জাহাঙ্গীর আলম, টাঙ্গাইল
টাঙ্গাইল শহরের মেইনরোড থেকে চিলাবাড়ী বাজার পর্যন্ত (বাঘিল সড়কের) রাস্তার পুনঃনির্মাণের কাজ নি¤œমানের ইট-সামগ্রী দিয়ে করার অভিযোগ ওঠেছে। এলাকাবাসির দাবি একাধিকবার বলার পরও তারা ওই রাস্তার কাজে নয়-ছয় করছে দায়িত্বরত ঠিকাদারী প্রতিষ্ঠান। রাস্তার উভয়পাশে তিন ফুট প্রশস্থতা করার নামে তৃতীয় শ্রেণীর ইটের খোয়া ব্যবহার করা হচ্ছে বলে জানিয়েছেন এলাকাবাসী।
জানা যায়, টাঙ্গাইল সদর উপজেলার কলেজ পাড়া ব্রিজের পশ্চিম পাশ থেকে চিলাবাড়ী বাজার পর্যন্ত ২৬শ মিটার রাস্তার ব্যয় ধরা হয়েছে ১ কোটি ৬০ লাখ টাকা। এ রাস্তাটি টাঙ্গাইল সদর উপজেলা এলজিইডি’র তত্বাবধানে কার্যাদেশ পায় হৃদয় কনস্ট্রাকশন নামের ঠিকাদারী প্রতিষ্ঠান। ঐ রাস্তাটি পুনঃ নির্মাণ কাজের ০৬/০১/২০১৮ ইং তারিখে উদ্ভোধন করেন, টাঙ্গাইল-৫(সদর) আসনের সাংসদ আলহাজ¦ মোঃ ছানোয়ার হোসেন, সদর উপজেলা পরিষদের চেয়ারম্যান আলহাজ¦ মোঃ খোরশেদ আলম। রাস্তাটি পুনঃ নির্মাণ কাজের উদ্ভোধনের পরপরই ঠিকাদারই প্রতিষ্ঠান হৃদয় কনস্ট্রাকশন অত্যধিক নি¤œমানের সামগ্রী দিয়ে রাস্তা করতে থাকেন। এতে স্থানীয়দের মধ্যে ব্যাপক ক্ষোভের সৃষ্টি হয়েছে। এ বিষয়ে মো. রুপচান নামের এক ব্যক্তি বলেন, পুরাতন রাস্তার নষ্ট হয়ে যাওয়া ইটের খোয়া সলিংয়ে ব্যবহার করা হচ্ছে। কাজেই দায়িত্বরত কর্মকর্তাদের একাধিকবার জানালেও তারা কোন পদক্ষেপ নেয়নি।
স্থানীয় মো. রাজ্জাক বলেন, এই রাস্তা দিয়ে সকাল-বিকাল সদর উপজেলার পশ্চিম অঞ্চলের হাজার হাজার মানুষ যাতায়াত করে। এইভাবে নি¤œ মানের সামগ্রী রাস্তায় ব্যবহার করা হলে তিন মাস পরেই রাস্তা আগের অবস্থায় চলে যাবে। রাস্তা পুনঃ নির্মাণ করে কোন লাভই হবে না।
মো. আব্দুল হামিদ নামের এক পথচারী বলেন, এলজিইডি থেকে যে এতো নি¤œ মানের রাস্তা করে তা আমার জানা ছিলো না। রাস্তা পুনঃ নির্মাণের জন্য পর্যাপ্ত পরিমাণের বাজেট করা হলেও সঠিক মানের রাস্তা হচ্ছে না।
মো. রফিক নামের অপর পথচারী বলেন, পুরাতন রাস্তার উপরের সলিং এর সাথে তৃতীয় শ্রেণীর ইট ব্যবহার করে নতুন তিন ফুট রাস্তার কাজ করা হচ্ছে। কয়েকদিন বৃষ্টি হলেই এই রাস্তার বেহাল দশা হবে।
এ বিষয়ে ওই রাস্তা নির্মাণের ঠিকাদারী প্রতিষ্ঠান হৃদয় কনস্ট্রাকশনের স্বত্বাধিকারী বদিউজ্জামান ফারুক বলেন, আমি টাঙ্গাইল জেলা আওয়ামীলীগের ধর্ম বিষয়ক সম্পাদক। ওই রাস্তায় কোন নি¤œমানের সামগ্রী দিয়ে কোন কাজ হচ্ছে না, যেটুকু হচ্ছে তা সিডিউল মোতাবেকই হচ্ছে।
সদর উপজেলা এলজিইডি’র সহকারী প্রকৌশলী মো. শফিকুল ইসলাম জানান, টাঙ্গাইল সদর উপজেলার কলেজ পাড়া ব্রিজের পশ্চিম পাশ থেকে চিলাবাড়ী বাজার পর্যন্ত ২৬শ মিটার রাস্তার ব্যয় ধরা হয়েছে ১ কোটি ৬০ লাখ টাকা। রাস্তা পুনঃ নির্মাণ এর পাশাপাশি উভয় পাশে তিন ফুট করে রাস্তা বাড়ানোর নির্দেশনা রয়েছে।
এ বিষয়ে সদর উপজেলা এলজিইডি’র প্রকৌশলী মো. ফারুখ হোসেন বলেন, রাস্তাটির কাজ পেয়েছেন হৃদয় কনস্ট্রাকশন। তদন্ত সাপেক্ষে প্রয়োজনীয় ব্যবস্থা গ্রহণ করা হবে।
টাঙ্গাইল শহরের মেইনরোড থেকে চিলাবাড়ী বাজার পর্যন্ত (বাঘিল সড়কের) রাস্তার পুনঃনির্মাণের কাজ নি¤œমানের ইট-সামগ্রী দিয়ে করার অভিযোগ ওঠেছে। এলাকাবাসির দাবি একাধিকবার বলার পরও তারা ওই রাস্তার কাজে নয়-ছয় করছে দায়িত্বরত ঠিকাদারী প্রতিষ্ঠান। রাস্তার উভয়পাশে তিন ফুট প্রশস্থতা করার নামে তৃতীয় শ্রেণীর ইটের খোয়া ব্যবহার করা হচ্ছে বলে জানিয়েছেন এলাকাবাসী।
জানা যায়, টাঙ্গাইল সদর উপজেলার কলেজ পাড়া ব্রিজের পশ্চিম পাশ থেকে চিলাবাড়ী বাজার পর্যন্ত ২৬শ মিটার রাস্তার ব্যয় ধরা হয়েছে ১ কোটি ৬০ লাখ টাকা। এ রাস্তাটি টাঙ্গাইল সদর উপজেলা এলজিইডি’র তত্বাবধানে কার্যাদেশ পায় হৃদয় কনস্ট্রাকশন নামের ঠিকাদারী প্রতিষ্ঠান। ঐ রাস্তাটি পুনঃ নির্মাণ কাজের ০৬/০১/২০১৮ ইং তারিখে উদ্ভোধন করেন, টাঙ্গাইল-৫(সদর) আসনের সাংসদ আলহাজ¦ মোঃ ছানোয়ার হোসেন, সদর উপজেলা পরিষদের চেয়ারম্যান আলহাজ¦ মোঃ খোরশেদ আলম। রাস্তাটি পুনঃ নির্মাণ কাজের উদ্ভোধনের পরপরই ঠিকাদারই প্রতিষ্ঠান হৃদয় কনস্ট্রাকশন অত্যধিক নি¤œমানের সামগ্রী দিয়ে রাস্তা করতে থাকেন। এতে স্থানীয়দের মধ্যে ব্যাপক ক্ষোভের সৃষ্টি হয়েছে। এ বিষয়ে মো. রুপচান নামের এক ব্যক্তি বলেন, পুরাতন রাস্তার নষ্ট হয়ে যাওয়া ইটের খোয়া সলিংয়ে ব্যবহার করা হচ্ছে। কাজেই দায়িত্বরত কর্মকর্তাদের একাধিকবার জানালেও তারা কোন পদক্ষেপ নেয়নি।
স্থানীয় মো. রাজ্জাক বলেন, এই রাস্তা দিয়ে সকাল-বিকাল সদর উপজেলার পশ্চিম অঞ্চলের হাজার হাজার মানুষ যাতায়াত করে। এইভাবে নি¤œ মানের সামগ্রী রাস্তায় ব্যবহার করা হলে তিন মাস পরেই রাস্তা আগের অবস্থায় চলে যাবে। রাস্তা পুনঃ নির্মাণ করে কোন লাভই হবে না।
মো. আব্দুল হামিদ নামের এক পথচারী বলেন, এলজিইডি থেকে যে এতো নি¤œ মানের রাস্তা করে তা আমার জানা ছিলো না। রাস্তা পুনঃ নির্মাণের জন্য পর্যাপ্ত পরিমাণের বাজেট করা হলেও সঠিক মানের রাস্তা হচ্ছে না।
মো. রফিক নামের অপর পথচারী বলেন, পুরাতন রাস্তার উপরের সলিং এর সাথে তৃতীয় শ্রেণীর ইট ব্যবহার করে নতুন তিন ফুট রাস্তার কাজ করা হচ্ছে। কয়েকদিন বৃষ্টি হলেই এই রাস্তার বেহাল দশা হবে।
এ বিষয়ে ওই রাস্তা নির্মাণের ঠিকাদারী প্রতিষ্ঠান হৃদয় কনস্ট্রাকশনের স্বত্বাধিকারী বদিউজ্জামান ফারুক বলেন, আমি টাঙ্গাইল জেলা আওয়ামীলীগের ধর্ম বিষয়ক সম্পাদক। ওই রাস্তায় কোন নি¤œমানের সামগ্রী দিয়ে কোন কাজ হচ্ছে না, যেটুকু হচ্ছে তা সিডিউল মোতাবেকই হচ্ছে।
সদর উপজেলা এলজিইডি’র সহকারী প্রকৌশলী মো. শফিকুল ইসলাম জানান, টাঙ্গাইল সদর উপজেলার কলেজ পাড়া ব্রিজের পশ্চিম পাশ থেকে চিলাবাড়ী বাজার পর্যন্ত ২৬শ মিটার রাস্তার ব্যয় ধরা হয়েছে ১ কোটি ৬০ লাখ টাকা। রাস্তা পুনঃ নির্মাণ এর পাশাপাশি উভয় পাশে তিন ফুট করে রাস্তা বাড়ানোর নির্দেশনা রয়েছে।
এ বিষয়ে সদর উপজেলা এলজিইডি’র প্রকৌশলী মো. ফারুখ হোসেন বলেন, রাস্তাটির কাজ পেয়েছেন হৃদয় কনস্ট্রাকশন। তদন্ত সাপেক্ষে প্রয়োজনীয় ব্যবস্থা গ্রহণ করা হবে।

