ডেস্ক নিউজ:
ফরিদপুর শহরের দক্ষিন ঝিলটুলী এলাকার
একটি ফ্লাট বাড়ী থেকে দুইজনের মরদেহ উদ্ধার করেছে কোতয়ালী থানা পুলিশ। রবিবার দিবাগত রাত ১১টার দিকে ফারুক হোসেন ও সানজিদা বেগম নামের এই দুইজনের লাশ উদ্ধার করা হয়। ফারুক হোসেন ফরিদপুর সোনালী ব্যাংকের অডিট অফিসার এবং সাজিয়া বেগম ফরিদপুরের সরকারী সারদা সুন্দরী মহিলা কলেজের গাহস্থ্য অর্থনীতি বিভাগের সহকারী অধ্যাপিকা। দুইজনের লাশ উদ্ধার করা হয় ফারুক হোসেনের রুম থেকে।।
বাড়ীর মালিক নজরুল ইসলামের ছেলে ডেবিট জানান, ফারুক হোসেন চারতলা ফ্লাটের নীচতলায় একাই থাকতেন। সাজিয়া বেগম স্বপরিবারে একই ফ্লাটের নীচতলার আরেকটি রুমে থাকতেন। ডেবিট জানায়, সে রাত ১১টার দিকে বাড়ী ফিরে দেখতে পান নীচতলার ফ্লাটের দরজা কিছুটা খোলা। তখন সে ভেতরে উকি দিয়ে দেখতে পান ফারুক হোসেনের লাশ ঝুলে রয়েছে। তাৎক্ষনিক পুলিশকে খবর দেয়া হলে পুলিশ ঘরের ভেতরে গিয়ে সানজিদা বেগমের লাশও উদ্ধার করে। রহস্যময় এই জোড়া খুনের ঘটনায় জনমনে দেখা দিয়েছে নানা প্রশ্ন।
অতিরিক্ত পুলিশ সুপার জামাল পাশা জানান, বাড়ীর মালিক নজরুল ইসলাম লাশ দুটি দেখতে পেয়ে পুলিশকে খবর দিলে ঘটনাস্থল থেকে ফারুক হোসেনের লাশটি ঝুলন্ত অবস্থায় এবং সানজিদা বেগমের লাশটি মেঝেতে রক্তাক্ত অবস্থায় উদ্ধার করা হয়। সানজিদা বেগমের শরীরে ধারালো অস্ত্রের বেশ কিছু আঘাতের চিহৃ রয়েছে। কিভাবে হত্যাকান্ড দুটি সংগঠিত হয়েছে তা খতিয়ে দেখছে পুলিশ। বর্তমানে লাশ দুটি মর্গে রাখা রয়েছে।
একটি ফ্লাট বাড়ী থেকে দুইজনের মরদেহ উদ্ধার করেছে কোতয়ালী থানা পুলিশ। রবিবার দিবাগত রাত ১১টার দিকে ফারুক হোসেন ও সানজিদা বেগম নামের এই দুইজনের লাশ উদ্ধার করা হয়। ফারুক হোসেন ফরিদপুর সোনালী ব্যাংকের অডিট অফিসার এবং সাজিয়া বেগম ফরিদপুরের সরকারী সারদা সুন্দরী মহিলা কলেজের গাহস্থ্য অর্থনীতি বিভাগের সহকারী অধ্যাপিকা। দুইজনের লাশ উদ্ধার করা হয় ফারুক হোসেনের রুম থেকে।।
বাড়ীর মালিক নজরুল ইসলামের ছেলে ডেবিট জানান, ফারুক হোসেন চারতলা ফ্লাটের নীচতলায় একাই থাকতেন। সাজিয়া বেগম স্বপরিবারে একই ফ্লাটের নীচতলার আরেকটি রুমে থাকতেন। ডেবিট জানায়, সে রাত ১১টার দিকে বাড়ী ফিরে দেখতে পান নীচতলার ফ্লাটের দরজা কিছুটা খোলা। তখন সে ভেতরে উকি দিয়ে দেখতে পান ফারুক হোসেনের লাশ ঝুলে রয়েছে। তাৎক্ষনিক পুলিশকে খবর দেয়া হলে পুলিশ ঘরের ভেতরে গিয়ে সানজিদা বেগমের লাশও উদ্ধার করে। রহস্যময় এই জোড়া খুনের ঘটনায় জনমনে দেখা দিয়েছে নানা প্রশ্ন।
অতিরিক্ত পুলিশ সুপার জামাল পাশা জানান, বাড়ীর মালিক নজরুল ইসলাম লাশ দুটি দেখতে পেয়ে পুলিশকে খবর দিলে ঘটনাস্থল থেকে ফারুক হোসেনের লাশটি ঝুলন্ত অবস্থায় এবং সানজিদা বেগমের লাশটি মেঝেতে রক্তাক্ত অবস্থায় উদ্ধার করা হয়। সানজিদা বেগমের শরীরে ধারালো অস্ত্রের বেশ কিছু আঘাতের চিহৃ রয়েছে। কিভাবে হত্যাকান্ড দুটি সংগঠিত হয়েছে তা খতিয়ে দেখছে পুলিশ। বর্তমানে লাশ দুটি মর্গে রাখা রয়েছে।
