জাহাঙ্গীর আলম, টাঙ্গাইল
গত ২০ মে বিভিন্ন পত্রিকা ও জনপ্রীয় অনলাইন “সময় সংবাদ” এ গোপালপুরের ঝাওয়াইল বেইলি ব্রিজটি এখন মানুষ মারার মরণ ফাঁদ’ শিরোনামে একটি প্রতিবেদন প্রকাশিত হয়। বিষয়টি ঊর্ধ্বতন কর্তৃপক্ষর নজরে আসে। মঙ্গলবার (২২ মে) রাত থেকে ব্রিজটি মেরামতের কাজ শুরু হয়েছে। এতে ঝাওয়াইল এলাকার লোকজনের মধ্যে আনন্দের বন্যা বয়ে যায়। কয়েকদিন পর ব্রিজের সবগুলো পাটাতন পরিবর্তন করে নতুন পাটাতন লাগানো হবে বলে জানা গেছে।
টাংগাইলের গোপালপুর উপজেলার ঝাওয়াইল-গোপালপুর প্রধান সড়কের ঝাওয়াইল বেইলি ব্রিজের যান চলাচল সম্পূর্ণ ঝুঁকির মুখে পড়লে ‘সাবধান ঝুঁকি পূর্ণ সেতু, ভারী যানবাহন চলাচল নিষেধ’ এমন লেখার একটি সাইনবোর্ড ঝুলিয়ে দেয় সড়ক ও জনপদ কর্তৃপক্ষ। দীর্ঘ দিন ধরেই ব্রিজটির পাটাতনের নানান জায়গায় মরিচা ধরে ভেঙ্গে গেছে এবং ভাঙ্গা স্থানে প্রায়ই বাস, ভ্যান, রিক্সা, সিএনজি, অটোর চাকা আঁটকে গিয়ে দুর্ভোগ পোহাতে হতো। যানবাহনের পাশাপাশি পথচারীরাও সবসময় থাকত আতংকে। এমতবস্থায় পত্রিকায় প্রতিবেদটি প্রকাশের পর টনক নড়ে কর্তৃপক্ষের। তারা দ্রুত ব্রিজটি মেরামতের উদ্যোগ গ্রহণ করে। ফলশ্রুতিতে গতকাল মঙ্গলবার রাত থেকেই শুরু হয়ে গেছে ব্রিজ মেরামতের কাজ।
এই বিষয়ে এলাকাবাসীর জানান, ব্রিজটির মেরামতের কাজ শুরু করাতে আমরা খুবই খুশি। এলাকাবাসী সরকার, সড়ক ও জনপদ কর্তৃপক্ষ ও সংবাদ পরিবেশনের প্রতিবেদকে সাধুবাদ জানায়।
সড়ক ও জনপথের ইঞ্জিনিয়ারের জানান, ‘আপাতত চার পাঁচ দিনের জন্য সংস্কার করা হচ্ছে। এর পর পর্যায়ক্রমে ব্রিজের ৫০ থেকে ৬০টি (প্রায় সবগুলো) পাটাতন খুলে নতুন পাটাতন লাগানো হবে। কয়েকদিন ব্রিজে যানবাহন চলাচল বন্ধ রাখা হবে।
গত ২০ মে বিভিন্ন পত্রিকা ও জনপ্রীয় অনলাইন “সময় সংবাদ” এ গোপালপুরের ঝাওয়াইল বেইলি ব্রিজটি এখন মানুষ মারার মরণ ফাঁদ’ শিরোনামে একটি প্রতিবেদন প্রকাশিত হয়। বিষয়টি ঊর্ধ্বতন কর্তৃপক্ষর নজরে আসে। মঙ্গলবার (২২ মে) রাত থেকে ব্রিজটি মেরামতের কাজ শুরু হয়েছে। এতে ঝাওয়াইল এলাকার লোকজনের মধ্যে আনন্দের বন্যা বয়ে যায়। কয়েকদিন পর ব্রিজের সবগুলো পাটাতন পরিবর্তন করে নতুন পাটাতন লাগানো হবে বলে জানা গেছে।
টাংগাইলের গোপালপুর উপজেলার ঝাওয়াইল-গোপালপুর প্রধান সড়কের ঝাওয়াইল বেইলি ব্রিজের যান চলাচল সম্পূর্ণ ঝুঁকির মুখে পড়লে ‘সাবধান ঝুঁকি পূর্ণ সেতু, ভারী যানবাহন চলাচল নিষেধ’ এমন লেখার একটি সাইনবোর্ড ঝুলিয়ে দেয় সড়ক ও জনপদ কর্তৃপক্ষ। দীর্ঘ দিন ধরেই ব্রিজটির পাটাতনের নানান জায়গায় মরিচা ধরে ভেঙ্গে গেছে এবং ভাঙ্গা স্থানে প্রায়ই বাস, ভ্যান, রিক্সা, সিএনজি, অটোর চাকা আঁটকে গিয়ে দুর্ভোগ পোহাতে হতো। যানবাহনের পাশাপাশি পথচারীরাও সবসময় থাকত আতংকে। এমতবস্থায় পত্রিকায় প্রতিবেদটি প্রকাশের পর টনক নড়ে কর্তৃপক্ষের। তারা দ্রুত ব্রিজটি মেরামতের উদ্যোগ গ্রহণ করে। ফলশ্রুতিতে গতকাল মঙ্গলবার রাত থেকেই শুরু হয়ে গেছে ব্রিজ মেরামতের কাজ।
এই বিষয়ে এলাকাবাসীর জানান, ব্রিজটির মেরামতের কাজ শুরু করাতে আমরা খুবই খুশি। এলাকাবাসী সরকার, সড়ক ও জনপদ কর্তৃপক্ষ ও সংবাদ পরিবেশনের প্রতিবেদকে সাধুবাদ জানায়।
সড়ক ও জনপথের ইঞ্জিনিয়ারের জানান, ‘আপাতত চার পাঁচ দিনের জন্য সংস্কার করা হচ্ছে। এর পর পর্যায়ক্রমে ব্রিজের ৫০ থেকে ৬০টি (প্রায় সবগুলো) পাটাতন খুলে নতুন পাটাতন লাগানো হবে। কয়েকদিন ব্রিজে যানবাহন চলাচল বন্ধ রাখা হবে।

