মোঃ মাজহারুল ইসলাম শিপলু, মির্জাপুর (টাঙ্গাইল) প্রতিনিধিঃ
গরম শুরু হওয়ার সাথে সাথে প্রতিনিয়তই মির্জাপুরে শুরু হয়েছে ব্যাপক লোডশেডিং। এ লোডশেডিং এর কারণে বেশ ভোগান্তিতে পড়ছেন মির্জাপুরবাসী।
ভূক্তভোগীরা জানান, রমজান আসার পূর্ব থেকেই লোডশেডিং বিদ্যুৎ বিভ্রাট ও লোডশেডিং-এ নিত্য বিড়ম্বনায় পড়েছেন। এর কবলে পড়ে ভোগান্তি পোহাতে হচ্ছে।
অন্যদিকে মশার উপদ্রবে উপজেলাবাসীর জনজীবন অসহ্য হয়ে পড়ছে, তার ওপর আবার বারবার বিদ্যুৎের লোডশেডিং দেওয়ায় রমজানে সাহ্রী ও ইফতারের সময়টুকুও কাটাতে হচ্ছে মোমবাতির অথবা হারিকেনের আলোতে। এ বিদ্যুৎ বিভ্রাটের কারণে স্বাভাবিক জীবনযাত্রাও চরমভাবে ব্যহত হচ্ছে। উপজেলার প্রায় (১,১৪,৫০০) এক লক্ষ চৌদ্দ হাজার পাঁচশত গ্রাহক বিদ্যুৎের লুকোচুরি থেকে নিষ্কৃতি চায়। কবে নাগাদ এই ভোগান্তির অবসান ঘটবে এটাই এখন জনমনে প্রশ্ন?
এ বিষয়ে পল্লী বিদ্যুৎতের উপ-মহাব্যবস্থাপক মোঃ মোর্শেদুল ইসলাম বলেন,
চাহিদার তুলনায় বিদ্যুৎ সরবরাহ কম থাকায় বাধ্য হয়ে এলাকাভেদে বারবার লোডশেডিং দিয়ে পরিস্থিতি সামাল দিতে হচ্ছে। তবে পল্লী বিদ্যুৎ অফিসের এমন এ ধরণের বক্তব্য এক লক্ষ চৌদ্দ হাজার পাঁচশত গ্রাহক মানতে নারাজ। পল্লী বিদ্যুৎ অফিস কর্তৃপক্ষের এ দায়সারা বক্তব্য অনেকটা অরণ্যে রোদনের মতো। কবে নাগাদ যে পল্লী বিদ্যুৎ সরবাহ সংশ্লিষ্ট কর্তৃপক্ষের টনক নড়বে, গ্রাহকগণ এ নিয়েই উদ্বেগ আর উৎকন্ঠায় সময় কাটাচ্ছেন।
গরম শুরু হওয়ার সাথে সাথে প্রতিনিয়তই মির্জাপুরে শুরু হয়েছে ব্যাপক লোডশেডিং। এ লোডশেডিং এর কারণে বেশ ভোগান্তিতে পড়ছেন মির্জাপুরবাসী।
ভূক্তভোগীরা জানান, রমজান আসার পূর্ব থেকেই লোডশেডিং বিদ্যুৎ বিভ্রাট ও লোডশেডিং-এ নিত্য বিড়ম্বনায় পড়েছেন। এর কবলে পড়ে ভোগান্তি পোহাতে হচ্ছে।
অন্যদিকে মশার উপদ্রবে উপজেলাবাসীর জনজীবন অসহ্য হয়ে পড়ছে, তার ওপর আবার বারবার বিদ্যুৎের লোডশেডিং দেওয়ায় রমজানে সাহ্রী ও ইফতারের সময়টুকুও কাটাতে হচ্ছে মোমবাতির অথবা হারিকেনের আলোতে। এ বিদ্যুৎ বিভ্রাটের কারণে স্বাভাবিক জীবনযাত্রাও চরমভাবে ব্যহত হচ্ছে। উপজেলার প্রায় (১,১৪,৫০০) এক লক্ষ চৌদ্দ হাজার পাঁচশত গ্রাহক বিদ্যুৎের লুকোচুরি থেকে নিষ্কৃতি চায়। কবে নাগাদ এই ভোগান্তির অবসান ঘটবে এটাই এখন জনমনে প্রশ্ন?
এ বিষয়ে পল্লী বিদ্যুৎতের উপ-মহাব্যবস্থাপক মোঃ মোর্শেদুল ইসলাম বলেন,
চাহিদার তুলনায় বিদ্যুৎ সরবরাহ কম থাকায় বাধ্য হয়ে এলাকাভেদে বারবার লোডশেডিং দিয়ে পরিস্থিতি সামাল দিতে হচ্ছে। তবে পল্লী বিদ্যুৎ অফিসের এমন এ ধরণের বক্তব্য এক লক্ষ চৌদ্দ হাজার পাঁচশত গ্রাহক মানতে নারাজ। পল্লী বিদ্যুৎ অফিস কর্তৃপক্ষের এ দায়সারা বক্তব্য অনেকটা অরণ্যে রোদনের মতো। কবে নাগাদ যে পল্লী বিদ্যুৎ সরবাহ সংশ্লিষ্ট কর্তৃপক্ষের টনক নড়বে, গ্রাহকগণ এ নিয়েই উদ্বেগ আর উৎকন্ঠায় সময় কাটাচ্ছেন।

