S.S.DESK-
ঢাকা বিশ্ববিদ্যালয় সম্পর্কে সামাজিক যোগাযোগ মাধ্যমসহ বিভিন্নভাবে গুজব, উস্কানি ও মিথ্যা ছড়ানো হচ্ছে। কোনো গুজবে কান দেবেন না। সাধারণ শিক্ষার্থীদের কোনো ধরনের হয়রানি করা হবে না। বললেন ঢাকা বিশ্ববিদ্যালয় উপাচার্য ড. আখতারুজ্জামান।
ঢাকা বিশ্ববিদ্যালয় সম্পর্কে সামাজিক যোগাযোগ মাধ্যমসহ বিভিন্নভাবে গুজব, উস্কানি ও মিথ্যা ছড়ানো হচ্ছে। কোনো গুজবে কান দেবেন না। সাধারণ শিক্ষার্থীদের কোনো ধরনের হয়রানি করা হবে না। বললেন ঢাকা বিশ্ববিদ্যালয় উপাচার্য ড. আখতারুজ্জামান।
বৃহস্পতিবার গভীর রাতে কবি সুফিয়া কামাল
হল থেকে বেশ কয়েকজন ছাত্রীকে কর্তৃপক্ষ বের করে দেয় বলে গণমাধ্যমে খবর বের
হয়। রাত থেকেই সামাজিক যোগাযোগ মাধ্যমে এই খবর নিয়ে চলে তোলপাড়। এ ব্যাপারে
প্রকৃত খবর জানাতে সংবাদ সম্মেলনের আয়োজন করেন উপাচার্য।
ঢাবি উপাচার্য জানান, ফেসবুকে বিভ্রান্তি
ছড়ানোর অভিযোগে তিন ছাত্রীকে অভিভাবক ডেকে এনে তাদের হাতে তুলে দেয়া হয়েছে।
এখানে বিভ্রান্তি ছড়ানোর কোনো সুযোগ নেই। সাধারণ কোনো ছাত্রীকে হয়রানি করা
হয়নি। হল কর্তৃপক্ষ অভিভাবকসুলভ আচরণ করেছে বলেও মনে করেন ভিসি।
ঢাবি উপাচার্য বলেন, ‘আন্দোলনকারী আর উস্কানিদাতা এক নয়। আন্দোলন ঢাকা বিশ্ববিদ্যালয়ের সঙ্গে ঐতিহ্যপূর্ণ। এটা খুব স্বাভাবিক। যৌক্তিক দাবিতে আন্দোলন করতে পারে যে কেউ। তবে উস্কানি দেয়া আর আন্দোলন এক নয়। আমরা আন্দোলনকে সমর্থন করি, উস্কানিকে নয়।’
ঢাবি উপাচার্য বলেন, ‘আন্দোলনকারী আর উস্কানিদাতা এক নয়। আন্দোলন ঢাকা বিশ্ববিদ্যালয়ের সঙ্গে ঐতিহ্যপূর্ণ। এটা খুব স্বাভাবিক। যৌক্তিক দাবিতে আন্দোলন করতে পারে যে কেউ। তবে উস্কানি দেয়া আর আন্দোলন এক নয়। আমরা আন্দোলনকে সমর্থন করি, উস্কানিকে নয়।’
কোটা সংস্কার আন্দোলন সাধারণ
শিক্ষার্থীদের হলেও এতে অপশক্তি ঢুকে গিয়েছিল বলে মনে করেন তিনি। সেই
অপশক্তিই নাশকতার সঙ্গে জড়িত বলে জানান ভিসি।
ড. আখতারুজ্জামান জানান, কোনো সাধারণ
শিক্ষার্থীকে বিশ্ববিদ্যালয় প্রশাসন হয়রানি করেনি। হাজার হাজার ছাত্র এই
আন্দোলনের সঙ্গে জড়িত ছিল। এর মধ্যে মাত্র ২৫/২৬ জনকে চিহ্নিত করেছে তদন্ত
কমিটি।
নিশ্চিত না হয়ে কোনো সংবাদ পরিবেশন না
করতে গণমাধ্যম কর্মীদের প্রতি আহ্বান জানান ঢাবি ভিসি। তিনি জানান,
যাচাই-বাছাই ছাড়া কোনো খবর প্রকাশ করে দিলে এতে বিভ্রান্তি তৈরি হয়। এ
ব্যাপারে সবার সহযোগিতা কামনা করেন তিনি।
ছাত্রলীগ নেত্রী ইফফাত জাহান এশাকে
লাঞ্ছিত করার ঘটনায় গভীর রাতে ঢাকা বিশ্ববিদ্যালয়ের কবি সুফিয়া কামাল হলের
কয়েকজন ছাত্রীকে হল থেকে কর্তৃপক্ষ বের করে দেয় অভিযোগ উঠে। এতে সাধারণ
ছাত্রীদের মধ্যে ক্ষোভ দেখা দেয়। তাদের মধ্যে ছড়িয়ে পড়ে আতঙ্ক।
হলের প্রাধ্যক্ষ সাবিতা রেজওয়ানা
গণমাধ্যমকে বলেন, আমরা অনেক ছাত্রীকে ডেকেছি। তাদের মোবাইল চেক করা হচ্ছে।
তারা বিভিন্ন ফেক অ্যাকাউন্ট খুলে গুজব ছড়াচ্ছে। মুচলেকা দিয়ে তাদের
স্থানীয় অভিভাবকের সঙ্গে পাঠিয়ে দেওয়া হচ্ছে।
এর আগে গত বুধবার বিশ্ববিদ্যালয়ের শৃঙ্খলা
কমিটির এক সভায় ঢাকা বিশ্ববিদ্যালয় সুফিয়া কামাল হল ছাত্রলীগের সভাপতি
নেত্রী ইশরাত জাহান এশাকে হেনস্থার ঘটনায় হলের ২৬ শিক্ষার্থীকে কারণ
দর্শানোর নোটিশ দেয়ার সিদ্ধান্ত নেয় প্রশাসন। ওই সভাতেই এশার সাময়িক
বহিষ্কারাদেশ প্রত্যাহার করা হয়।

