লকডাউন নিয়ে যা জানা - সময় সংবাদ | Popular Bangla News Portal

Breaking

Post Top Ad

Responsive Ads Here

শনিবার, আগস্ট ২১, ২০২১

লকডাউন নিয়ে যা জানা


 




নিজস্ব প্রতিবেদকঃ



করোনাভাইরাসের ভয়াবহ প্রকোপ কমাতে ১০ আগস্ট পর্যন্ত বিধিনিষেধ কার্যকর ছিল। ১১ আগস্টের পর ধীরে ধীরে সবকিছুই খোলা হয়, তবে তা সীমিত পরিসরে। জানা গেছে, সংক্রমণের হার সন্তোষজনক পর্যায়ে না এলেও টিকার প্রতি গুরুত্ব দেওয়া হচ্ছে। এই কারণে কঠোর লকডাউনের পথে আর হাঁটতে চায় না সরকার।

স্বাস্থ্য অধিদপ্তরের তথ্য অনুযায়ী, গত আট দিন ধরে করোনায় মৃত্যুর সংখ্যা দুইশ’র নিচে। সর্বশেষ শুক্রবার পর্যন্ত ২৪ ঘণ্টায় করোনায় আক্রান্ত হয়ে সারা দেশে মৃত্যু হয় ১৪৫ জনের। এর আগে বৃহস্পতিবার ১৫৯, বুধবার ১৭২, মঙ্গলবার ১৯৮, সোমবার ১৭৪, রোববার ১৮৭, শনিবার ১৭৮ জনের মৃত্যু হয়।


মন্ত্রিপরিষদ সচিব খন্দকার আনোয়ারুল ইসলাম বলেছেন, চিকিৎসা বিশেষজ্ঞদের সঙ্গে আলোচনা করেই বিধিনিষেধ শিথিল করার সিদ্ধান্ত নেওয়া হয়েছে। আমরা যখন বিধিনিষেধ শিথিলের সিদ্ধান্ত নেই, তখন সেই বৈঠকে স্বাস্থ্য মন্ত্রণালয়ের কর্মকর্তারা উপস্থিত ছিলেন। কয়েকজন বিশেষজ্ঞও সেই বৈঠকে উপস্থিত ছিলেন। সবকিছু বিবেচনা করেই বিধিনিষেধ শিথিলের সিদ্ধান্ত নেয়া হয়েছে।


সূত্রে জানা গেছে, বর্তমানে সংক্রমণ ও মৃত্যুর হার কিছুটা কমেছে। পরিস্থিতি মারাত্মক পর্যায়ে না গেলে আর বিধিনিষেধ দেওয়া হবে না। কোভ্যাক্সসহ বিভিন্ন উৎস থেকে করোনার ২১ কোটি ডোজ টিকা পাওয়ার প্রতিশ্রুতিও পাওয়া গেছে। এরই মধ্যে দুই কোটিরও বেশি ডোজ দেওয়া হয়েছে। এভাবে টিকা দেওয়া সম্ভব হলে সংক্রমণের ঝুঁকি কমে যাবে। তখন বিধিনিষেধ দেওয়ার প্রয়োজন হবে না।


স্বাস্থ্য অধিদপ্তরের মতে, দেশে এখন পর্যন্ত করোনার টিকা এসেছে তিন কোটি নয় লাখ ৪৩ হাজার ৭২০ ডোজ। এর মধ্যে দুই কোটি ২৪ লাখ ১৩ হাজার ৭৯ ডোজ টিকা দেওয়া হয়েছে। টিকা নেওয়াদের মধ্যে প্রথম ডোজ পেয়েছেন এক কোটি ৬১ লাখ ৫৮ হাজার ৬৭৭ জন। আর দ্বিতীয় ডোজ পেয়েছেন ৬২ লাখ ৫৪ হাজার ৪০২ জন।


করোনাভাইরাসের সংক্রমণ রোধে গত ১ জুলাই থেকে কঠোর বিধিনিষেধ জারি করে সরকার। রফতানিমুখী শিল্প কারখানা বাদে সবকিছু বন্ধ ঘোষণা করা হয়। কিন্তু ঈদকে কেন্দ্র করে মানুষের জীবন-জীবিকার কথা ভেবে ১৫ জুলাই থেকে ২৩ জুলাই পর্যন্ত বিধিনিষেধ শিথিল করে দেওয়া হয়। পরে আবার দুই সপ্তাহের জন্য শিল্প কারখানা থেকে শুরু করে সবকিছু বন্ধ ঘোষণা দিয়ে বিধিনিষেধ আরোপ করা হয়। কিন্তু তাতেও করোনাভাইরাসের সংক্রমণের লাগাম টেনে ধরা যায়নি। পরে শিল্প কারখানা মালিকদের অনুরোধে ১ আগস্ট গার্মেন্টস খুলে দেওয়া হয়। এরপর আন্তঃমন্ত্রণালয় বৈঠক করে ১০ আগস্ট পর্যন্ত বিধিনিষেধ বাড়িয়ে ১১ আগস্ট থেকে সবকিছু খুলে দেওয়ার সিদ্ধান্ত জানানো হয়।


নীতিনির্ধারকরা জানিয়েছেন, টিকা দেওয়ার কার্যক্রম চলতে থাকলে সংক্রমণের ঝুঁকি অনেকাংশেই কমে যাবে। এছাড়া মানুষকে স্বাস্থ্যবিধি মানানোতে গুরুত্ব দিচ্ছে সরকার।

Post Top Ad

Responsive Ads Here