ফরিদপুরের চরভদ্রাসন উপজেলায় পবিত্র মাহে রমজানের আগের দিন বৃহস্পতিবার নিত্য প্রয়োজনীয় দ্রব্যমূল্য নির্ধারন করে ব্যবসায়ী সমিতি, ইউপি চেয়ারম্যান ও স্থানীয় সাংবাদিকদের পত্র দিয়েছেন উপজেলা প্রশাসন। পবিত্র মাহে রমজান মাসে দ্রব্যমূল্য সহনীয় পর্যায়ে রাখতে মূল্য তালিকা সম্বলিত পত্র উপজেলা সদর বাজার বণিক সমিতি, চরহাজীগঞ্জ বাজার বণিক সমিতি, মৌলভীরচর বজার বণিক সমিতি সহ প্রত্যেকটি ইউপি চেয়ারম্যানের কাছে পাঠিয়েছে উপজেলা নির্বাহী অফিসার।
বৃহস্পতিবার উপজেলা নির্বাহী অফিসার কামরুন নাহার বলেন, “যাচাই বাছাই করেই দ্রব্যমূল্য নির্ধারন করা হয়েছে। উপজেলার প্রত্যেকটি বাজারে দ্রব্যমূল্য সম্বলিত পত্র প্রেরন করা হয়েছে। এছাড়া রমজান মাসে খাদ্যদ্রব্য ভেজালমুক্ত রাখতে ব্যবসায়ীদের নিয়ে সভা করা হয়েছে। এরপর বাজারে ভেজাল ঢুকলে মোবাইল কোর্টের মাধ্যমে কঠোর ব্যবস্থা নেওয়া হবে”।
জানা যায়, পবিত্র মাহে রজমান মাসে উপজেলার বিভিন্ন বাজারে নির্ধারীত দ্রব্যমূল্যের মধ্যে চিকন চাল কেজি প্রতি ৫৭-৬২ টাকা, মাঝারি চাল ৪৪-৪৭ টাকা, মোটা চাল ৩৮ টাকা, আটা প্যাকেট ৩০-৩২ টাকা, আটা খোলা ২৬-২৮ টাকা, ময়দা খোলা ৩৮-৪০ টাকা, দেশী মশুরের ডাল ৮৫-৯০ টাকা, আস্ত ছোলা ৮০-৮২ টাকা, সরিষা তৈল লিটার প্রতি ১১৫-১১৬ টাকা, সোয়াবিন তৈল লিটার প্রতি ৯০-৯৫ টাকা, লুজ পাম ওয়েল ৭৭-৭৮ টাকা, ৫ লিটার বোতলজাত সোয়াবিন তৈল ৫০০-৫২০ টাকা, আলু কেজি প্রতি ১৪-১৮ টাকা, পেঁয়াজ কেজি প্রতি ২৫-৩৫ টাকা, রসুন কেজি প্রতি ৫০-৬০ টাকা, আদা কেজি প্রতি ৭৫-৮০ টাকা, কাচা মরিচ কেজি প্রতি ৩৫-৪০ টাকা, শুকনা মরিচ কেজি প্রতি ১৭০-২০০ টাকা, লবন কেজি (আয়োডিন) ৩০-৩৮ টাকা, কেজি প্রতি গুড়োদুধ ৫৪০-৫৬০ টাকা, কেজি প্রতি ইলিশ মাছ ৬০০-১০০০ টাকা, কেজি প্রতি গরুর মাংস ৪৮০-৫০০ টাকা, কেজি প্রতি ব্রয়লার মুরগী ১২৫-১৩০ টাকা, দেশী মুরগী ৩৫০-৩৮০ টাকা ও এক হালি ফার্মের ডিম ২৬-২৮ টাকা নির্ধারন করা হয়েছে।

