জাহাঙ্গীর আলম, টাঙ্গাইল
টাঙ্গাইলের কালিহাতী উপজেলার নারান্দিয়া ইউনিয়নের গিলাবাড়ী গ্রামে ৭ম শ্রেণীর এক স্কুল ছাত্রী ধর্ষণের শিকার হয়ে ৭ মাসের অন্তঃসত্ত্বা হয়ে পড়েছে। অনাগত ওই সন্তানের পিতৃ পরিচয়ের আশায় স্থানীয়দের দ্বারে দ্বারে ঘুরছে হতদরিদ্র ওই অসহায় পরিবারটি। বিষয়টি ধামাচাপা দেয়ার জন্য পায়তারা করছে প্রভাবশালী একটি মহল। উপায়ন্তর না পেয়ে সোমবার কালিহাতী থানায় ধর্ষিতার পিতা আবুল হোসেন বাদী হয়ে থানায় একটি মামলা দায়ের করেছেন।
ঘটনাটি ধাপাচাপা দিতে ওই কিশোরীকে গর্ভপাত করারনোর জন্য শনিবার রাতে টাঙ্গাইল শহরের কুমুদিনী কলেজ গেট এলাকায় মুন জেনারেল হাসপাতালে ভর্তি করে ধর্ষক ও তার প্রভাবশালী পরিবার।
ঘটনাটি জানাজানি হলে তড়িঘড়ি করে রোববার দুপুরে ওই হাসপাতাল মালিকের ছেলে মামুন ওই কিশোরীকে ছাড়পত্র দিয়ে তার পরিবারকে দ্রæত হাসপাতাল ত্যাগ করতে বলেন। তবে ছাড়পত্রে ওই কিশোরীর ঠিকানা ভুল করেছে হাসপাতাল কর্তৃপক্ষ।
ওই কিশোরী জানায়, কয়েক মাস আগে বাড়ির পাশে আম কুড়াতে যায় সে। ওই সময় পাশের বাড়ির প্রভাবশালী অবসর প্রাপ্ত সরকারি কর্মকর্তা আনছের তার মুখ চেপে ধরে বাড়িতে নিয়ে গিয়ে ধর্ষণ করে। ঘটনাটি কাউকে না বলার জন্য প্রাণনাশের হুমকি দেয়।
এভাবে ভয়ভীতি দেখিয়ে আনছের প্রায়ই তাকে ধর্ষণ করতো বলে ওই কিশোরী অভিযোগ করে।
কিছুদিন পর কিশোরীর শারীরিক অবস্থার পরিবর্তন দেখে পরিবারের লোকজন চিকিৎসকের পরামর্শ নিয়ে জানতে পারে মেয়েটি অন্তঃসত্ত্বা। পরে পরিবারের লোকজন আনছের আলীকে বিষয়টি জানালে উল্টো ভয়ভীতি দেখিয়ে তড়িঘড়ি করে গর্ভপাত করার জন্য বলে।
পরে আনছের আলীর চাপাচাপিতে বাধ্য হয়ে গত শনিবার রাতে ওই কিশোরীকে টাঙ্গাইল শহরের মুন জেনারেল হাসপাতালে ভর্তি করেন তার মা। সেখানে ২৫ হাজার টাকার বিনিময়ে গর্ভপাত করানোর জন্য ডা. মালেকা শফির (মঞ্জু) সঙ্গে চুক্তি করে হাসপাতাল কর্তৃপক্ষ।
রোববার সকালে গর্ভপাত করানোর কথা ছিল তার। কিন্তু হঠাৎ করেই হাসপাতালে পুলিশ আসে এবং তড়িঘড়ি করে ছাড়পত্র দিয়ে রোববার দুপুরে তাদের তাড়িয়ে দেয়া হয়।
ধর্ষিতার মা জানান, আনছের প্রভাবশালী হওয়ায় ভয়ে কেউ তার বিরুদ্ধে মুখ খুলতে সাহস পায় না। মেয়ের বিষয় নিয়ে তার কাছে কয়েকবার জানতে চাইলে তিনি বিভিন্নভাবে ভয়ভীতি দেখিয়ে তাড়িয়ে দেয় এবং দ্রুত গর্ভপাত ঘটানোর কথা বলে।
এদিকে খবর পেয়ে টাঙ্গাইল মডেল থানার পুলিশ মুন জেনারেল হাসপাতালে গিয়েও কোনো প্রকার পদক্ষেপ না নিয়েই সেখান থেকে চলে যায়। পাশাপাশি মুন জেনারেল হাসপাতাল কর্তৃপক্ষকে আড়াল করতে টাঙ্গাইল জেলা ক্লিনিক মালিক সমিতির প্রভাবশালী কয়েকজন কর্মকর্তা উঠেপড়ে লেগেছেন।
নাম প্রকাশ না করার শর্তে ওই হাসপাতালের একজন কর্মচারী জানান, এই হাসপাতালে প্রায়ই অবৈধ গর্ভপাত করানো হয়। এ নিয়ে কেউ কথা বলার সাহস পায় না। তারা সর্ব মহলে ম্যানেজ করে এ কাজ করে চলছে।
মুন জেনারেল হাসপাতালের দায়িত্বরত মামুন সাংবাদিকদের জানান, রোববার দুপুরে ওই কিশোরীকে টাঙ্গাইল শেখ হাসিনা মেডিকেল কলেজ হাসপাতালে পাঠানো হয়েছে। আপনারা সেখানে গিয়ে তাদের সঙ্গে কথা বলেন। তার কথামতো টাঙ্গাইল শেখ হাসিনা মেডিকেল কলেজ হাসপাতালে গিয়েও তাদের পাওয়া যায়নি।
টাঙ্গাইল সদর থানার ওসি সায়েদুর রহমান জানান, খবর পেয়ে মুন জেনারেল হাসপাতালে পুলিশ পাঠানো হয়েছিল। কিন্তু সেখানে গিয়ে কোনো সমস্যা না থাকায় তারা ফিরে আসে।
এ ব্যাপারে কালিহাতী থানার অফিসার ইনচার্জ মীর মোশাররফ হোসেন জানান, একটি অভিযোগ পেয়েছি। তদন্ত সাপেক্ষে প্রয়োজনীয় ব্যবস্থা নেয়া হবে।
টাঙ্গাইলের কালিহাতী উপজেলার নারান্দিয়া ইউনিয়নের গিলাবাড়ী গ্রামে ৭ম শ্রেণীর এক স্কুল ছাত্রী ধর্ষণের শিকার হয়ে ৭ মাসের অন্তঃসত্ত্বা হয়ে পড়েছে। অনাগত ওই সন্তানের পিতৃ পরিচয়ের আশায় স্থানীয়দের দ্বারে দ্বারে ঘুরছে হতদরিদ্র ওই অসহায় পরিবারটি। বিষয়টি ধামাচাপা দেয়ার জন্য পায়তারা করছে প্রভাবশালী একটি মহল। উপায়ন্তর না পেয়ে সোমবার কালিহাতী থানায় ধর্ষিতার পিতা আবুল হোসেন বাদী হয়ে থানায় একটি মামলা দায়ের করেছেন।
ঘটনাটি ধাপাচাপা দিতে ওই কিশোরীকে গর্ভপাত করারনোর জন্য শনিবার রাতে টাঙ্গাইল শহরের কুমুদিনী কলেজ গেট এলাকায় মুন জেনারেল হাসপাতালে ভর্তি করে ধর্ষক ও তার প্রভাবশালী পরিবার।
ঘটনাটি জানাজানি হলে তড়িঘড়ি করে রোববার দুপুরে ওই হাসপাতাল মালিকের ছেলে মামুন ওই কিশোরীকে ছাড়পত্র দিয়ে তার পরিবারকে দ্রæত হাসপাতাল ত্যাগ করতে বলেন। তবে ছাড়পত্রে ওই কিশোরীর ঠিকানা ভুল করেছে হাসপাতাল কর্তৃপক্ষ।
ওই কিশোরী জানায়, কয়েক মাস আগে বাড়ির পাশে আম কুড়াতে যায় সে। ওই সময় পাশের বাড়ির প্রভাবশালী অবসর প্রাপ্ত সরকারি কর্মকর্তা আনছের তার মুখ চেপে ধরে বাড়িতে নিয়ে গিয়ে ধর্ষণ করে। ঘটনাটি কাউকে না বলার জন্য প্রাণনাশের হুমকি দেয়।
এভাবে ভয়ভীতি দেখিয়ে আনছের প্রায়ই তাকে ধর্ষণ করতো বলে ওই কিশোরী অভিযোগ করে।
কিছুদিন পর কিশোরীর শারীরিক অবস্থার পরিবর্তন দেখে পরিবারের লোকজন চিকিৎসকের পরামর্শ নিয়ে জানতে পারে মেয়েটি অন্তঃসত্ত্বা। পরে পরিবারের লোকজন আনছের আলীকে বিষয়টি জানালে উল্টো ভয়ভীতি দেখিয়ে তড়িঘড়ি করে গর্ভপাত করার জন্য বলে।
পরে আনছের আলীর চাপাচাপিতে বাধ্য হয়ে গত শনিবার রাতে ওই কিশোরীকে টাঙ্গাইল শহরের মুন জেনারেল হাসপাতালে ভর্তি করেন তার মা। সেখানে ২৫ হাজার টাকার বিনিময়ে গর্ভপাত করানোর জন্য ডা. মালেকা শফির (মঞ্জু) সঙ্গে চুক্তি করে হাসপাতাল কর্তৃপক্ষ।
রোববার সকালে গর্ভপাত করানোর কথা ছিল তার। কিন্তু হঠাৎ করেই হাসপাতালে পুলিশ আসে এবং তড়িঘড়ি করে ছাড়পত্র দিয়ে রোববার দুপুরে তাদের তাড়িয়ে দেয়া হয়।
ধর্ষিতার মা জানান, আনছের প্রভাবশালী হওয়ায় ভয়ে কেউ তার বিরুদ্ধে মুখ খুলতে সাহস পায় না। মেয়ের বিষয় নিয়ে তার কাছে কয়েকবার জানতে চাইলে তিনি বিভিন্নভাবে ভয়ভীতি দেখিয়ে তাড়িয়ে দেয় এবং দ্রুত গর্ভপাত ঘটানোর কথা বলে।
এদিকে খবর পেয়ে টাঙ্গাইল মডেল থানার পুলিশ মুন জেনারেল হাসপাতালে গিয়েও কোনো প্রকার পদক্ষেপ না নিয়েই সেখান থেকে চলে যায়। পাশাপাশি মুন জেনারেল হাসপাতাল কর্তৃপক্ষকে আড়াল করতে টাঙ্গাইল জেলা ক্লিনিক মালিক সমিতির প্রভাবশালী কয়েকজন কর্মকর্তা উঠেপড়ে লেগেছেন।
নাম প্রকাশ না করার শর্তে ওই হাসপাতালের একজন কর্মচারী জানান, এই হাসপাতালে প্রায়ই অবৈধ গর্ভপাত করানো হয়। এ নিয়ে কেউ কথা বলার সাহস পায় না। তারা সর্ব মহলে ম্যানেজ করে এ কাজ করে চলছে।
মুন জেনারেল হাসপাতালের দায়িত্বরত মামুন সাংবাদিকদের জানান, রোববার দুপুরে ওই কিশোরীকে টাঙ্গাইল শেখ হাসিনা মেডিকেল কলেজ হাসপাতালে পাঠানো হয়েছে। আপনারা সেখানে গিয়ে তাদের সঙ্গে কথা বলেন। তার কথামতো টাঙ্গাইল শেখ হাসিনা মেডিকেল কলেজ হাসপাতালে গিয়েও তাদের পাওয়া যায়নি।
টাঙ্গাইল সদর থানার ওসি সায়েদুর রহমান জানান, খবর পেয়ে মুন জেনারেল হাসপাতালে পুলিশ পাঠানো হয়েছিল। কিন্তু সেখানে গিয়ে কোনো সমস্যা না থাকায় তারা ফিরে আসে।
এ ব্যাপারে কালিহাতী থানার অফিসার ইনচার্জ মীর মোশাররফ হোসেন জানান, একটি অভিযোগ পেয়েছি। তদন্ত সাপেক্ষে প্রয়োজনীয় ব্যবস্থা নেয়া হবে।

