যেহেতু সুমি সাবালিকা সেহেতু তাকে তার নিজ জিম্মায় থাকার আদেশ দিয়েছেন আদালত সাবালিকা রায়হানা সুলতানা সুমিকে । গতকাল সোমবার মেহেরপুর সিনিয়র জুডিশিয়াল ম্যাজিস্ট্রেট আদালতের বিচারক মোঃ শাহীন রেজা ওই আদেশ দেন। মেহেরপুর শহরের পন্ডের ঘাট পাড়ার জিনারুল ইসলামের মেয়ে রায়হানা সুলতানার সাথে শহরের ফৌজদারী পাড়ার হামজার আলীর ছেলে সজিব ওরফে জনির সাথে দীর্ঘ প্রায় ৫ বছর যাবৎ প্রেমের সম্পর্ক থাকা অবস্থায় সুমির পিতা সুমির ইচ্ছার বিরুদ্ধে গত বছর নভেম্বর মাসে মেহেরপুর সদর উপজেলার টুঙ্গিগোপাল গ্রামের মোসারফ হোসেনের ছেলে মনিরুল ইসলামের সাথে বিয়ে দেন। এদিকে সুমি গত ১০ মে তার স্বামী মনিরুলকে তালাক দিয়ে বাড়ি চলে আসে। এ ঘটনায় সুমির পিতা সুমিকে বকাবকি করলে গত ১৬ মে বাড়ি থেকে চলে আসে এবং ২০ মে তার পূর্বে প্রেমিকের বাড়িতে অবস্থান করে। বিষয়টি পারিবারিকভাবে মিমাংসার চেষ্টা চালিয়ে ব্যর্থ হওয়ায় সুমির পিতা মেহেরপুর সদর থানায় আবেদন করে। সে প্রেক্ষিতে পুলিশ সুমিকে উদ্ধার করে গতকাল সোমবার আদালতে প্রেরণ করলে আদালত সুমিকে নিজ হেফাজতে থাকার নির্দেশ দেন।
মেহের আমজাদ,মেহেরপুর
যেহেতু সুমি সাবালিকা সেহেতু তাকে তার নিজ জিম্মায় থাকার আদেশ দিয়েছেন আদালত সাবালিকা রায়হানা সুলতানা সুমিকে । গতকাল সোমবার মেহেরপুর সিনিয়র জুডিশিয়াল ম্যাজিস্ট্রেট আদালতের বিচারক মোঃ শাহীন রেজা ওই আদেশ দেন। মেহেরপুর শহরের পন্ডের ঘাট পাড়ার জিনারুল ইসলামের মেয়ে রায়হানা সুলতানার সাথে শহরের ফৌজদারী পাড়ার হামজার আলীর ছেলে সজিব ওরফে জনির সাথে দীর্ঘ প্রায় ৫ বছর যাবৎ প্রেমের সম্পর্ক থাকা অবস্থায় সুমির পিতা সুমির ইচ্ছার বিরুদ্ধে গত বছর নভেম্বর মাসে মেহেরপুর সদর উপজেলার টুঙ্গিগোপাল গ্রামের মোসারফ হোসেনের ছেলে মনিরুল ইসলামের সাথে বিয়ে দেন। এদিকে সুমি গত ১০ মে তার স্বামী মনিরুলকে তালাক দিয়ে বাড়ি চলে আসে। এ ঘটনায় সুমির পিতা সুমিকে বকাবকি করলে গত ১৬ মে বাড়ি থেকে চলে আসে এবং ২০ মে তার পূর্বে প্রেমিকের বাড়িতে অবস্থান করে। বিষয়টি পারিবারিকভাবে মিমাংসার চেষ্টা চালিয়ে ব্যর্থ হওয়ায় সুমির পিতা মেহেরপুর সদর থানায় আবেদন করে। সে প্রেক্ষিতে পুলিশ সুমিকে উদ্ধার করে গতকাল সোমবার আদালতে প্রেরণ করলে আদালত সুমিকে নিজ হেফাজতে থাকার নির্দেশ দেন।
যেহেতু সুমি সাবালিকা সেহেতু তাকে তার নিজ জিম্মায় থাকার আদেশ দিয়েছেন আদালত সাবালিকা রায়হানা সুলতানা সুমিকে । গতকাল সোমবার মেহেরপুর সিনিয়র জুডিশিয়াল ম্যাজিস্ট্রেট আদালতের বিচারক মোঃ শাহীন রেজা ওই আদেশ দেন। মেহেরপুর শহরের পন্ডের ঘাট পাড়ার জিনারুল ইসলামের মেয়ে রায়হানা সুলতানার সাথে শহরের ফৌজদারী পাড়ার হামজার আলীর ছেলে সজিব ওরফে জনির সাথে দীর্ঘ প্রায় ৫ বছর যাবৎ প্রেমের সম্পর্ক থাকা অবস্থায় সুমির পিতা সুমির ইচ্ছার বিরুদ্ধে গত বছর নভেম্বর মাসে মেহেরপুর সদর উপজেলার টুঙ্গিগোপাল গ্রামের মোসারফ হোসেনের ছেলে মনিরুল ইসলামের সাথে বিয়ে দেন। এদিকে সুমি গত ১০ মে তার স্বামী মনিরুলকে তালাক দিয়ে বাড়ি চলে আসে। এ ঘটনায় সুমির পিতা সুমিকে বকাবকি করলে গত ১৬ মে বাড়ি থেকে চলে আসে এবং ২০ মে তার পূর্বে প্রেমিকের বাড়িতে অবস্থান করে। বিষয়টি পারিবারিকভাবে মিমাংসার চেষ্টা চালিয়ে ব্যর্থ হওয়ায় সুমির পিতা মেহেরপুর সদর থানায় আবেদন করে। সে প্রেক্ষিতে পুলিশ সুমিকে উদ্ধার করে গতকাল সোমবার আদালতে প্রেরণ করলে আদালত সুমিকে নিজ হেফাজতে থাকার নির্দেশ দেন।

