মেহের আমজাদ,মেহেরপুর:
হেফাজত-জামায়াত-বিএনপি এরা এক এবং অভিন্ন,হেফাজত জামায়াত-বিএনপি’র বিটিম। এরা স্বাধীনতাবিরোধী শক্তি। এসব স্বাধীনতা বিরোধীদের বিষ দাঁত উপড়ে ফেলা হবে। গতকাল শনিবার (১৭ এপ্রিল) বেলা ১১টার দিকে মুজিবনগরে ঐতিহাসিক মুজিবনগর দিবসে এক প্রেস বিফ্রিংএ বাংলাদেশ আওয়ামীলীগের যুগ্ম সম্পাদক মাহাবুবুল আলম হানিফ এমপি এসব কথা বলেন। তিনি বলেন, স্বাধীনতার ৫০ বছরের মাথায় দাঁড়িয়েও স্বাধীনতা বিরোধি শক্তির আস্ফালন দেখছি। বিভিন্ন সময় বিভিন্ন নামে ধর্মকে ব্যবহার করে দেশকে অস্থিতিশিল করার চেষ্টা করছে তারা। যারা স্বাধীনতা যুদ্ধে বিরোধিতা করেছিল, যারা বাংলাদেশের সংবিধান মানতে চাইনা, যারা এখনো জাতীয় পতাকাকে সম্মান করতে চাইনা তারা স্বাধীন বাংলাদেশের নাগরিক হিসেবে থাকার অধিকার রাখে না। হেফাজত বলেন আর জামায়াত বলেন এরা সবই স্বাধীনতা বিরোধী। স্বাধীনতা বিরোধীদের বীজ অনেক গভীরে চলে গেছে। এ জন্য স্বাধীনতার ৫০ বছরে এসেও তাদের আস্ফালন দেখতে হচ্ছে। স্বাধীনতার সুবর্নজয়ন্তিতে এসে জননেত্রী শেখ হাসিনার নেতৃত্বে যখন দেশ উন্নয়নের পথে অগ্রসর হচ্ছে। ঠিক সেই সময় উন্নয়নকে বাধাগ্রস্থ করার জন্য একাত্তরের পরাজিত শক্তিরা বিভিন্ন ষড়যন্ত্রে লিপ্ত হয়েছে। আইনি প্রক্রিয়ার মাধ্যমে তাদের বিষ দাঁত উপড়ে ফেলে দিয়ে শেখ হাসিনার নেতৃত্বে দেশকে আরও এগিয়ে নিয়ে যাবো। এসময় তিনি আরও বলেন, ১৭ এপ্রিল ঐতিহাসিক মুজিবনগর দিবস বাঙ্গালী জাতির কাছে একটি স্মরণীয় দিন। ১৯৭১ সালের ১০ এপ্রিল বঙ্গবন্ধু শেখ মুজিবুর রহমানকে রাষ্ট্রপতি করে সরকার গঠনের পর ১৭ এপ্রিল আনুষ্ঠানিকভাবে এই মুজিবনগরে সেই সরকার শপথ গ্রহন করেন। সেই সরকারের বলিষ্ঠ নেতৃত্বে মাত্র ৯ মাসে আমরা স্বাধীন বাংলাদেশ লাভ করি। এর আগে এ দিন সকাল ৬টায় জাতীয় পতাকা উত্তোলনের মধ্য দিয়ে মুজিবনগর দিবসের আনুষ্ঠানিকতা শুরু হয়। পরে সকাল সাড়ে দশটার দিকে বাংলাদেশ আওয়ামীলীগের যুগ্ম সম্পাদক মাহাবুবুল আলম হানিফ এর নেতৃত্বে স্মৃতিসৌধে পুস্পমাল্য অর্পণ, জাতীয় ও দলীয় পতাকা উত্তোলন করা হয়। এ সময় বিউগল এর সুরে বাংলাদেশ পুলিশ ও আনসার ব্যাটেলিয়ন এর একটি চৌকশ দল অতিথিদের গার্ড অব অনার প্রদান করে। এর পরে বাংলাদেশ আওয়ামী লীগের যুগ্ম সাধারণ সম্পাদক মাহবুব-উল আলম হানিফ,সাংগঠনিক সম্পাদক আবু সাঈদ আল মাহমুদ স্বপন, জনপ্রশাসন প্রতিমন্ত্রী ফরহাদ হোসেন এমপি,মেহেরপুর-২গাংনী আসনের সংসদ সদস্য মোহাম্মদ সাহিদুজ্জামান খোকন, সাবেক সংসদ সদস্য মকবুল হোসেন,মেহেরপুর জেলা আওয়ামীলীগের সাধারণ সম্পাদক এম.এ খালেক, মেহেরপুর জেলা প্রশাসক ড. মোহাম্মদ মনসুর আলম খান, পুলিশ সুপার এস এম মুরাদ আলি, মেহেরপুর পৌর মেয়র মাহফুজুর রহমান রিটন,সদর উপজেলা পরিষদের চেয়ারম্যান অ্যাডঃ ইয়ারুল ইসলাম প্রমুখ স্মৃতিসৌধে পুষ্পমাল্য অর্পণ করেন।

