নাজমুল হাসান নিরব:স্টাফ রির্পোটার;
ফরিদপুর চরভদ্রাসন উপজেলার গাজীরটেক ইউনিয়নের ৪ নং ওয়ার্ডের মেম্বার মাসুদ রানা ফকির গতকাল মঙলবার রাত ৮ টার দিকে এক আকস্মিক হামলার শিকার হয়েছে।
জানা যায় উক্ত ইউনিয়নের চরহাজিগঞ্জ বেরিবাধের কাছে কাপালি ডাংগী মন্দিরের কাছে মাছুদ ফকির,অন্য মেম্বার শহীদ,ইউপি চেয়ারম্যান ইয়াকুব মিয়া,ও স্থানীয় সোলাইমান নামে এক লোকের সাতে কথা চলছিল এ সময় হঠাৎ রাস্তার ওইপার থেকে রাজু(২৫) ও অজ্ঞাত একজন এসে এলোপাতারি আগাত শুরু করে ইউপি মেম্বার মাসুদের উপর। এসময় ধারালো রামদা বা কুড়াল দিয়ে মাছুদের পিঠে কোপ মারে হামলাকারীরা। পরে স্থানীয় লোকজন ও ইউপি চেয়ারম্যান এর সহয়োগীতায় আহত মাসুদ রানাকে চরভদ্রাসন স্বাস্থ্য কম্পেলেক্সে ভর্তি করা হয়।
আজ সকালে হাসপাতালে এ প্রতিবেদক মাসুদ রানার সাথে কথা বললে তিনি জানায়,আমার সাথে তাদের কোন শত্রুতা নেই।কেন তারা আমার উপর হামলা করল তা আমি বলতে পারব না।তিনি হামলা কারী একজনকে শনাক্ত করে বলেন,"ওর নাম রাজু।
খোজ নিয়ে জানা যায়,রাজু উক্ত ইউনিয়নের ব্যাপারী ডাংগি গ্রামের মোতাহার ব্যাপারীর ছেলে।তবে তার কোন খোজ পাওয়া যায়নি।
আজ সকালে হাসপাতালে এ প্রতিবেদক মাসুদ রানার সাথে কথা বললে তিনি জানায়,আমার সাথে তাদের কোন শত্রুতা নেই।কেন তারা আমার উপর হামলা করল তা আমি বলতে পারব না।তিনি হামলা কারী একজনকে শনাক্ত করে বলেন,"ওর নাম রাজু।
খোজ নিয়ে জানা যায়,রাজু উক্ত ইউনিয়নের ব্যাপারী ডাংগি গ্রামের মোতাহার ব্যাপারীর ছেলে।তবে তার কোন খোজ পাওয়া যায়নি।
ইউপি চেয়ারম্যান ইয়াকুব আলীর সাথে মুঠোফোনে কথাকালে তিনি ঘটনার সত্যতা স্বীকার করে বলেন "আমি না থাকে ঘটনাটি আর বাড়তে পারত।তবে কে বা কারা এর সাথে জরিত তা আমি রাতের অন্ধকারে খেয়াল করিনি।আর পোলাপান আমি অতটা চিনিও না।
হাসপাতালে থানাভারপ্রাপ্ত কর্মকর্তা রামপ্রসাদ ভক্ত মাসুদ রানা কে দেখতে যান।এবং জানা যায় এ ব্যাপারে মামলার প্রস্তুতি চলছে।
হাসপাতালে থানাভারপ্রাপ্ত কর্মকর্তা রামপ্রসাদ ভক্ত মাসুদ রানা কে দেখতে যান।এবং জানা যায় এ ব্যাপারে মামলার প্রস্তুতি চলছে।
মাসুদরানা বর্তমান গাজীরটেক ইউনিয়নের ৪ নং ওয়ার্ডের মেম্বার ও চরভদ্রাসন থানা যুবলীগের সাংগঠনিক সম্পাদক হিসেবে দায়িত্ব পালন করছেন।

