জাহাঙ্গীর আলম, টাঙ্গাইল
টাঙ্গাইলের ধনবাড়িতে অনলাইন ব্যবসার নামে প্রায় ১৮ কোটি টাকা হাতিয়ে পালানোর সময় শনিবার(২৬ মে) স্থানীয় জনতার হাতে প্রতারক চক্রের এক সদস্যকে আটক করে পুলিশের কাছে সোর্পদ করেছে।
স্থানীয় সূত্রে জানা যায়, বেশ কিছুদিন যাবত ধনবাড়িতে কিউমার্ট অনলাইন মেগাসপ ব্যবসার নামে ধনবাড়ি নিউ মার্কেটের পূর্ব পাশে হাকিম ম্যানশনের নিচ তলায় একটি রুম ভাড়া নিয়ে প্যাসিফিক গ্রæপ নামে একদল প্রতারক জমজমাট ব্যবসা করছিল। এই চক্রটি ধনবাড়ি পৌরসভার ট্রেড লাইসেন্স না নিয়ে প্রশাসনের চোখ ফাঁকি দিয়ে অনলাইন ব্যবসা করে জনগণের প্রায় ১৮ কোটি টাকা হাতিয়ে নিয়েছে।
টাঙ্গাইল, জামালপুর, শেরপুর, সিরাজগঞ্জ, ময়মনসিংহের মুক্তাগাছা সহ অন্যান্য জেলার কয়েক হাজার পুরুষ-মহিলাদের কাছ থেকে অনলাইন ব্যবসার নামে আইডি প্রতি ৯ হাজার ৬০০ থেকে শুরু করে দুই লাখ টাকা পর্যন্ত জামানত হিসেবে টাকা হাতিয়ে নেয়। বিভিন্ন মূল্যে প্যাকেজও বিক্রি করে তারা। ধনবাড়ি উপজেলার বীরতারা ইউনিয়নের কাঠালিয়াবাড়ি গ্রামের মৃত নজর দেওয়ানীর ছেলে ফরিদ, তার চাচাতো বোন জামাই, একই গ্রামের নমির উদ্দিনের ছেলে বাদশা, মৃত ওয়ারেছ আলীর ছেলে হুমায়ুন, বনগ্রাম এলাকার স্বপন সহ আরো কয়েক ব্যক্তি লিডার হয়ে ওই প্রতিষ্ঠানের কাজ করেছেন। বর্তমানে তারা সবাই গা-ঢাকা দিয়েছেন।
বিষয়টি জানাজানি হলে শনিবার(২৬ মে) বিকালে ধনবাড়িতে অনলাইন ব্যবসার ম্যানেজার জিহাদ প্রায় ১৮ কোটি টাকা নিয়ে পালানোর সময় স্থানীয় জনতা তাকে আটক করে থানা পুলিশের কাছে সোর্পদ করে।
পুলিশ সূত্রে জানাগেছে, বিষয়টি নিয়ে রোববার(২৭ মে) ধনবাড়ি পৌরসভায় ভূক্তভোগী গ্রাহকের টাকা ফেরত দেয়ার জন্য বীরতারা ইউনিয়নের চেয়ারম্যান শফিকুল ইসলাম (শফি) ও আওয়ামীলীগের প্রচার সম্পাদক আরশেদ আলী সহ স্থানীয় আওয়ামীলীগের কিছু নেতা কাজ করছেন ।
ভুক্তভোগী সরিষাবাড়ী উপজেলার আনোয়ার হোসেন, বেলাল হোসেন, আব্দুর রাজ্জাক, হাফিজুর রহমান ও ঘাটাইল উপজেলার সবুজ সহ আরো সকলেই জানান, বিষয়টি সমাধানের নামে চেয়ারম্যান সহ মাতব্বররা কালক্ষেপন করছেন বলে অভিযোগ ওঠেছে।
এ বিষয়ে ধনবাড়ি পৌরসভার মেয়র খন্দকার মঞ্জুরুল ইসলাম তপন জানান, এ বিষয়ে সালিশি বৈঠক চলছে। মেয়রের অজান্তে ট্রেড লাইসেন্স নিয়ে ‘কিউমার্ট অনলাইন’ মেগাসপ ব্যবসা করেছে। তিনি এ বিষয়ে প্রয়োজনীয় ব্যবস্থা গ্রহন করার আশ্বাস দেন।
ধনবাড়ি থানার অফিসার ইনচার্জ(ওসি) মজিবর রহমান ঘটনার সত্যতা স্বীকার করে বলেন, বিষয়টি ধনবাড়ি উপজেলা আওয়ামীলীগের প্রচার সম্পাদক আরশেদ আলী মীমাংসার জন্য মুচলেকা দিয়ে অভিযুক্ত জিহাদকে ধনবাড়ী পৌর সভা কার্যালয়ে নিয়ে যান।
টাঙ্গাইলের ধনবাড়িতে অনলাইন ব্যবসার নামে প্রায় ১৮ কোটি টাকা হাতিয়ে পালানোর সময় শনিবার(২৬ মে) স্থানীয় জনতার হাতে প্রতারক চক্রের এক সদস্যকে আটক করে পুলিশের কাছে সোর্পদ করেছে।
স্থানীয় সূত্রে জানা যায়, বেশ কিছুদিন যাবত ধনবাড়িতে কিউমার্ট অনলাইন মেগাসপ ব্যবসার নামে ধনবাড়ি নিউ মার্কেটের পূর্ব পাশে হাকিম ম্যানশনের নিচ তলায় একটি রুম ভাড়া নিয়ে প্যাসিফিক গ্রæপ নামে একদল প্রতারক জমজমাট ব্যবসা করছিল। এই চক্রটি ধনবাড়ি পৌরসভার ট্রেড লাইসেন্স না নিয়ে প্রশাসনের চোখ ফাঁকি দিয়ে অনলাইন ব্যবসা করে জনগণের প্রায় ১৮ কোটি টাকা হাতিয়ে নিয়েছে।
টাঙ্গাইল, জামালপুর, শেরপুর, সিরাজগঞ্জ, ময়মনসিংহের মুক্তাগাছা সহ অন্যান্য জেলার কয়েক হাজার পুরুষ-মহিলাদের কাছ থেকে অনলাইন ব্যবসার নামে আইডি প্রতি ৯ হাজার ৬০০ থেকে শুরু করে দুই লাখ টাকা পর্যন্ত জামানত হিসেবে টাকা হাতিয়ে নেয়। বিভিন্ন মূল্যে প্যাকেজও বিক্রি করে তারা। ধনবাড়ি উপজেলার বীরতারা ইউনিয়নের কাঠালিয়াবাড়ি গ্রামের মৃত নজর দেওয়ানীর ছেলে ফরিদ, তার চাচাতো বোন জামাই, একই গ্রামের নমির উদ্দিনের ছেলে বাদশা, মৃত ওয়ারেছ আলীর ছেলে হুমায়ুন, বনগ্রাম এলাকার স্বপন সহ আরো কয়েক ব্যক্তি লিডার হয়ে ওই প্রতিষ্ঠানের কাজ করেছেন। বর্তমানে তারা সবাই গা-ঢাকা দিয়েছেন।
বিষয়টি জানাজানি হলে শনিবার(২৬ মে) বিকালে ধনবাড়িতে অনলাইন ব্যবসার ম্যানেজার জিহাদ প্রায় ১৮ কোটি টাকা নিয়ে পালানোর সময় স্থানীয় জনতা তাকে আটক করে থানা পুলিশের কাছে সোর্পদ করে।
পুলিশ সূত্রে জানাগেছে, বিষয়টি নিয়ে রোববার(২৭ মে) ধনবাড়ি পৌরসভায় ভূক্তভোগী গ্রাহকের টাকা ফেরত দেয়ার জন্য বীরতারা ইউনিয়নের চেয়ারম্যান শফিকুল ইসলাম (শফি) ও আওয়ামীলীগের প্রচার সম্পাদক আরশেদ আলী সহ স্থানীয় আওয়ামীলীগের কিছু নেতা কাজ করছেন ।
ভুক্তভোগী সরিষাবাড়ী উপজেলার আনোয়ার হোসেন, বেলাল হোসেন, আব্দুর রাজ্জাক, হাফিজুর রহমান ও ঘাটাইল উপজেলার সবুজ সহ আরো সকলেই জানান, বিষয়টি সমাধানের নামে চেয়ারম্যান সহ মাতব্বররা কালক্ষেপন করছেন বলে অভিযোগ ওঠেছে।
এ বিষয়ে ধনবাড়ি পৌরসভার মেয়র খন্দকার মঞ্জুরুল ইসলাম তপন জানান, এ বিষয়ে সালিশি বৈঠক চলছে। মেয়রের অজান্তে ট্রেড লাইসেন্স নিয়ে ‘কিউমার্ট অনলাইন’ মেগাসপ ব্যবসা করেছে। তিনি এ বিষয়ে প্রয়োজনীয় ব্যবস্থা গ্রহন করার আশ্বাস দেন।
ধনবাড়ি থানার অফিসার ইনচার্জ(ওসি) মজিবর রহমান ঘটনার সত্যতা স্বীকার করে বলেন, বিষয়টি ধনবাড়ি উপজেলা আওয়ামীলীগের প্রচার সম্পাদক আরশেদ আলী মীমাংসার জন্য মুচলেকা দিয়ে অভিযুক্ত জিহাদকে ধনবাড়ী পৌর সভা কার্যালয়ে নিয়ে যান।

