ফরিদপুর
জেলায় চলতি মৌসুমে বোর ধানের বাম্পার ফলন হয়েছে। ফলন ভাল হলেও হাঁসি নেই
কৃষকের মুখে। কারণ বাজারে ধানের সঠিক মুল্য নাপেয়ে হতাশ হয়ে পড়েছেন
কৃষকেরা। তাই চলতি মৌসুমে কৃষকেরা সরাসরি তাদের (কৃষকের) কাছ থেকে ধান ক্রয়
করার দাবী জানিয়েছেন।
চলতি মৌসুমে বোর ধানের আবাদের শুরুতেই আবহাওয়া অনুকুলে থাকায় ফরিদপুর জেলায় বোর ধানের বাম্পার ফলন হয়েছে। জেলার সদর উপজেলা, বোয়ালমারী, সদরপুর, চরভদ্রাসন, নগরকান্দা ও মধুখালী, ভাঙ্গা ও সালথা উপজেলায় বোর ধানের ব্যপক আবাদ হয়েছে। ধান পেকে এখন সোনালী আবরণ ধারণ করছে। যে দিকে চোখ যায় সেদিকেই সোনালী ধানের সমারহো। এখন চলছে ধান কাটা ও মাড়াই কাজ। ধান কাটা নিয়ে ব্যস্ত সময় পারকরছে কৃষকেরা। বসেনেই কৃষানীরাও তারাও ব্যস্ত আছে ধান উড়ানো ও শুকানোর কাজে। চলতি বোর মৌসুমে ধানের মূল্য নির্ধারন না হওয়া হতাশ কৃষকেরা। কৃষকেরা দ্রুত ধানের সঠিক মূল্য নির্ধারনের দাবী জানিয়েছেন।
কৃষক জুয়েল মল্লিক বলেন, চলতি মৌসুমে ১মন ধান উৎপাদন করতে খরচ হয়েছে সাড়ে ৬শ থেকে ৭শ টাকা। আর বর্তমানে বাজারে ১মন ধান বিক্রি হচ্ছে ৭শ থেকে ৭শ৫০টাকা। ফলে এবছর আমাদের খরচের টাকাও উঠবেনা। ধানের দাম কমপক্ষে ১হাজার থেকে ১২শ টাকা হলে কৃষকরা বেঁচে থাকতে পারবে। সরবাসরি কৃষকদের কাছ থেকে ধান কেনারও আহবান জানান এই কৃষক।
ফরিদপুর কৃষি সম্প্রসারন সূত্রে জানাযায়, চলতি বছর ২৪হাজার ৯শত৪০ হেক্টোর জমিতে বোর ধানের আবাদ হয়েছে। যা গত বছরের চেয়ে ৩হাজার ৪শ হেক্টোর বেশী আবাদ হয়েছে।
ধানের ফলন ভাল হয়েছে। বাজারে ধানের দাম নেই। খরচের টাকাও উঠবে না। ধানের দাম ১ হাজার থেকে ১২টাকা হলে কৃষক বেঁচে থাকতে পারব। এছাড়া কৃষকেরা সরাসরি কৃষকের কাছ থেকে ধান ক্রয়ের দাবী জানিয়েছেন।
ফরিদপুর সদর উপজেলা কৃষি অফিসার কৃষিবিদ মো. আবুল বাসার মিয়া বলেন, মাননীয় কৃষি মন্ত্রীর নির্দেশনা ছিল ছলতি মৌসুমে বোর ধান আবাদ বাড়ানোর। মন্ত্রীর নির্দেশনা কে সামনে রেখে আমরা কাজ করেছি। বোর আবাদে আমরা কৃষকদের উৎসাহি করেছি। কৃষি বিভাগের পক্ষ থেকে আমরা কৃষকদের বিভিন্ন ভাবে পরামর্শ দিয়েছি। ফলে বোর ধানের ব্যাপক ফল হয়েছে। ফল কেক্টোর প্রতি প্রায় ১০টন উৎপাদন হয়েছে। বর্তমানে ধানের বাজার কিছুটা কম হলেও কিছুদিন পর ধানের মূল্য বৃদ্ধি পাবে।
কৃষি সম্প্রসারণ অধিদপ্তর ফরিদপুরের উপ-পরিচালক কৃষিবিদ কার্তিক চন্দ্র চক্রবর্তী জানান, চলতি মৌসুমে জেলায় ২৪হাজার ৯শত৪০ হেক্টোর জমিতে বোর ধানের আবাদ হয়েছে। যা গত বছরের চেয়ে ৩হাজার ৪শ হেক্টোর বেশী আবাদ হয়েছে। ধানের ফলন ভাল হয়েছে। আর ফলন ভাল হলে দাম একটু কম হয়। তার পরেও কৃষকেরা লাভবান হবে।
কৃষি সম্প্রসারণ অধিদপ্তর ফরিদপুর অঞ্চলের অতিরিক্ত পরিচালক কৃষিবিদ কিংকর চন্দ্র দাস জানান, চলতি মৌসুমে ফরিদপুর অঞ্চলে ১লক্ষ ৮৫ হেক্টোর জমিতে বোর ধানের আবাদ হয়েছে। কৃষক বাম্পার ফলন পেয়েছে। কৃষকের মুখে হাঁসি ফুটেছে।
এদিকে সকালে সদর উপজেলার কানাইপুর এলাকায় ধান কাটার উদ্বোধন করেন কৃষি সম্প্রসারণ অধিদপ্তর ফরিদপুর অঞ্চলের অতিরিক্ত পরিচালক কৃষিবিদ কিংকর চন্দ্র দাস। এসময় উপস্থিত ছিলেন সদর উপজেলা কৃষি অফিসার কৃসিবিদ মো. আবুল বাসার মিয়া, উপজেলা কৃষি সম্প্রসারণ অফিসার কৃষিবিদ মো. আনোয়ার হোসেন, উপজেলা পরিসংখান অফিসার তানজিলা, উপসহকারী কৃষি কর্মকর্মা মুজাহিদুল ইসলাম, আব্দুর রব ও স্থানীয় কৃষকেরা।
চলতি বছর সরকার কৃষকদের ধানের সঠিক মূল্য দিবেন এবং সরসরি কৃষকদের কাছ থেকে ধান ক্রয় করবেন এটাই প্রত্যাশা ফরিদপুরের কৃষকদের।
চলতি মৌসুমে বোর ধানের আবাদের শুরুতেই আবহাওয়া অনুকুলে থাকায় ফরিদপুর জেলায় বোর ধানের বাম্পার ফলন হয়েছে। জেলার সদর উপজেলা, বোয়ালমারী, সদরপুর, চরভদ্রাসন, নগরকান্দা ও মধুখালী, ভাঙ্গা ও সালথা উপজেলায় বোর ধানের ব্যপক আবাদ হয়েছে। ধান পেকে এখন সোনালী আবরণ ধারণ করছে। যে দিকে চোখ যায় সেদিকেই সোনালী ধানের সমারহো। এখন চলছে ধান কাটা ও মাড়াই কাজ। ধান কাটা নিয়ে ব্যস্ত সময় পারকরছে কৃষকেরা। বসেনেই কৃষানীরাও তারাও ব্যস্ত আছে ধান উড়ানো ও শুকানোর কাজে। চলতি বোর মৌসুমে ধানের মূল্য নির্ধারন না হওয়া হতাশ কৃষকেরা। কৃষকেরা দ্রুত ধানের সঠিক মূল্য নির্ধারনের দাবী জানিয়েছেন।
কৃষক জুয়েল মল্লিক বলেন, চলতি মৌসুমে ১মন ধান উৎপাদন করতে খরচ হয়েছে সাড়ে ৬শ থেকে ৭শ টাকা। আর বর্তমানে বাজারে ১মন ধান বিক্রি হচ্ছে ৭শ থেকে ৭শ৫০টাকা। ফলে এবছর আমাদের খরচের টাকাও উঠবেনা। ধানের দাম কমপক্ষে ১হাজার থেকে ১২শ টাকা হলে কৃষকরা বেঁচে থাকতে পারবে। সরবাসরি কৃষকদের কাছ থেকে ধান কেনারও আহবান জানান এই কৃষক।
ফরিদপুর কৃষি সম্প্রসারন সূত্রে জানাযায়, চলতি বছর ২৪হাজার ৯শত৪০ হেক্টোর জমিতে বোর ধানের আবাদ হয়েছে। যা গত বছরের চেয়ে ৩হাজার ৪শ হেক্টোর বেশী আবাদ হয়েছে।
ধানের ফলন ভাল হয়েছে। বাজারে ধানের দাম নেই। খরচের টাকাও উঠবে না। ধানের দাম ১ হাজার থেকে ১২টাকা হলে কৃষক বেঁচে থাকতে পারব। এছাড়া কৃষকেরা সরাসরি কৃষকের কাছ থেকে ধান ক্রয়ের দাবী জানিয়েছেন।
ফরিদপুর সদর উপজেলা কৃষি অফিসার কৃষিবিদ মো. আবুল বাসার মিয়া বলেন, মাননীয় কৃষি মন্ত্রীর নির্দেশনা ছিল ছলতি মৌসুমে বোর ধান আবাদ বাড়ানোর। মন্ত্রীর নির্দেশনা কে সামনে রেখে আমরা কাজ করেছি। বোর আবাদে আমরা কৃষকদের উৎসাহি করেছি। কৃষি বিভাগের পক্ষ থেকে আমরা কৃষকদের বিভিন্ন ভাবে পরামর্শ দিয়েছি। ফলে বোর ধানের ব্যাপক ফল হয়েছে। ফল কেক্টোর প্রতি প্রায় ১০টন উৎপাদন হয়েছে। বর্তমানে ধানের বাজার কিছুটা কম হলেও কিছুদিন পর ধানের মূল্য বৃদ্ধি পাবে।
কৃষি সম্প্রসারণ অধিদপ্তর ফরিদপুরের উপ-পরিচালক কৃষিবিদ কার্তিক চন্দ্র চক্রবর্তী জানান, চলতি মৌসুমে জেলায় ২৪হাজার ৯শত৪০ হেক্টোর জমিতে বোর ধানের আবাদ হয়েছে। যা গত বছরের চেয়ে ৩হাজার ৪শ হেক্টোর বেশী আবাদ হয়েছে। ধানের ফলন ভাল হয়েছে। আর ফলন ভাল হলে দাম একটু কম হয়। তার পরেও কৃষকেরা লাভবান হবে।
কৃষি সম্প্রসারণ অধিদপ্তর ফরিদপুর অঞ্চলের অতিরিক্ত পরিচালক কৃষিবিদ কিংকর চন্দ্র দাস জানান, চলতি মৌসুমে ফরিদপুর অঞ্চলে ১লক্ষ ৮৫ হেক্টোর জমিতে বোর ধানের আবাদ হয়েছে। কৃষক বাম্পার ফলন পেয়েছে। কৃষকের মুখে হাঁসি ফুটেছে।
এদিকে সকালে সদর উপজেলার কানাইপুর এলাকায় ধান কাটার উদ্বোধন করেন কৃষি সম্প্রসারণ অধিদপ্তর ফরিদপুর অঞ্চলের অতিরিক্ত পরিচালক কৃষিবিদ কিংকর চন্দ্র দাস। এসময় উপস্থিত ছিলেন সদর উপজেলা কৃষি অফিসার কৃসিবিদ মো. আবুল বাসার মিয়া, উপজেলা কৃষি সম্প্রসারণ অফিসার কৃষিবিদ মো. আনোয়ার হোসেন, উপজেলা পরিসংখান অফিসার তানজিলা, উপসহকারী কৃষি কর্মকর্মা মুজাহিদুল ইসলাম, আব্দুর রব ও স্থানীয় কৃষকেরা।
চলতি বছর সরকার কৃষকদের ধানের সঠিক মূল্য দিবেন এবং সরসরি কৃষকদের কাছ থেকে ধান ক্রয় করবেন এটাই প্রত্যাশা ফরিদপুরের কৃষকদের।

