জাহাঙ্গীর আলম, টাঙ্গাইল
টাঙ্গাইলে সোমবার ৩০ শে এপ্রিল সকাল সাড়ে ১০ টায় হঠাৎ করে আকাশের এক পরিবর্তন ঘটে। দিনের বেলায় রাতের মত অন্ধকারে ঢেকে যায় পুরো টাঙ্গাইল। চোখের পলকে দিনের বেলায় পরিণত হয় রাতের। ঘরের জানালা খুলে বাইরে তাকালে বুঝার উপায় নেই রাত না দিন। প্রকৃতির এমন রূপ আগে কেউ দেখেনি। পুরো টাঙ্গাইলের বিভিন্ন উপজেলা ঢেকে যায় অন্ধকারে। আর এতে অনেকেই আতংকিত হয়ে পড়ে। সকাল সাড়ে ১০ টার দিকে বিভিন্ন এলাকায় দেখা যায়, এ দিনের বেলায় অন্ধকারে ঢেকে যায় পুরো টাঙ্গাইল। বোঝার উপায় ছিল না এখন দিন না রাত। এছাড়া এই অন্ধকারে রাস্তায় ২/১ টি যানবাহন ছাড়া চোখে পড়ার মত তেমন যানবাহন দেখা যায়নি। গাড়ী নিয়ে যারা রাস্তায় বের হয়েছিল তাদেরকে লাইট জালিয়ে চলাচল করতে হয়েছে। এছাড়া বিশেষ প্রয়োজন ছাড়া ঘরে-বাইরে থেকে কেউ বের হয়নি। এর কিছুক্ষণ পর হতে শুরু হয় ঝড়-বৃষ্টি। বৃষ্টিতে বিভিন্ন জায়গায় জলাবদ্ধতার সৃষ্টি হয়, এতে জনজীবন স্থবির হয়ে পড়ে। এদিকে এ ঝড়-বৃষ্টি ও বজ্রপাতে বিভিন্ন স্থানে ফসলের ক্ষতি হয়।
এ ব্যাপারে কোর্ট চত্তরের চা দোকানদার শাহালম আলাপকালে জানান, সকালে হঠাৎ করে দিনের বেলা রাতে পরিণত হয় আমার বয়সেও এমনটা দেখি নাই। অন্ধকার নেমে আসায় আমি আতংকে আছিলাম।
এ ব্যাপারে টাঙ্গাইল কালেক্টরেট কলেজের প্রভাষক মফিজুল হক জানান, দিনের বেলায় এমন অন্ধকার আমি কখনই এমনটা দেখিনি। এমন অন্ধকার স্কুলের শিক্ষার্থীরা দেখেনি, এতে তারা ভয় পেয়েছিল। আমরা শিক্ষকরা উদ্বিগ্ন ছিলাম। বৈশাখ মাসের শুরুতেই আমরা কখনই এমন দুর্যোগপূর্ণ আবহাওয়া দেখিনি। এ নিয়ে আমরা ভয়ে শঙ্কিত থাকি।
টাঙ্গাইলে সোমবার ৩০ শে এপ্রিল সকাল সাড়ে ১০ টায় হঠাৎ করে আকাশের এক পরিবর্তন ঘটে। দিনের বেলায় রাতের মত অন্ধকারে ঢেকে যায় পুরো টাঙ্গাইল। চোখের পলকে দিনের বেলায় পরিণত হয় রাতের। ঘরের জানালা খুলে বাইরে তাকালে বুঝার উপায় নেই রাত না দিন। প্রকৃতির এমন রূপ আগে কেউ দেখেনি। পুরো টাঙ্গাইলের বিভিন্ন উপজেলা ঢেকে যায় অন্ধকারে। আর এতে অনেকেই আতংকিত হয়ে পড়ে। সকাল সাড়ে ১০ টার দিকে বিভিন্ন এলাকায় দেখা যায়, এ দিনের বেলায় অন্ধকারে ঢেকে যায় পুরো টাঙ্গাইল। বোঝার উপায় ছিল না এখন দিন না রাত। এছাড়া এই অন্ধকারে রাস্তায় ২/১ টি যানবাহন ছাড়া চোখে পড়ার মত তেমন যানবাহন দেখা যায়নি। গাড়ী নিয়ে যারা রাস্তায় বের হয়েছিল তাদেরকে লাইট জালিয়ে চলাচল করতে হয়েছে। এছাড়া বিশেষ প্রয়োজন ছাড়া ঘরে-বাইরে থেকে কেউ বের হয়নি। এর কিছুক্ষণ পর হতে শুরু হয় ঝড়-বৃষ্টি। বৃষ্টিতে বিভিন্ন জায়গায় জলাবদ্ধতার সৃষ্টি হয়, এতে জনজীবন স্থবির হয়ে পড়ে। এদিকে এ ঝড়-বৃষ্টি ও বজ্রপাতে বিভিন্ন স্থানে ফসলের ক্ষতি হয়।
এ ব্যাপারে কোর্ট চত্তরের চা দোকানদার শাহালম আলাপকালে জানান, সকালে হঠাৎ করে দিনের বেলা রাতে পরিণত হয় আমার বয়সেও এমনটা দেখি নাই। অন্ধকার নেমে আসায় আমি আতংকে আছিলাম।
এ ব্যাপারে টাঙ্গাইল কালেক্টরেট কলেজের প্রভাষক মফিজুল হক জানান, দিনের বেলায় এমন অন্ধকার আমি কখনই এমনটা দেখিনি। এমন অন্ধকার স্কুলের শিক্ষার্থীরা দেখেনি, এতে তারা ভয় পেয়েছিল। আমরা শিক্ষকরা উদ্বিগ্ন ছিলাম। বৈশাখ মাসের শুরুতেই আমরা কখনই এমন দুর্যোগপূর্ণ আবহাওয়া দেখিনি। এ নিয়ে আমরা ভয়ে শঙ্কিত থাকি।
