর্ভাব, হাসপাতালে অ্যান্টিবায়োটিক ও ডিএনএস স্যালাইনের সংকট
আমতলীতে হামের প্রাদুর্ভাব, হাসপাতালে অ্যান্টিবায়োটিক ও ডিএনএস স্যালাইনের সংকট


আমতলী (বরগুনা) প্রতিনিধি:

বরগুনার আমতলী উপজেলায় হামের প্রাদুর্ভাব দেখা দিয়েছে। গত ১৩ দিনে হামে আক্রান্ত হয়ে ৩০ জন শিশু আমতলী উপজেলা স্বাস্থ্য কমপ্লেক্সে ভর্তি হয়েছে। এর মধ্যে ১৫ জন চিকিৎসা শেষে সুস্থ হয়ে বাড়ি ফিরলেও মঙ্গলবার (১৪ জুলাই) পর্যন্ত আরও ১৫ শিশু হাসপাতালে চিকিৎসাধীন রয়েছে।


হাসপাতালে হামে আক্রান্ত শিশুদের চিকিৎসা চললেও অ্যান্টিবায়োটিক ও ডিএনএস স্যালাইনের সংকট দেখা দিয়েছে। ফলে প্রয়োজনীয় ওষুধ ও স্যালাইন হাসপাতাল থেকে না পেয়ে রোগীর স্বজনদের বাইরে থেকে কিনে আনতে হচ্ছে। এতে অতিরিক্ত আর্থিক চাপের মুখে পড়ছেন অনেক পরিবার।


হাসপাতাল সূত্রে জানা গেছে, জুন মাস পর্যন্ত আমতলীতে হামে আক্রান্ত রোগীর সংখ্যা খুবই কম ছিল। তবে জুলাই মাসে পরিস্থিতির পরিবর্তন ঘটে। গত ১৩ দিনে একের পর এক শিশু হামে আক্রান্ত হয়ে হাসপাতালে ভর্তি হওয়ায় রোগীর চাপ বেড়েছে।


হামে আক্রান্ত শিশুদের সংক্রমণ নিয়ন্ত্রণে হাসপাতালের একটি পৃথক ইউনিটে রাখা হয়েছে। তবে সেখানে পর্যাপ্ত শয্যা না থাকায় অনেক শিশুকে মেঝেতে বিছানা পেতে চিকিৎসা নিতে হচ্ছে। একইভাবে তাদের স্বজনদেরও ভোগান্তির মধ্যে থাকতে হচ্ছে।


হাসপাতালে ভর্তি শিশুদের স্বজন রাবেয়া ও তাজিনুর অভিযোগ করেন, হাসপাতাল থেকে অ্যান্টিবায়োটিক ও ডিএনএস স্যালাইন সরবরাহ করা হচ্ছে না। বাধ্য হয়ে বাইরে থেকে কিনতে হচ্ছে, যা তাদের জন্য বাড়তি আর্থিক বোঝা হয়ে দাঁড়িয়েছে। দ্রুত হাসপাতালেই প্রয়োজনীয় ওষুধ ও স্যালাইন সরবরাহের দাবি জানান তারা।


এ বিষয়ে আমতলী উপজেলা স্বাস্থ্য কমপ্লেক্সের আবাসিক মেডিকেল কর্মকর্তা (আরএমও) ডা. হুমায়ুন আহমেদ সুমন বলেন, “হামে আক্রান্ত শিশুদের প্রয়োজনীয় চিকিৎসা দেওয়া হচ্ছে। তবে বর্তমানে অ্যান্টিবায়োটিক ও ডিএনএস স্যালাইনের কিছুটা সংকট রয়েছে। যেসব শিশু হতদরিদ্র পরিবারের, তাদের প্রয়োজনীয় ওষুধ ও স্যালাইন সরবরাহের চেষ্টা করা হচ্ছে।”


উপজেলা স্বাস্থ্য ও পরিবার পরিকল্পনা কর্মকর্তা ডা. চিন্ময় হাওলাদার বলেন, “নতুন অর্থবছর শুরু হওয়ার কারণে অ্যান্টিবায়োটিক ও ডিএনএস স্যালাইনের সাময়িক সংকট তৈরি হয়েছে। আশা করছি, খুব দ্রুতই এ সংকট কেটে যাবে।”



Post Top Ad

Responsive Ads Here