সময় সংবাদ ডেস্কঃ
ফরিদপুরের বোয়ালমারী কলেজ রোডে অবস্থিত ‘আলোর পথ’ নামক একটি মাদক নিরাময় কেন্দ্রে ভর্তি থাকা বুদ্ধি প্রতিবন্ধী এক যুবককে পিটিয়ে হত্যার অভিযোগ উঠেছে কতৃপক্ষের বিরুদ্ধে। এ মাদক নিরাময় কেন্দ্রের মালিক বোয়ালমারী পৌর আওয়ামী লীগের সভাপতি আবদুল আলিম মোল্লা । বর্তমানে মাদক নিরাময় কেন্দ্রটি পরিচালনা করছেন তার ছেলে জাহিদ হোসেন মোল্লা। মঙ্গলবার বোয়ালমারী থানা পুলিশ রেজাউল করিমের লাশ উদ্ধার করে বুধবার দুপুরে ময়নাতদন্তের জন্য ফরিদপুর মর্গে পাঠিয়েছে। ঘটনাটি ধামাচাপা দিতে একটি পক্ষ জোর প্রচেষ্টা চালাচ্ছে বলে অভিযোগ উঠেছে। এ ঘটনায় থানায় মামলা দায়েরের প্রস্তুতি চলছে। ঘটনার পর থেকে প্রতিষ্ঠানটির কাউকেই পাওয়া যায়নি।
প্রাপ্ত অভিযোগে জানাগেছে, বোয়ালমারীতে অবস্থিত ‘আলোর পথ’ নামের ঐ মাদক নিরাময় কেন্দ্রে জেলার সালথা উপজেলার রামকান্তপুর গ্রামের মুক্তিযোদ্ধা আবুল কালাম আজাদের বুদ্ধি প্রতিবন্ধী ছেলে রেজাউল করিম (২৫) কে ভর্তি করা হয় গত ২০ এপ্রিল। নিরাময় কেন্দ্র থেকে টাকার জন্য রেজাউল করিমের বাবা আবুল কালামকে ফোন দেয়া হলে তিনি টাকা নিয়ে মঙ্গলবার সকালে নিরাময় কেন্দ্রের মালিককে দিয়ে আসেন। কিন্তু টাকা দেবার সময় তিনি তার ছেলের সাথে দেখা কিংবা কথা বলতে পারেননি। মঙ্গলবার সন্ধ্যায় নিরাময় কেন্দ্র থেকে ফোন দেয়া হয় রেজাউল পড়ে গিয়ে মাথায় আঘাত পেয়েছে তাকে বোয়ালমারী হাসপাতালে ভর্তি করা হয়েছে। এ খবর পাবার পর রেজাউলের স্বজনের হাসপাতালে গিয়ে দেখতে পান রেজাউলের মৃতদেহ বারান্দায় পড়ে আছে। এ বিষয়ে হাসপাতালের লোকজন জানান, কয়েক ব্যক্তি লাশটি হাসপাতালে রেখে পালিয়ে গেছে। পরে রেজাউলের স্বজনেরা বোয়ালমারী থানা পুলিশকে খবর দেয়। বোয়ালমারী উপজেলা হাসপাতালের চিকিৎসক মোরশেদ আলম জানান, নিহত যুবকের স্বাভাবিক মৃত্যু হয়নি এমনটি বুঝতে পেরে পুলিশকে খবর দেয়া হয়। তার গায়ে আঘাতের চিহৃ ছিল। পুলিশ হাসপাতাল থেকে লাশটি উদ্ধার করে থানায় নিয়ে যায়। এ বিষয়টি নিয়ে রেজাউলের স্বজনেরা ‘আলোর পথ’ মাদক নিরাময় কেন্দ্রে গেলে তাদের সাথে খারাপ ব্যবহার করে সেখান থেকে ভয়ভীতি দেখিয়ে তাড়িয়ে দেয়া হয়। রেজাউলের হাত, পায়ে এবং মাথায় জখমের চিহৃ রয়েছে। রেজাউলের চাচাতো ভাই শওকত হোসেন মুকুল জানান, তার ভাইকে মাদক নিরাময় কেন্দ্রের লোকজন বেদমভাবে পিটিয়ে এবং মাথায় আঘাত করে হত্যা করেছে। তিনি জানান, রেজাউলের শরীরের বিভিন্ন স্থানে ভারী কিছু দিয়ে আঘাতের চিহৃ দেখা গেছে। বিভিন্ন স্থান ফুলে কালো হয়ে গেছে। রেজাউলের বাবা মুক্তিযোদ্ধা আবুল কালাম জানান, আমার ছেলেটি বুদ্ধি প্রতিবন্ধী। তার নেশাগ্রস্থ নয়, তবে সে শুধু পান খেতো। তাকে পান খাবার অভ্যাস ফেরাতে মাদক নিরাময় কেন্দ্রে ভর্তি করা হয়েছিল। তিনি বলেন, নিরাময় কেন্দ্রে টাকা দিতে গেলে তারা আমার ছেলের সাথে দেখা করতে দেয়নি। তারা আমার ছেলেকে পিটিয়ে হত্যা করেছে। আমি যাতে বিষয়টি নিয়ে বাড়াবাড়ি না করি সেজন্য নানাভাবে হুমকি ধামকি দেয়া হচ্ছে।
এ বিষয়ে মাদক নিরাময় কেন্দ্রের মালিক, পৌর আওয়ামী লীগ নেতা আলিম মোল্লার সাথে যোগাযোগ করেও তাকে পাওয়া যায়নি। তার ছেলে জাহিদ মোল্লার মোবাইল ফোনে বেশ কয়েকবার ফোন দেবার পর অন্যপ্রান্ত থেকে জনৈক মহিলা ফোন ধরলেও তিনি জানান, জাহিদ বাইরে আছে। পরে একাধিক বার ফোন দিলেও কেউ আর ফোনটি ধরেননি।
বোয়ালমারী থানার ভারপ্রাপ্ত কর্মকর্তা (ওসি) মিজানুর রহমান জানান, অভিযোগ পেয়ে হাসপাতাল থেকে রেজাউল নামের এক যুবকের লাশ উদ্ধার করে মর্গে পাঠানো হয়েছে। যুবকের শরীরে আঘাতের বেশকিছু চিহৃ রয়েছে। ময়না তদন্তের পর প্রয়োজনীয় ব্যবস্থা গ্রহন করা হবে।
ফরিদপুরের বোয়ালমারী কলেজ রোডে অবস্থিত ‘আলোর পথ’ নামক একটি মাদক নিরাময় কেন্দ্রে ভর্তি থাকা বুদ্ধি প্রতিবন্ধী এক যুবককে পিটিয়ে হত্যার অভিযোগ উঠেছে কতৃপক্ষের বিরুদ্ধে। এ মাদক নিরাময় কেন্দ্রের মালিক বোয়ালমারী পৌর আওয়ামী লীগের সভাপতি আবদুল আলিম মোল্লা । বর্তমানে মাদক নিরাময় কেন্দ্রটি পরিচালনা করছেন তার ছেলে জাহিদ হোসেন মোল্লা। মঙ্গলবার বোয়ালমারী থানা পুলিশ রেজাউল করিমের লাশ উদ্ধার করে বুধবার দুপুরে ময়নাতদন্তের জন্য ফরিদপুর মর্গে পাঠিয়েছে। ঘটনাটি ধামাচাপা দিতে একটি পক্ষ জোর প্রচেষ্টা চালাচ্ছে বলে অভিযোগ উঠেছে। এ ঘটনায় থানায় মামলা দায়েরের প্রস্তুতি চলছে। ঘটনার পর থেকে প্রতিষ্ঠানটির কাউকেই পাওয়া যায়নি।
প্রাপ্ত অভিযোগে জানাগেছে, বোয়ালমারীতে অবস্থিত ‘আলোর পথ’ নামের ঐ মাদক নিরাময় কেন্দ্রে জেলার সালথা উপজেলার রামকান্তপুর গ্রামের মুক্তিযোদ্ধা আবুল কালাম আজাদের বুদ্ধি প্রতিবন্ধী ছেলে রেজাউল করিম (২৫) কে ভর্তি করা হয় গত ২০ এপ্রিল। নিরাময় কেন্দ্র থেকে টাকার জন্য রেজাউল করিমের বাবা আবুল কালামকে ফোন দেয়া হলে তিনি টাকা নিয়ে মঙ্গলবার সকালে নিরাময় কেন্দ্রের মালিককে দিয়ে আসেন। কিন্তু টাকা দেবার সময় তিনি তার ছেলের সাথে দেখা কিংবা কথা বলতে পারেননি। মঙ্গলবার সন্ধ্যায় নিরাময় কেন্দ্র থেকে ফোন দেয়া হয় রেজাউল পড়ে গিয়ে মাথায় আঘাত পেয়েছে তাকে বোয়ালমারী হাসপাতালে ভর্তি করা হয়েছে। এ খবর পাবার পর রেজাউলের স্বজনের হাসপাতালে গিয়ে দেখতে পান রেজাউলের মৃতদেহ বারান্দায় পড়ে আছে। এ বিষয়ে হাসপাতালের লোকজন জানান, কয়েক ব্যক্তি লাশটি হাসপাতালে রেখে পালিয়ে গেছে। পরে রেজাউলের স্বজনেরা বোয়ালমারী থানা পুলিশকে খবর দেয়। বোয়ালমারী উপজেলা হাসপাতালের চিকিৎসক মোরশেদ আলম জানান, নিহত যুবকের স্বাভাবিক মৃত্যু হয়নি এমনটি বুঝতে পেরে পুলিশকে খবর দেয়া হয়। তার গায়ে আঘাতের চিহৃ ছিল। পুলিশ হাসপাতাল থেকে লাশটি উদ্ধার করে থানায় নিয়ে যায়। এ বিষয়টি নিয়ে রেজাউলের স্বজনেরা ‘আলোর পথ’ মাদক নিরাময় কেন্দ্রে গেলে তাদের সাথে খারাপ ব্যবহার করে সেখান থেকে ভয়ভীতি দেখিয়ে তাড়িয়ে দেয়া হয়। রেজাউলের হাত, পায়ে এবং মাথায় জখমের চিহৃ রয়েছে। রেজাউলের চাচাতো ভাই শওকত হোসেন মুকুল জানান, তার ভাইকে মাদক নিরাময় কেন্দ্রের লোকজন বেদমভাবে পিটিয়ে এবং মাথায় আঘাত করে হত্যা করেছে। তিনি জানান, রেজাউলের শরীরের বিভিন্ন স্থানে ভারী কিছু দিয়ে আঘাতের চিহৃ দেখা গেছে। বিভিন্ন স্থান ফুলে কালো হয়ে গেছে। রেজাউলের বাবা মুক্তিযোদ্ধা আবুল কালাম জানান, আমার ছেলেটি বুদ্ধি প্রতিবন্ধী। তার নেশাগ্রস্থ নয়, তবে সে শুধু পান খেতো। তাকে পান খাবার অভ্যাস ফেরাতে মাদক নিরাময় কেন্দ্রে ভর্তি করা হয়েছিল। তিনি বলেন, নিরাময় কেন্দ্রে টাকা দিতে গেলে তারা আমার ছেলের সাথে দেখা করতে দেয়নি। তারা আমার ছেলেকে পিটিয়ে হত্যা করেছে। আমি যাতে বিষয়টি নিয়ে বাড়াবাড়ি না করি সেজন্য নানাভাবে হুমকি ধামকি দেয়া হচ্ছে।
এ বিষয়ে মাদক নিরাময় কেন্দ্রের মালিক, পৌর আওয়ামী লীগ নেতা আলিম মোল্লার সাথে যোগাযোগ করেও তাকে পাওয়া যায়নি। তার ছেলে জাহিদ মোল্লার মোবাইল ফোনে বেশ কয়েকবার ফোন দেবার পর অন্যপ্রান্ত থেকে জনৈক মহিলা ফোন ধরলেও তিনি জানান, জাহিদ বাইরে আছে। পরে একাধিক বার ফোন দিলেও কেউ আর ফোনটি ধরেননি।
বোয়ালমারী থানার ভারপ্রাপ্ত কর্মকর্তা (ওসি) মিজানুর রহমান জানান, অভিযোগ পেয়ে হাসপাতাল থেকে রেজাউল নামের এক যুবকের লাশ উদ্ধার করে মর্গে পাঠানো হয়েছে। যুবকের শরীরে আঘাতের বেশকিছু চিহৃ রয়েছে। ময়না তদন্তের পর প্রয়োজনীয় ব্যবস্থা গ্রহন করা হবে।

