S.S.DESK
৪৭ বছর আগের সেই কালরাতকে আলো নিভিয়ে স্মরণ করলো জাতি। ১৯৭১ সালের এই রাতে পাকিস্তানি হানাদার বাহিনীর গণহত্যার স্মরণে এই প্রতিবাদী কর্মসূচি পালন করে বাঙালি জাতি। এই রাতে নিরস্ত্র ও ঘুমন্ত বাঙালির ওপর অস্ত্র নিয়ে ঝাঁপিয়ে পড়েছিল পাকিস্তানি বাহিনী। ‘অপারেশন সার্চলাইট’ নামের সেই অভিযানে কালরাতের প্রথম প্রহরে ঢাকায় চালানো হয় গণহত্যা। হানাদার বাহিনী মেতে ওঠে ইতিহাসের নৃশংসতম গণহত্যায়, যা কালরাত হিসেবে পরিচিত।
৪৭ বছর আগের সেই কালরাতকে আলো নিভিয়ে স্মরণ করলো জাতি। ১৯৭১ সালের এই রাতে পাকিস্তানি হানাদার বাহিনীর গণহত্যার স্মরণে এই প্রতিবাদী কর্মসূচি পালন করে বাঙালি জাতি। এই রাতে নিরস্ত্র ও ঘুমন্ত বাঙালির ওপর অস্ত্র নিয়ে ঝাঁপিয়ে পড়েছিল পাকিস্তানি বাহিনী। ‘অপারেশন সার্চলাইট’ নামের সেই অভিযানে কালরাতের প্রথম প্রহরে ঢাকায় চালানো হয় গণহত্যা। হানাদার বাহিনী মেতে ওঠে ইতিহাসের নৃশংসতম গণহত্যায়, যা কালরাত হিসেবে পরিচিত।
কালরাতে নিহতদের স্মরণে সারাদেশে এক মিনিট
সব ধরনের বাতি বন্ধ রাখা হয়। রাজধানী ঢাকাসহ সারাদেশে আজ (রোববার) রাত ৯টা
থেকে ৯টা এক মিনিট পর্যন্ত সব ধরনের আলো নিভিয়ে গণহত্যার কথা স্মরণ করা
হয়।
১৯৭১ সালের এই রাতে সেনা অভিযানের শুরুতেই
হানাদার বাহিনী বাঙালি জাতির অবিসংবাদিত নেতা জাতির জনক বঙ্গবন্ধু শেখ
মুজিবুর রহমানকে তার ধানমন্ডির বাসভবন থেকে গ্রেপ্তার করে।
বিভিন্ন সূত্রে বলা হয়, শুধু ২৫ মার্চ
রাতেই বাংলাদেশে প্রায় এক লাখ মানুষকে হত্যা করা হয়েছিল, যা গণহত্যার
ইতিহাসে এক জঘন্যতম ভয়াবহ ঘটনা।
পরবর্তী স্বাধীনতা সংগ্রামের নয় মাসে ৩০ লাখ নিরপরাধ বাঙালি নারী-পুরুষ-শিশুকে হত্যা করে পাকিস্তানি হানাদার বাহিনী।
গত ১১ মার্চ সচিবালয়ে স্বরাষ্ট্র
মন্ত্রণালয়ের সভা কক্ষে অনুষ্ঠিত এক বৈঠকে এক মিনিট ব্ল্যাক আউট কর্মসূচির
এই সিদ্ধান্ত গ্রহণ করা হয়।
গত বছর জাতীয় সংসদের ২৫ মার্চ ‘গণহত্যা দিবস’ হিসেবে পালনের প্রস্তাব পাস হয়।
দিবস উপলক্ষে আলাদা বাণী দিয়েছেন রাষ্ট্রপতি মোঃ আবদুল হামিদ ও প্রধানমন্ত্রী শেখ হাসিনা।

