S.S.DESK:
ফরিদপুরের মধুখালী উপজেলার আড়পাড়া গ্রামের নজরুল ইসলাম (৩৬) এবং নিশ্চিতপুর গ্রামের মাজহারুল ইসলাম হিরু (৩৫) নামের দুই প্রতারককে আটক করেছে পুলিশ ব্যুরো অব ইনভেস্টিগেশন (পিবিআই) ফরিদপুর। আটককৃতরা বিকাশের এজেন্ট এবং বিকাশ প্রতারক চক্রকে ভুয়া একাউন্ট খুলে প্রতারক চক্রের কাছ থেকে ও এলাকার বিভিন্ন লোকদের প্রলোভন দেখিয়ে কখনো বিকাশের বস, কখনো জ¦ীনের বাদশা, কখনো ওয়েলকাম পার্টির পরিচয় আবার কখনো ভুয়া ম্যাসেজ পাঠিয়ে অবৈধ উপায়ে টাকা হাতিয়ে নেয়। ২০১৩ সালের ১৮ অক্টোবর মোঃ রাজিবুর রহমান গাজীর ব্যক্তিগত ০১৭১৩৫৪১৮১২, ০১৭৫১০৯০৬৮২ নাম্বার থেকে তিনবারে মোট ৫৬ হাজার ৪৩০ টাকা পাঠানোর ভুয়া ম্যাসেজ পাঠায়। পরবর্তীতে ০১৬৮৭০০৬০০৩ নাম্বার থেকে রিপন পরিচয় দিয়ে ও ০১৬৮৭৯৯৯০০৮ নাম্বার থেকে ইমরান পরিচয় দিয়ে কথা বলে এবং ০১৭৮২৬২০২০৯ ও ০১৭৮২৬২০২৬৭ থেকে বিকাশ প্রতারনার মাধ্যমে মোট ৪৩ হাজার ১৪০ টাকা হাতিয়ে নেয়। এ ব্যাপারে মোঃ রাজিবুর রহমান গাজি বাদী হয়ে অজ্ঞাতনামা আসামীদের বিরুদ্ধে রাজবাড়ি সদর থানার মামলা করে। রাজবাড়ী থানা পুলিশ মামলাটি তদন্ত শেষে চূড়ান্ত রিপোর্ট দাখিল করলে বাদীর নারাজির প্রেক্ষিতে আদালত মামলাটি অধিকতর তদন্তের জন্য পুলিশ ব্যুরো অব ইনভেস্টিগেশন (পিবিআই), ফরিদপুরকে নির্দেশ দেন। পিবিআই এর তদন্তকারী অফিসার এসআই মোঃ বাবুল হোসেন মামলাটি তদন্ত শেষে ঘটনার সত্যতা পেয়ে পিবিআই ফরিদপুরের অতিরিক্ত পুলিশ সুপার কানাই লাল সরকার এর নেতৃত্বে গোপন সংবাদের ভিত্তিতে ২৪ এপ্রিল দীর্ঘ ৬ ঘন্টা অভিযান পরিচালনা করে রাতে আসামী মোঃ নজরুল ইসলাম(৩৬), পিতা- মোঃ সিরাজ মন্ডল, সাং- আড়পাড়া ও মোঃ মাজহারুল ইসলাম হিরু (৩৫), পিতা-মসিয়ার রহমান, সাং- নিশ্চিন্তপুর, উভয় থানা- মধুখালী, জেলা- ফরিদপুরদেরকে গ্রেফতার করে এবং আসামী মোঃ নজরুল মন্ডলের কাছ থেকে নগদ ৩০ হাজার ৭৭০ টাকা ও প্রতারণার কাজে ব্যবহৃত ১৪টি পুরাতন নকিয়া মোবাইল সেট, ১টি স্যামসাং মোবাইল সেট, ১টি হাওয়ায় ট্যাব, ১টি লেনেভু ট্যাব, বিভিন্ন অপারেটরের ১৭টি সিম, বিকাশ ক্যাশ ইন ৬টি রেজিস্ট্রার, বিকাশ খাতা ক্যাশ আউট ৩টি এবং রকেট ডেইলি ট্রানজেকশন ১টি রেজিস্ট্রার জব্দ করেন। গ্রেফতারকৃত আসামীদের তথ্যেও ভিত্তিতে অন্যান্য আসামীদের গ্রেফতারের চেষ্টা অব্যাহত রয়েছে।
ফরিদপুরের মধুখালী উপজেলার আড়পাড়া গ্রামের নজরুল ইসলাম (৩৬) এবং নিশ্চিতপুর গ্রামের মাজহারুল ইসলাম হিরু (৩৫) নামের দুই প্রতারককে আটক করেছে পুলিশ ব্যুরো অব ইনভেস্টিগেশন (পিবিআই) ফরিদপুর। আটককৃতরা বিকাশের এজেন্ট এবং বিকাশ প্রতারক চক্রকে ভুয়া একাউন্ট খুলে প্রতারক চক্রের কাছ থেকে ও এলাকার বিভিন্ন লোকদের প্রলোভন দেখিয়ে কখনো বিকাশের বস, কখনো জ¦ীনের বাদশা, কখনো ওয়েলকাম পার্টির পরিচয় আবার কখনো ভুয়া ম্যাসেজ পাঠিয়ে অবৈধ উপায়ে টাকা হাতিয়ে নেয়। ২০১৩ সালের ১৮ অক্টোবর মোঃ রাজিবুর রহমান গাজীর ব্যক্তিগত ০১৭১৩৫৪১৮১২, ০১৭৫১০৯০৬৮২ নাম্বার থেকে তিনবারে মোট ৫৬ হাজার ৪৩০ টাকা পাঠানোর ভুয়া ম্যাসেজ পাঠায়। পরবর্তীতে ০১৬৮৭০০৬০০৩ নাম্বার থেকে রিপন পরিচয় দিয়ে ও ০১৬৮৭৯৯৯০০৮ নাম্বার থেকে ইমরান পরিচয় দিয়ে কথা বলে এবং ০১৭৮২৬২০২০৯ ও ০১৭৮২৬২০২৬৭ থেকে বিকাশ প্রতারনার মাধ্যমে মোট ৪৩ হাজার ১৪০ টাকা হাতিয়ে নেয়। এ ব্যাপারে মোঃ রাজিবুর রহমান গাজি বাদী হয়ে অজ্ঞাতনামা আসামীদের বিরুদ্ধে রাজবাড়ি সদর থানার মামলা করে। রাজবাড়ী থানা পুলিশ মামলাটি তদন্ত শেষে চূড়ান্ত রিপোর্ট দাখিল করলে বাদীর নারাজির প্রেক্ষিতে আদালত মামলাটি অধিকতর তদন্তের জন্য পুলিশ ব্যুরো অব ইনভেস্টিগেশন (পিবিআই), ফরিদপুরকে নির্দেশ দেন। পিবিআই এর তদন্তকারী অফিসার এসআই মোঃ বাবুল হোসেন মামলাটি তদন্ত শেষে ঘটনার সত্যতা পেয়ে পিবিআই ফরিদপুরের অতিরিক্ত পুলিশ সুপার কানাই লাল সরকার এর নেতৃত্বে গোপন সংবাদের ভিত্তিতে ২৪ এপ্রিল দীর্ঘ ৬ ঘন্টা অভিযান পরিচালনা করে রাতে আসামী মোঃ নজরুল ইসলাম(৩৬), পিতা- মোঃ সিরাজ মন্ডল, সাং- আড়পাড়া ও মোঃ মাজহারুল ইসলাম হিরু (৩৫), পিতা-মসিয়ার রহমান, সাং- নিশ্চিন্তপুর, উভয় থানা- মধুখালী, জেলা- ফরিদপুরদেরকে গ্রেফতার করে এবং আসামী মোঃ নজরুল মন্ডলের কাছ থেকে নগদ ৩০ হাজার ৭৭০ টাকা ও প্রতারণার কাজে ব্যবহৃত ১৪টি পুরাতন নকিয়া মোবাইল সেট, ১টি স্যামসাং মোবাইল সেট, ১টি হাওয়ায় ট্যাব, ১টি লেনেভু ট্যাব, বিভিন্ন অপারেটরের ১৭টি সিম, বিকাশ ক্যাশ ইন ৬টি রেজিস্ট্রার, বিকাশ খাতা ক্যাশ আউট ৩টি এবং রকেট ডেইলি ট্রানজেকশন ১টি রেজিস্ট্রার জব্দ করেন। গ্রেফতারকৃত আসামীদের তথ্যেও ভিত্তিতে অন্যান্য আসামীদের গ্রেফতারের চেষ্টা অব্যাহত রয়েছে।

