মেহেরপুরের গাংনীতে গাছে বেঁধে নির্মাণ শ্রমিক ও প্রবাসীর স্ত্রীকে নির্যাতন - সময় সংবাদ | Popular Bangla News Portal

Breaking

Post Top Ad

Responsive Ads Here

সোমবার, মে ০৭, ২০১৮

মেহেরপুরের গাংনীতে গাছে বেঁধে নির্মাণ শ্রমিক ও প্রবাসীর স্ত্রীকে নির্যাতন

                                    পাল্টাপাল্টি মামলা
মেহের আমজাদ,মেহেরপুর
মেহেরপুর জেলার গাংনী উপজেলার সাহারাবাটি ইউনিয়নের কলোনিপাড়ায় অনৈতিক সম্পর্কের অভিযোগ তুলে প্রবাসীর স্ত্রী ও সম্রাট নামের এক নির্মাণ শ্রমিককে গাছে বেঁধে নির্যাতনে অভিযোগ উঠেছে। গত শনিবার দিবাগত মধ্যরাত থেকে গতকাল  রবিবার সকাল পর্যন্ত তাদের গাছে বেধে রাখা হয় বলে খবর পাওয়া গেছে।
সকালে পুলিশ খবর পেযে ঘটনাস্থলে গিয়ে নির্যাতিতদের উদ্ধার করে থানায় নিয়েছে। নির্যাতিত সম্রাট গোপালগঞ্জ জেলার মকসুদপুর গ্রামের মজিবর রহমানের ছেলে। তিনি ওই এলাকার মসজিদ নির্মানের জন্য এলাকায় বসবাস করছিলেন। নির্যাতিত একই এলাকার মালদ্বিপ প্রবাসীর স্ত্রী। অভিযুক্তরা হলেন- একই এলাকার ফয়জুদ্দীনের ছেলে গোলাম মোস্তফা, মনিরুল ইসলাম ও তার দু’ছেলে রুবেল হোসেন ও মিলন হোসেন।
তবে নির্যাতিতা প্রবাসীর স্ত্রী জানান, কিছুদিন যাবৎ এলাকার কালু নামের একজন তাকে কুপ্রস্তাব দিয়ে আসছিলো। তার সেই প্রস্তাবে সাড়া না দেওয়ায় রাতের আধারে এক (নির্মাণ শ্রমিককে) রাজমিস্ত্রিকে আমার ঘরে তুলে দেয়। এর পরপরেই ফয়জুদ্দীনের ছেলে গোলাম মোস্তফা, মনিরুল ইসলাম ও তার দুজন ছেলে রুবেল হোসেন ও মিলন আমাদের দুজনকে গাছের সাথে বেধে বেধড়ক মারধর করে।
নির্মাণ শ্রমিক স¤্রাট জানান, গত কয়েক মাস যাবৎ কলোনীপাড়ার একটি মসজিদ নির্মানের কাজে নিয়োজিত ছিলেন তিনি। ঘটনার রাতে আনারুল ইসলামের ছেলে কালু, মসলেমের ছেলে গোলাম হোসেন ও তাসের আলীর ছেলে জাব্বারুল ইসলাম তাকে ভয় দেখিয়ে জোর করে জানালা দিয়ে প্রবাসীর স্ত্রীর ঘরে ঢুকিয়ে দেয়। পরে গ্রামের লোকজনকে ডেকে নিয়ে তাদের দুজনকে গাছের সাথে বেঁধে মারধর শুরু করে।
সাহারবাটি ইউনিয়নের ৯ নম্বর ওয়ার্ড সদস্য তহসিন আলী জানান, আসলে এ ঘটনার সাথে কারা জড়িত। তা স্পষ্ট নয়। তবে তারা অনৈতিক সম্পর্ক করেছে কিনা সেইটা না জেনে এভাবে গাছের সঙ্গে বেঁধে তাদের নির্যাতন করা ঠিক হয়নি।
এদিকে অভিযুক্তদের মধ্যে জাব্বারুলের মোবাইল ফোনে ফোন করা হলে মোবাইল বন্ধ থাকায় কথা বলা সম্ভব হয়নি।
গাংনী থানার ভারপ্রাপ্ত কর্মকর্তা (ওসি) হরেন্দ্র নাথ সরকার বলেন, পাল্টাপাল্টি অভিযোগের ভিত্তিতে উভয় পক্ষের মামলায় গ্রহণ করা হয়েছে। পুলিশের হেফাজতে থাকা নির্মাণ শ্রমিক ও প্রবাসির স্ত্রীকে আদালতের মাধ্যমে কারাগারে পাঠানো হয়েছে। নির্যাতনকারীদের আটকের চেষ্টা চলছে।

Post Top Ad

Responsive Ads Here