এস.এস ডেস্কঃ
৪৮তম মহান স্বাধীনতা দিবস উদযাপন উপলক্ষে পুরোপুরি প্রস্তুত সাভার নবীনগরের জাতীয় স্মৃতি সৌধ। দিবসটির প্রথম প্রহরে জাতির বীর সন্তানদের শহীদ বেদীতে ফুল দিয়ে শ্রদ্ধা জানাবেন রাষ্ট্রপতি, প্রধানমন্ত্রী, রাজনীতিবিদ, কূটনৈতিকসহ বিশিষ্ট জনেরা। এরপরই জাতির গৌরব আর অহংকারের এ-দিনটিতে সৌধ প্রাঙ্গণে ঢল নামবে লাখো মানুষের। তাদের হৃদয় নিংড়ানো শ্রদ্ধা আর ভালোবাসায় ফুলে ফুলে ভরে যাবে শহীদ বেদী।
এদিকে দিবসটি উপলক্ষে নবম পদাতিক ডিভিশনের পক্ষ থেকে গার্ড অব অর্নারের প্রস্তুতি সম্পন্ন করেছে বাহিনীটি। আর প্রতিবারের মত এবারও স্বাধীনতা দিবসকে কেন্দ্র করে ঢাকা জেলা পুলিশের পক্ষ থেকে নেয়া হয়েছে নিশ্ছিদ্র নিরাপত্তাব্যবস্থা।
স্বাধীনতা দিবস উপলক্ষে সাভারের জাতীয় স্মৃতিসৌধ এলাকায় পরিষ্কার-পরিচ্ছন্নতা ও শোভা বর্ধনের কাজ ইতোমধ্যে সম্পন্ন করা হয়েছে। স্মৃতিসৌধের মূল ফটক থেকে সৌধস্তম্ভ পর্যন্ত ইটের গাথুনীগুলোতে দেয়া হয়েছে লাল-সাদা রঙের আঁচড়। হাঁটার পথগুলোর দুই পাশে বসানো হয়েছে লাল টুকটুকে ফুল গাছের টব। শোভাবর্ধনের জন্য সৌধ এলাকার গাছগুলোকে ছেঁটে করা হয়েছে দৃষ্টিনন্দন। এছাড়া প্রতিদিন দুইবার পুরো সৌধ এলাকাকে পানি দিয়ে পরিষ্কার করার কাজও চলছে। প্রতিবছর বিজয় ও স্বাধীনতা দিবস উপলক্ষে গণপূর্ত বিভাগের কর্মীরা প্রায় এক মাস ধরে সৌধ এলাকায় এই পরিচ্ছন্নতার কাজ করে আসছেন।
স্বাধীনতা দিবসকে ঘিরে সৌধ এলাকার পাশাপাশি ঢাকা-আরিচা ও নবীনগর-চন্দ্রা মহাসড়কেও চলছে পরিষ্কার-পরিচ্ছন্নতা ও শোভাবর্ধনের কাজ। সড়কের দুই পাশের ঝোপঝাঁড়গুলো কেটে পরিষ্কার করা হয়েছে। একই সাথে সড়কের মাঝখানের আইল্যান্ড দৃষ্টিনন্দন করতে দেয়া হচ্ছে- লাল ও সাদা রঙ। এছাড়াও সৌধ এলাকার সামনে সড়কে লাগানো হয়েছে আলোকবাতি।
জাতীয় স্মৃতি সৌধের দায়িত্বে নিয়োজিত গণপূর্ত বিভাগের উপ-সহকারী প্রকৌশলী মো. মিজানুর রহমান জানান, দিনটিকে সামনে রেখে প্রায় শতাধিক পরিচ্ছন্নতাকর্মী গত এক মাস ধরে কাজ করে যাচ্ছেন। আর সৌধ এলাকার পরিচ্ছন্নতা কাজে যাতে বিঘ্ন না হয় সেজন্য গত ১৮ মার্চ থেকে সৌধ চত্বরে সাধারণ দর্শনার্থীদের প্রবেশাধিকার নিষিদ্ধ করা হয়েছে।
২৬ মার্চ প্রথম প্রহরে রাষ্ট্রপতি ও প্রধানমন্ত্রীর শ্রদ্ধা নিবেদনের পরই সর্বসাধারণের জন্য সৌধ ফটক উন্মুক্ত করে দেয়া হবে।
নিরাপত্তা নিয়ে ঢাকা জেলার পুলিশ সুপার শাহ মিজান শাফিউর রহমান বলেন, মহান স্বাধীনতা দিবস উপলক্ষে জাতীয় স্মৃতিসৌধ ও এর আশপাশের এলাকায় তিন স্তরের নিরাপত্তা বলয় গড়ে তোলা হয়েছে। এছাড়া সাদা পোশাকে পুলিশের নজরদারি বাড়নোসহ নিরাপত্তার স্বার্থে সৌধ প্রাঙ্গণের বিভিন্ন পয়েন্টে নিরাপত্তা চৌকি, পর্যবেক্ষণ টাওয়ার ও সিসিটিভি ক্যামেরা স্থাপনের কাজও শেষ হয়েছে। প্রতিবারের মত এবারও নির্বিঘ্নে বাঙালি জাতি এই অহংকারের দিনটি উদযাপন করতে পারবেন বলেও জানান এই কর্মকর্তা।
৪৮তম মহান স্বাধীনতা দিবস উদযাপন উপলক্ষে পুরোপুরি প্রস্তুত সাভার নবীনগরের জাতীয় স্মৃতি সৌধ। দিবসটির প্রথম প্রহরে জাতির বীর সন্তানদের শহীদ বেদীতে ফুল দিয়ে শ্রদ্ধা জানাবেন রাষ্ট্রপতি, প্রধানমন্ত্রী, রাজনীতিবিদ, কূটনৈতিকসহ বিশিষ্ট জনেরা। এরপরই জাতির গৌরব আর অহংকারের এ-দিনটিতে সৌধ প্রাঙ্গণে ঢল নামবে লাখো মানুষের। তাদের হৃদয় নিংড়ানো শ্রদ্ধা আর ভালোবাসায় ফুলে ফুলে ভরে যাবে শহীদ বেদী।
এদিকে দিবসটি উপলক্ষে নবম পদাতিক ডিভিশনের পক্ষ থেকে গার্ড অব অর্নারের প্রস্তুতি সম্পন্ন করেছে বাহিনীটি। আর প্রতিবারের মত এবারও স্বাধীনতা দিবসকে কেন্দ্র করে ঢাকা জেলা পুলিশের পক্ষ থেকে নেয়া হয়েছে নিশ্ছিদ্র নিরাপত্তাব্যবস্থা।
স্বাধীনতা দিবস উপলক্ষে সাভারের জাতীয় স্মৃতিসৌধ এলাকায় পরিষ্কার-পরিচ্ছন্নতা ও শোভা বর্ধনের কাজ ইতোমধ্যে সম্পন্ন করা হয়েছে। স্মৃতিসৌধের মূল ফটক থেকে সৌধস্তম্ভ পর্যন্ত ইটের গাথুনীগুলোতে দেয়া হয়েছে লাল-সাদা রঙের আঁচড়। হাঁটার পথগুলোর দুই পাশে বসানো হয়েছে লাল টুকটুকে ফুল গাছের টব। শোভাবর্ধনের জন্য সৌধ এলাকার গাছগুলোকে ছেঁটে করা হয়েছে দৃষ্টিনন্দন। এছাড়া প্রতিদিন দুইবার পুরো সৌধ এলাকাকে পানি দিয়ে পরিষ্কার করার কাজও চলছে। প্রতিবছর বিজয় ও স্বাধীনতা দিবস উপলক্ষে গণপূর্ত বিভাগের কর্মীরা প্রায় এক মাস ধরে সৌধ এলাকায় এই পরিচ্ছন্নতার কাজ করে আসছেন।
স্বাধীনতা দিবসকে ঘিরে সৌধ এলাকার পাশাপাশি ঢাকা-আরিচা ও নবীনগর-চন্দ্রা মহাসড়কেও চলছে পরিষ্কার-পরিচ্ছন্নতা ও শোভাবর্ধনের কাজ। সড়কের দুই পাশের ঝোপঝাঁড়গুলো কেটে পরিষ্কার করা হয়েছে। একই সাথে সড়কের মাঝখানের আইল্যান্ড দৃষ্টিনন্দন করতে দেয়া হচ্ছে- লাল ও সাদা রঙ। এছাড়াও সৌধ এলাকার সামনে সড়কে লাগানো হয়েছে আলোকবাতি।
জাতীয় স্মৃতি সৌধের দায়িত্বে নিয়োজিত গণপূর্ত বিভাগের উপ-সহকারী প্রকৌশলী মো. মিজানুর রহমান জানান, দিনটিকে সামনে রেখে প্রায় শতাধিক পরিচ্ছন্নতাকর্মী গত এক মাস ধরে কাজ করে যাচ্ছেন। আর সৌধ এলাকার পরিচ্ছন্নতা কাজে যাতে বিঘ্ন না হয় সেজন্য গত ১৮ মার্চ থেকে সৌধ চত্বরে সাধারণ দর্শনার্থীদের প্রবেশাধিকার নিষিদ্ধ করা হয়েছে।
২৬ মার্চ প্রথম প্রহরে রাষ্ট্রপতি ও প্রধানমন্ত্রীর শ্রদ্ধা নিবেদনের পরই সর্বসাধারণের জন্য সৌধ ফটক উন্মুক্ত করে দেয়া হবে।
নিরাপত্তা নিয়ে ঢাকা জেলার পুলিশ সুপার শাহ মিজান শাফিউর রহমান বলেন, মহান স্বাধীনতা দিবস উপলক্ষে জাতীয় স্মৃতিসৌধ ও এর আশপাশের এলাকায় তিন স্তরের নিরাপত্তা বলয় গড়ে তোলা হয়েছে। এছাড়া সাদা পোশাকে পুলিশের নজরদারি বাড়নোসহ নিরাপত্তার স্বার্থে সৌধ প্রাঙ্গণের বিভিন্ন পয়েন্টে নিরাপত্তা চৌকি, পর্যবেক্ষণ টাওয়ার ও সিসিটিভি ক্যামেরা স্থাপনের কাজও শেষ হয়েছে। প্রতিবারের মত এবারও নির্বিঘ্নে বাঙালি জাতি এই অহংকারের দিনটি উদযাপন করতে পারবেন বলেও জানান এই কর্মকর্তা।

