মইনুল
ইসলাম,গাজীপুর প্রতিনিধিঃ
গাজীপুরের পুবাইল এলাকায় জমি নিয়ে
বিরোধের জেরে বোনকে হত্যার দায়ে চাচাতো ভাইকে ফাঁসির দণ্ডাদেশ দিয়েছেন আদালত। একই
সঙ্গে তাঁকে ১০ হাজার টাকা জরিমানা করা হয়েছে। বুধবার দুপুরে গাজীপুরের অতিরিক্ত
জেলা ও দায়রা জজ আদালত-২ এর বিচারক ইকবাল হোসেনের আদালত এই রায় দেন।
রায় ঘোষণার সময় কাঠগড়ায় সাজাপ্রাপ্ত আসামি উপস্থিত ছিলেন। ফাঁসির দণ্ডপ্রাপ্ত ওই আসামি হলেন রেজাউল হায়দার বকুল। তিনি পুবাইলের নয়ানীপাড়া এলাকার মৃত জামির উদ্দিনের ছেলে। আর হত্যাকাণ্ডের শিকার বোনের নাম রহিমা খাতুন। তিনি গাজীপুর সিটি করপোরেশনের পুবাইল এলাকার আব্দুল হাইয়ের স্ত্রী।
মামলার বিবরণে জানা যায়, রহিমা খাতুনের সঙ্গে জমি নিয়ে বিরোধ ছিল চাচাতো ভাই রেজাউল হায়দার বকুলের। ২০১০ সালের ৩ নভেম্বর সন্ধ্যায় রহিমার ছেলে সোলেমান টর্চ লাইট নিয়ে নদীর পাড়ে যাওয়ার সময় রাস্তার পাশে বসে থাকা রেজাউল হায়দার ও তাঁর সঙ্গীদের ওপর টর্চ লাইটের আলো পড়ে। এতে ক্ষিপ্ত হয়ে রেজাউল সেখানে সোলেমানকে কিলঘুষি মারেন। পরে তিনি বন্দুক নিয়ে রহিমার বসতবাড়িতে হামলা চালান। এতে হায়দারের বন্দুক থেকে ছোড়া গুলি রহিমার গলায় লাগলে তিনি ঘটনাস্থলেই মারা যান। এ ঘটনায় রহিমার স্বামী আব্দুল হাই বাদী হয়ে দুজনের নাম উল্লেখ করে জয়দেবপুর থানায় মামলা করেন।
রায় ঘোষণার সময় কাঠগড়ায় সাজাপ্রাপ্ত আসামি উপস্থিত ছিলেন। ফাঁসির দণ্ডপ্রাপ্ত ওই আসামি হলেন রেজাউল হায়দার বকুল। তিনি পুবাইলের নয়ানীপাড়া এলাকার মৃত জামির উদ্দিনের ছেলে। আর হত্যাকাণ্ডের শিকার বোনের নাম রহিমা খাতুন। তিনি গাজীপুর সিটি করপোরেশনের পুবাইল এলাকার আব্দুল হাইয়ের স্ত্রী।
মামলার বিবরণে জানা যায়, রহিমা খাতুনের সঙ্গে জমি নিয়ে বিরোধ ছিল চাচাতো ভাই রেজাউল হায়দার বকুলের। ২০১০ সালের ৩ নভেম্বর সন্ধ্যায় রহিমার ছেলে সোলেমান টর্চ লাইট নিয়ে নদীর পাড়ে যাওয়ার সময় রাস্তার পাশে বসে থাকা রেজাউল হায়দার ও তাঁর সঙ্গীদের ওপর টর্চ লাইটের আলো পড়ে। এতে ক্ষিপ্ত হয়ে রেজাউল সেখানে সোলেমানকে কিলঘুষি মারেন। পরে তিনি বন্দুক নিয়ে রহিমার বসতবাড়িতে হামলা চালান। এতে হায়দারের বন্দুক থেকে ছোড়া গুলি রহিমার গলায় লাগলে তিনি ঘটনাস্থলেই মারা যান। এ ঘটনায় রহিমার স্বামী আব্দুল হাই বাদী হয়ে দুজনের নাম উল্লেখ করে জয়দেবপুর থানায় মামলা করেন।
গাজীপুর আদালত পুলিশের পরিদর্শক
রবিউল ইসলাম প্রথম আলোকে বলেন,
রায়ের পর আসামিকে গাজীপুর জেলা করাগারে পাঠানো হয়েছে।

