জাহাঙ্গীর আলম, টাঙ্গাইল
টাঙ্গাইলের ঘাটাইল উপজেলার হামিদপুর হাটবাজারে বেহাল দশা বিরাজ করছে, এমনকি ক্রেতা বিক্রেতাদের চরম দুর্ভোগে পড়তে হচ্ছে। উপজেলার বৃহত্তম বাণিজ্যিক কেন্দ্র হামিদপুর বাজার থেকে বিপুল পরিমাণ রাজস্ব আয় হলেও ক্রেতা-বিক্রেতাদের জন্য প্রয়োজনীয় সুযোগ-সুবিধা নেই। বাজারের ড্রেনেজ ব্যবস্থা নেই। দীর্ঘ দিন বাজারের ড্রেন পরিষ্কার না করায় বর্জ্য জমে। সামান্য একটু বৃষ্টি হলে ড্রেনের পঁচা পানি উপচে দুর্গন্ধ ছড়ায়। এমনকি দোকানের ভেতর ঢোকে নর্দমার পানি। বর্ষা মৌসুমে ক্রেতা-বিক্রেতা ও অন্য ব্যবসায়ীদের ভোগান্তি চরমে পৌঁছায়। এ ছাড়া বাজারের গলিপথগুলো সংস্কারের অভাবে চলাচলের অনুপযোগী হয়ে পড়েছে। বৃষ্টির সময় হাটে আগতদের দাঁড়ানোর কোনো ছাউনি নেই। ছাউনিগুলো দখল করে রেখেছে স্থানীয় ব্যবসায়ীরা। প্রতি সোম ও বৃহস্পতিবার বাজারের মধ্যগলিতে হাট বসায় যানবাহন চলাচল বিঘœ ঘটছে। বাজারের সড়কজুড়ে ব্যবসায়ীরা শাকসবজি, তরকারি, মাছ, ফল, পোশাকসহ বিভিন্ন পণ্যের পসরা বিক্রির জন্য সাজিয়ে বসে। আবার অনেকে নিজেদের পছন্দের জায়গায় ঝুপড়ি টাঙিয়ে দখল করে স্থায়ীভাবে ব্যবসা চালিয়ে যাচ্ছে। ঐতিহ্যবাহী এ বাজারটি অন্তহীন সমস্যায় জর্জরিত হলেও সমাধানের কোনো উদ্যোগ নেই।
হামিদপুর বাজারের ব্যবসায়ী নেতা মো.স্বপন মিয়া জানান, ‘দীর্ঘ দিন যাবৎ এ বাজার উন্নয়নবঞ্চিত। এ ছাড়া ড্রেনেজ ব্যবস্থা নেই। এ কারণে বাজারে বেহালদশা বিরাজ করছে। ড্রেনেজ ব্যবস্থা না করায় ময়লাযুক্ত পানি জমে দুর্গন্ধ ছড়াচ্ছে। এতে তাদের ব্যবসা করতে কষ্ট হচ্ছে। এ বাজার থেকে সরকার বিপুল পরিমাণ রাজস্ব আয় করে। অথচ এর কোনো উন্নয়ন নেই।’
দিঘর ও দিঘলকান্দি ইউনিয়ন চেয়ারম্যান আবুল কালাম আজাদ (মামুন) ও মো. নজরুল ইসলাম হাট-বাজারের বেহাল দশার কথা স্বীকার করে বলেন, উপজেলা সমন্বয় মিটিং এ আলোচনা করেছি । হাট-বাজার উন্নয়নে যথাযথ ব্যবস্থা নেওয়ার জোর দাবি জানাচ্ছি।
ঘাটাইলের উপজেলা নির্বাহী অফিসার দিলরুবা আহমেদ জানান, উপজেলা ইঞ্জিনিয়ারকে নির্দেশ দিয়েছি হামিদপুর হাট-বাজারের বেহালদশা দ্রæত নিরসন করা হবে ।
টাঙ্গাইলের ঘাটাইল উপজেলার হামিদপুর হাটবাজারে বেহাল দশা বিরাজ করছে, এমনকি ক্রেতা বিক্রেতাদের চরম দুর্ভোগে পড়তে হচ্ছে। উপজেলার বৃহত্তম বাণিজ্যিক কেন্দ্র হামিদপুর বাজার থেকে বিপুল পরিমাণ রাজস্ব আয় হলেও ক্রেতা-বিক্রেতাদের জন্য প্রয়োজনীয় সুযোগ-সুবিধা নেই। বাজারের ড্রেনেজ ব্যবস্থা নেই। দীর্ঘ দিন বাজারের ড্রেন পরিষ্কার না করায় বর্জ্য জমে। সামান্য একটু বৃষ্টি হলে ড্রেনের পঁচা পানি উপচে দুর্গন্ধ ছড়ায়। এমনকি দোকানের ভেতর ঢোকে নর্দমার পানি। বর্ষা মৌসুমে ক্রেতা-বিক্রেতা ও অন্য ব্যবসায়ীদের ভোগান্তি চরমে পৌঁছায়। এ ছাড়া বাজারের গলিপথগুলো সংস্কারের অভাবে চলাচলের অনুপযোগী হয়ে পড়েছে। বৃষ্টির সময় হাটে আগতদের দাঁড়ানোর কোনো ছাউনি নেই। ছাউনিগুলো দখল করে রেখেছে স্থানীয় ব্যবসায়ীরা। প্রতি সোম ও বৃহস্পতিবার বাজারের মধ্যগলিতে হাট বসায় যানবাহন চলাচল বিঘœ ঘটছে। বাজারের সড়কজুড়ে ব্যবসায়ীরা শাকসবজি, তরকারি, মাছ, ফল, পোশাকসহ বিভিন্ন পণ্যের পসরা বিক্রির জন্য সাজিয়ে বসে। আবার অনেকে নিজেদের পছন্দের জায়গায় ঝুপড়ি টাঙিয়ে দখল করে স্থায়ীভাবে ব্যবসা চালিয়ে যাচ্ছে। ঐতিহ্যবাহী এ বাজারটি অন্তহীন সমস্যায় জর্জরিত হলেও সমাধানের কোনো উদ্যোগ নেই।
হামিদপুর বাজারের ব্যবসায়ী নেতা মো.স্বপন মিয়া জানান, ‘দীর্ঘ দিন যাবৎ এ বাজার উন্নয়নবঞ্চিত। এ ছাড়া ড্রেনেজ ব্যবস্থা নেই। এ কারণে বাজারে বেহালদশা বিরাজ করছে। ড্রেনেজ ব্যবস্থা না করায় ময়লাযুক্ত পানি জমে দুর্গন্ধ ছড়াচ্ছে। এতে তাদের ব্যবসা করতে কষ্ট হচ্ছে। এ বাজার থেকে সরকার বিপুল পরিমাণ রাজস্ব আয় করে। অথচ এর কোনো উন্নয়ন নেই।’
দিঘর ও দিঘলকান্দি ইউনিয়ন চেয়ারম্যান আবুল কালাম আজাদ (মামুন) ও মো. নজরুল ইসলাম হাট-বাজারের বেহাল দশার কথা স্বীকার করে বলেন, উপজেলা সমন্বয় মিটিং এ আলোচনা করেছি । হাট-বাজার উন্নয়নে যথাযথ ব্যবস্থা নেওয়ার জোর দাবি জানাচ্ছি।
ঘাটাইলের উপজেলা নির্বাহী অফিসার দিলরুবা আহমেদ জানান, উপজেলা ইঞ্জিনিয়ারকে নির্দেশ দিয়েছি হামিদপুর হাট-বাজারের বেহালদশা দ্রæত নিরসন করা হবে ।

