সময় সংবাদ ডেস্ক//
নওগাঁর সাপাহারে এক ধর্ষক হাতেনাতে ধরে পিটিয়ে মাথা তার ফাটিয়ে দিয়েছেন জনতা।শনিবার সন্ধ্যা ৭টার দিকে উপজেলার সহদল পাড়া ও ওমইল বাজার এলাকার মাঝামাঝি একটি আমবাগানে এ ঘটনা ঘটে।
উপজেলার সহদল পাড়ার এক মেয়ে স্থানীয় একটি মাদরাসায় নবম শ্রেণিতে পড়ত। সে সূত্রে মেয়েটি প্রতিদিনের মতো সে দিনও বিকেলে ওই মাদরাসার এক শিক্ষকের কাছে প্রাইভেট পড়তে মাদরাসায় আসে। ঘটনাক্রমে প্রাইভেট শিক্ষক সে দিন না আসায় শিক্ষকের অপেক্ষায় সময় কাটিয়ে মেয়েটি সন্ধ্যে সাড়ে ৬টার দিকে সহদলপাড়া তার বাড়ির উদ্দেশে মাঠের ভেতর দিয়ে রওনা হয়।
মেয়েটি মাদরাসা থেকে তার গ্রামের অদূরে একটি আমবাগানের কাছে পৌঁছামাত্র আগে থেকে ওই বাগানে ওৎ পেতে বসে থাকা একই গ্রামের তছলিম উদ্দীনের ছেলে মোর্শেদ আলী তার পথ রোধ করে। এর পর মোর্শেদ মেয়েটিকে বাগানের ভেতর নিয়ে ধর্ষণ করে।
এ সময় ধর্ষকের কবল থেকে রক্ষা পাওয়ার জন্য মেয়েটি চিৎকার করলে মেয়েটিকে এগিয়ে নিতে আসা তার মা ও তার সঙ্গের লোকজন চিৎকার শুনে তারাও চিৎকার শুরু করেন। এ সময় গ্রামের ভেতর থেকে লোকজন ছুটে এসে সমস্ত বাগান ঘেরাও করে ধর্ষক মোর্শেদ আলীকে হাতেনাতে ধরে ফেলে এবং পিটুনি দিতে থাকেন। মারপিটের একপর্যায়ে ধর্ষকের মাথা ফেটে রক্ত বের হলে স্থানীয় লোকজন তাকে তাৎক্ষণিক সাপাহার উপজেলা স্বাস্থ্য কমপ্লেক্সে ভর্তি করেন।
মেয়েটির বাবা ঘটনার বিবরণ শুনে রাতেই সাপাহার থানায় একটি অভিযোগ দাখিল করেন। পুলিশ তার অভিযোগের ভিত্তিতে রাতেই ধর্ষণ মামলা দায়ের করে হাসপাতালে ধর্ষক মোর্শেদকে আটক করেন। বর্তমানে ধর্ষক মোর্শেদ পুলিশ পাহারায় সাপাহার হাসপাতালে চিকিৎসাধীন।

