রফিকুল ইসলাম, কুড়িগ্রাম প্রতিনিধি-কুড়িগ্রামের রৌমারী, রাজিবপুর ও নাগেশ্বরীসহ ৯টি উপজেলার স্থানীয় এবং সাতক্ষিরা, খুলনা থেকে আগত মৌসুমি মধু ব্যবসায়ী শিক্ষিত বেকার যুবকরা সরিষা ক্ষেতে মধু চাষ করে কর্মসংস্থানের পাশাপাশি সাবলম্বী হয়ে উঠেছে। মধু ব্যবসা করে আয় করছে লাখ লাখ টাকা। কৃষি বিভাগ বলছে এতে শুধু মধু চাষী নয় বাড়বে সরিষার ফলন।
কুড়িগ্রাম জেলার দৃষ্টির সীমানা জুড়ে শুধুই হলুদে ভরা সরিষার মাঠ আর এরই মাঝে মধু সংগ্রহে ব্যস্ত মৌমাছিরা। ৯টি উপজেলার অধিকাংশ ক্ষেতে দেখা মিলবে এমন দৃশের মৌমাছিঁর সাড়ি সাড়ি কাঠের বাক্স। এতে আহরিত মধু এনে জমা করছে মৌমাছিরা। তবে এ কাজে ব্যস্ত স্থানীয় ও আগত মধু চাষিরা।
আগত মৌসুমি মধু ব্যবসায়ীরা জানান বছরে নভেম্বর থেকে এপ্রিল মাস পর্যন্ত মধু উৎপাদন করি। প্রতিটি বাক্স থেকে প্রতি সপ্তাহে ৩ থেকে ৪ কেজি মধু সংগ্রহ হয়। আর এ মধু স্থানীয় ভাবে বিক্রি হয় প্রতি কেজি ৪০০ থেকে ৫০০ টাকা। এতে ছয় মাসে একজন মধু ব্যবসায়ীর আয় আসে ২ থেকে ৩ লাখ টাকা।স্থানীয়রা জানান আগত মৌসুমি মধু ব্যবসায়ীদের সরিষা ক্ষেতে মধু চাষে আমরা উদ্বুদ্ধ হয়ে সহযোগিতা করে আসছি।
তবে জেলা কৃষি বিভাগের উপ-পরিচালক ড. মোঃ মোস্তাফিজুর রহমান প্রধান জানান ফসলে এ পদ্ধতির ক্ষেতে মধুর পাশাপাশি সরিষার উৎপাদন বৃদ্ধি পায়। কুড়িগ্রামের রৌমারীতে ১৬ গ্রæপে ২৮০০ বক্স, রাজিবপুরে ২ গ্রæপে ২৪০ বক্স, নাগেশ্বরীতে ২ গ্রæপে ২৫ বক্স ও অন্যন্য উপজেলায় ১০০ বক্স মধু উৎপাদন হয়েছে সাড়ে ৫ মেঃটন।

