সময় সংবাদ ডেস্কঃ
দেশে প্রথমবারের মতো নিজস্ব ব্যবস্থাপনায় অত্যাধুনিক ড্রিমলাইনার বিমানের সি-চেক কার্যক্রম শুরু করেছে বিমান বাংলাদেশ এয়ারলাইন্স।
মঙ্গলবার বোয়িং ৭৮৭-৮ ড্রিমলাইনার ‘আকাশবীণা’র মাধ্যমে সি-চেক কার্যক্রম শুরু হয়।
বিমান বাংলাদেশ এয়ারলাইন্সের উপ-মহাব্যবস্থাপক (জনসংযোগ) তাহেরা খন্দকার ডেইলি বাংলাদেশকে এ তথ্য জানান।
তিনি আরো জানান, বিমানের সি-চেক একটি দীর্ঘমেয়াদি, জটিল এবং উচ্চ কারিগরি দক্ষতা সম্পন্ন চেক যাতে উড়োজাহাজের বিভিন্ন অবকাঠামো উন্মোচনের মাধ্যমে বিশদভাবে নিরীক্ষান্তে উড়োজাহাজকে নভোযোগ্য (airworthy) করা হয়।
তাহেরা খন্দকার জানান, বোয়িং-৭৮৭ মডেলের ড্রিমলাইনারের সি-চেক প্রতি তিন বছর পরপর করতে হয়। বিশ্বের খুব স্বল্প সংখ্যক এয়ারলাইন্সেরই বোয়িং-৭৮৭ এর মতো অত্যাধুনিক উড়োজাহাজের সি-চেক করার সক্ষমতা রয়েছে। এটি বিমান ইঞ্জিনিয়ারিং অ্যান্ড মেটেরিয়াল ম্যানেজমেন্ট পরিদফতরের সক্ষমতা অর্জনের ক্ষেত্রে একটি মাইলফলক।
তিনি আরো জানান, এখন পর্যন্ত যেকোনো ধরনের নতুন উড়োজাহাজের ক্ষেত্রে প্রথম সি-চেক বিদেশি এমআরও (Maintenance, Repair & Overhaul Organization)-এর মাধ্যমে সম্পন্ন হয়। আগে বিদেশি সংস্থা দিয়ে সি-চেক সম্পন্ন করতে বিপুল বৈদেশিক মুদ্রা ব্যয় হতো। এখন থেকে সি-চেক সফলভাবে দেশে সম্পন্ন হলে উড়োজাহাজ প্রতি আনুমানিক ৬ লাখ মার্কিন ডলার সাশ্রয় হবে।

