জাহাঙ্গীর আলম, টাঙ্গাইল
এসএসসি পরীক্ষায় পর পর দুইবার গণিত বিষয়ে অকৃতকার্য হওয়ায় সীমা খাতুন (১৮) নামে এক শিক্ষার্থী গলায় ওড়না পেঁচিয়ে ফাঁসিতে ঝুলে আত্মহত্যা করেছে। রোববার (৬ মে) রাতে টাঙ্গাইলের মাওলানা ভাসানী বিজ্ঞান ও প্রযুক্তি বিশ্ববিদ্যালয়ের পাশের এলাকা সন্তোষ মাদারখোলা গ্রামের মুক্তার হোসেনের বাড়িতে এ ঘটনা ঘটে।
জানা যায়, সীমা খাতুন পাবনা জেলার ফরিদপুর উপজেলার সোনাহারা গ্রামের মো. শাহজাহান ও আছিয়া বেগমের মেয়ে। সীমা খাতুন তিন বোন এবং এক ভাইয়ের মধ্যে সবার ছোট। তার ভাই আরজু হোসেন মাওলানা ভাসানী বিজ্ঞান ও প্রযুক্তি বিশ্ববিদ্যালয়ের বায়োটেকনোলজি অ্যান্ড জেনেটিক ইঞ্জিনিয়ারিং বিভাগের ৩য় বর্ষ ২য় সেমিস্টারের শিক্ষার্থী। তারা মাকে নিয়ে মুক্তার হোসেনের বাসায় ভাড়া থাকত। বড় ভাই আরজু ছাত্র-ছাত্রী পড়িয়ে সংসার খরচ এবং বোন ও নিজের পড়াশুনার খরচ চালাত। গত বছর এসএসসি পরীক্ষায় গণিত বিষয়ে সীমা খাতুন অকৃতকার্য হয় এবারও একই বিষয়ে আবার অকৃতকার্য হয়। কয়েকদিন ধরে তাঁদের বাবা অসুস্থ থাকায় মা গ্রামের বাড়িতে অবস্থান করছেন। ঘটনার দিন সন্ধ্যায় বোনকে একা রেখে আরজু ছাত্র পড়াতে যান এবং রাত সাড়ে ৮টার দিকে এসে তাঁর বোনকে মৃত দেখতে পান।
এ বিষয়ে কাগমারী পুলিশ ফাড়ির ইনচার্জ ইন্সপেক্টর আরিফ ফয়সাল বলেন, আমাদের প্রাথমিক তদন্তে বিষয়টি আত্মহত্যা বলে নিশ্চিত হওয়া গেছে।
এসএসসি পরীক্ষায় পর পর দুইবার গণিত বিষয়ে অকৃতকার্য হওয়ায় সীমা খাতুন (১৮) নামে এক শিক্ষার্থী গলায় ওড়না পেঁচিয়ে ফাঁসিতে ঝুলে আত্মহত্যা করেছে। রোববার (৬ মে) রাতে টাঙ্গাইলের মাওলানা ভাসানী বিজ্ঞান ও প্রযুক্তি বিশ্ববিদ্যালয়ের পাশের এলাকা সন্তোষ মাদারখোলা গ্রামের মুক্তার হোসেনের বাড়িতে এ ঘটনা ঘটে।
জানা যায়, সীমা খাতুন পাবনা জেলার ফরিদপুর উপজেলার সোনাহারা গ্রামের মো. শাহজাহান ও আছিয়া বেগমের মেয়ে। সীমা খাতুন তিন বোন এবং এক ভাইয়ের মধ্যে সবার ছোট। তার ভাই আরজু হোসেন মাওলানা ভাসানী বিজ্ঞান ও প্রযুক্তি বিশ্ববিদ্যালয়ের বায়োটেকনোলজি অ্যান্ড জেনেটিক ইঞ্জিনিয়ারিং বিভাগের ৩য় বর্ষ ২য় সেমিস্টারের শিক্ষার্থী। তারা মাকে নিয়ে মুক্তার হোসেনের বাসায় ভাড়া থাকত। বড় ভাই আরজু ছাত্র-ছাত্রী পড়িয়ে সংসার খরচ এবং বোন ও নিজের পড়াশুনার খরচ চালাত। গত বছর এসএসসি পরীক্ষায় গণিত বিষয়ে সীমা খাতুন অকৃতকার্য হয় এবারও একই বিষয়ে আবার অকৃতকার্য হয়। কয়েকদিন ধরে তাঁদের বাবা অসুস্থ থাকায় মা গ্রামের বাড়িতে অবস্থান করছেন। ঘটনার দিন সন্ধ্যায় বোনকে একা রেখে আরজু ছাত্র পড়াতে যান এবং রাত সাড়ে ৮টার দিকে এসে তাঁর বোনকে মৃত দেখতে পান।
এ বিষয়ে কাগমারী পুলিশ ফাড়ির ইনচার্জ ইন্সপেক্টর আরিফ ফয়সাল বলেন, আমাদের প্রাথমিক তদন্তে বিষয়টি আত্মহত্যা বলে নিশ্চিত হওয়া গেছে।
