ডেস্ক নিউজঃ-
দেশের কর্মসংস্থানের বড় অংশই হচ্ছে অপ্রাতিষ্ঠানিক খাতে। মোট শ্রমশক্তির ৮৫ দশমিক ১ শতাংশই এ খাতে নিয়োজিত। আর মাত্র ১৪ দশমিক ৯ শতাংশ প্রাতিষ্ঠানিক খাতে কাজ করে। কৃষি ক্ষেত্রে নিয়োজিত মোট শ্রমশক্তির ৯৫ দশমিক ৪ শতাংশই অপ্রাতিষ্ঠানিক খাতে।
দেশের কর্মসংস্থানের বড় অংশই হচ্ছে অপ্রাতিষ্ঠানিক খাতে। মোট শ্রমশক্তির ৮৫ দশমিক ১ শতাংশই এ খাতে নিয়োজিত। আর মাত্র ১৪ দশমিক ৯ শতাংশ প্রাতিষ্ঠানিক খাতে কাজ করে। কৃষি ক্ষেত্রে নিয়োজিত মোট শ্রমশক্তির ৯৫ দশমিক ৪ শতাংশই অপ্রাতিষ্ঠানিক খাতে।
শিল্প ক্ষেত্রে নিয়োজিত মোট শ্রমশক্তির ৮৯ দশমিক ৯ শতাংশ অপ্রাতিষ্ঠানিক
আর সেবা ক্ষেত্রে নিয়োজিত শ্রমশক্তির ৭১ দশমিক ৮ শতাংশ অপ্রাতিষ্ঠানিক
খাতে নিয়োজিত। বাংলাদেশ পরিসংখ্যান ব্যুরোর (বিবিএস) ‘শ্রমশক্তি জরিপ
(২০১৬-১৭)’ প্রতিবেদনে এ চিত্র ওঠে এসেছে।
সম্প্রতি প্রতিবেদনটি প্রকাশ করা হয়। অর্থনীতিবিদরা বলছেন, অপ্রাতিষ্ঠানিক খাতে শ্রমশক্তি সবচেয়ে বেশি হওয়াটা ঝুঁকিপূর্ণ। কেন না, তারা যে কোনো সময় কাজ হারিয়ে বেকার হয়ে যেতে পারেন। ফলে তাদের জীবনযাত্রার মান কমে গিয়ে দারিদ্র্যসীমার নিচে নেমে যাওয়ার আশঙ্কা থাকে।
পরিসংখ্যান ব্যুরোর প্রতিবেদনে বলা হয়েছে, দেশে ১৫ বছরের ঊর্ধ্বে অপ্রাতিষ্ঠানিক কর্মে নিয়োজিত রয়েছেন ৫ কোটি ১৭ লাখ ৩৪ হাজার মানুষ। এর মধ্যে নারী শ্রমিক রয়েছেন ১ কোটি ৭১ লাখ ২১ হাজার আর পুরুষ রয়েছেন ৩ কোটি ৪৬ লাখ ১৩ হাজার।
বাংলাদেশ উন্নয়ন গবেষণা প্রতিষ্ঠানের (বিআইডিএস) সাবেক মহাপরিচালক মোস্তফা কে মুজেরি বলেন, ‘অপ্রাতিষ্ঠানিক খাতই হচ্ছে বাংলাদেশের অর্থনীতির মূল চালিকা শক্তি। মোট শ্রমশক্তির প্রায় ৯০ শতাংশই অপ্রাতিষ্ঠানিক খাতে নিয়োজিত।
কারুশিল্প এবং এ সংশ্লিষ্ট কর্মে নিয়োজিত আছে ৯১ লাখ ৫৯ হাজার, এর মধ্যে পুরুষ ৬১ লাখ ৬৬ হাজার এবং মহিলা ২৯ লাখ ৯৪ হাজার। উৎপাদক-যন্ত্র পরিচালনাকারী এবং সংযুক্তকরণ কাজে নিয়োজিত আছে ৩৮ লাখ ৩১ হাজার।
এর মধ্যে পুরুষ ৩৪ লাখ ৫২ হাজার এবং মহিলা ৩ লাখ ৭৯ হাজার। প্রাথমিক পেশায় যুক্ত ১ কোটি ৮১ হাজার, এর মধ্যে পুরুষ ৭২ লাখ ৯৮ হাজার এবং মহিলা ২৭ লাখ ৮৪ হাজার। এছাড়া অন্যান্য পোশায় যুক্ত রয়েছে ২১ হাজার মানুষ, এর মধ্যে পুরুষ ১৭ হাজার এবং বাকিরা মহিলা।
সম্প্রতি প্রতিবেদনটি প্রকাশ করা হয়। অর্থনীতিবিদরা বলছেন, অপ্রাতিষ্ঠানিক খাতে শ্রমশক্তি সবচেয়ে বেশি হওয়াটা ঝুঁকিপূর্ণ। কেন না, তারা যে কোনো সময় কাজ হারিয়ে বেকার হয়ে যেতে পারেন। ফলে তাদের জীবনযাত্রার মান কমে গিয়ে দারিদ্র্যসীমার নিচে নেমে যাওয়ার আশঙ্কা থাকে।
পরিসংখ্যান ব্যুরোর প্রতিবেদনে বলা হয়েছে, দেশে ১৫ বছরের ঊর্ধ্বে অপ্রাতিষ্ঠানিক কর্মে নিয়োজিত রয়েছেন ৫ কোটি ১৭ লাখ ৩৪ হাজার মানুষ। এর মধ্যে নারী শ্রমিক রয়েছেন ১ কোটি ৭১ লাখ ২১ হাজার আর পুরুষ রয়েছেন ৩ কোটি ৪৬ লাখ ১৩ হাজার।
বাংলাদেশ উন্নয়ন গবেষণা প্রতিষ্ঠানের (বিআইডিএস) সাবেক মহাপরিচালক মোস্তফা কে মুজেরি বলেন, ‘অপ্রাতিষ্ঠানিক খাতই হচ্ছে বাংলাদেশের অর্থনীতির মূল চালিকা শক্তি। মোট শ্রমশক্তির প্রায় ৯০ শতাংশই অপ্রাতিষ্ঠানিক খাতে নিয়োজিত।
কারুশিল্প এবং এ সংশ্লিষ্ট কর্মে নিয়োজিত আছে ৯১ লাখ ৫৯ হাজার, এর মধ্যে পুরুষ ৬১ লাখ ৬৬ হাজার এবং মহিলা ২৯ লাখ ৯৪ হাজার। উৎপাদক-যন্ত্র পরিচালনাকারী এবং সংযুক্তকরণ কাজে নিয়োজিত আছে ৩৮ লাখ ৩১ হাজার।
এর মধ্যে পুরুষ ৩৪ লাখ ৫২ হাজার এবং মহিলা ৩ লাখ ৭৯ হাজার। প্রাথমিক পেশায় যুক্ত ১ কোটি ৮১ হাজার, এর মধ্যে পুরুষ ৭২ লাখ ৯৮ হাজার এবং মহিলা ২৭ লাখ ৮৪ হাজার। এছাড়া অন্যান্য পোশায় যুক্ত রয়েছে ২১ হাজার মানুষ, এর মধ্যে পুরুষ ১৭ হাজার এবং বাকিরা মহিলা।

