হারুন অর রশিদ ,দোয়ারাবাজার প্রতিনিধিঃসুনামগঞ্জের দোয়ারাবাজার উপজেলার লক্ষীপুর ইউনিয়নের মাঠ গাঁও সরকারি প্রাথমিক বিদ্যালযের় প্রধান শিক্ষিকা শ্যামলী আক্তার এর বিরুদ্ধে নানা অনিয়ম সহ জাতির জনক বঙ্গবন্ধু শেখ মুজিবুর রহমানের ছবি অবমূল্যায়নের তথ্য পাওয়া গেছে।
এদিকে তিনি স্কুল উন্নয়নও স্লিপ বরাদ্ধের ৪৫ হাজার টাকার কাজ না করে আত্মসাৎ করেছে। স্কুল ফাঁকি সময় মত স্কুলে না আসার একাধিক তথ্য পাওয়া গেছে, তিনিও সহকারী শিক্ষিকারা প্রতি দিন বেলা ১১ টায় স্কুলে আসে আবার বিকাল ৩ টায় স্কুল থেকে চলে যায়। জানা যায় তিনি ১৫ বছর ধরে মাঠ গাঁও সরকারি প্রাথমিক বিদ্যালয়ের প্রধান শিক্ষিকার দায়িত্ব পালন করে আসছে। বিদ্যালয়টি উপজেলা সদর থেকে ১০/১৫ কিলোমিটার দূরে ভারতের সীমান্তবর্তী হওয়ায়, শিক্ষা অফিসের চোখের আড়ালে তিনি মনগড়া রাম রাজত্ব কায়েম করে আসছে। এদিকে সরেজমিনে স্কুলে গিয়ে দেখা যায়, বঙ্গবন্ধুর ছবিকে অবমূল্যায়নে রাখার বাস্তব চিত্র। প্রধান শিক্ষিকা তার বাসার ফ্রিজ মাঠ গাঁও সরকারি প্রাথমিক বিদ্যালয়ের অফিস কক্ষে কুরবানির মাংস ভর্তি করে রেখেছে। স্কুলের স্যানিটেশন ব্যবস্থা নাজুক। ছাত্র ছাত্রীরা ব্যাবহার অনুপযোগি। স্কুল উন্নয়ন বরাদ্ধ স্লিপের টাকার কাজের কোন চিত্র দেখা যায়নি। তিনি বিদ্যালয়টিকে নিজ বাসগৃহ মনে করে চলছে।
এব্যপারে স্থানীয় ইউপি সদস্য মোহাম্মদ আলী বলেন, যেখানে বঙ্গবন্ধুর ছবি অবমুল্যায়ন করে রেখেছে প্রধান শিক্ষিকা ম্যামলী আক্তার আমি তার বিছার চাই, শুধু তাই নয় উনি বাসার পারর্সোনাল ফ্রিজ স্কুলে রাখাও আইন বিরোধী, তিনি স্কুলের উন্নয়ন বরাদ্ধের টাকাও সঠিক ভাবে খরচ করেনি।
মাঠ গাঁও সরকারি প্রাথমিক বিদ্যালয়ের প্রধান শিক্ষিকা শ্যামলী আক্তার বলেন, বঙ্গবন্ধুর ছবি স্কুলে টাঙানো থাকলেই হয়।আর আমার বাসার ফ্রিজটি কতৃপক্ষকে জানিয়ে রাখছি। স্কুল উন্নয়ন প্রকল্প স্লিপের টাকা প্রসঙ্গে বলেন স্লিপের টাকার কাজ আমি করেছি।
উপজেলা সহকারী শিক্ষা অফিসার আবু রায়হান বলেন, বিষয় টি আমি জানিনা তবে সত্যতা পাওয়া গেলে ব্যাবস্তা নেব।

