নিজস্ব প্রতিবেদক:
রাষ্ট্রপতি হিসেবে দ্বিতীয় মেয়াদে শপথ নিলেন মোহাম্মদ আবদুল হামিদ। বঙ্গভবনের দরবার হলে আবদুল হামিদকে শপথবাক্য পাঠ করান জাতীয় সংসদের স্পিকার ডক্টর শিরীন শারমিন চৌধুরী। এসময় উপস্থিত ছিলেন প্রধানমন্ত্রী শেখ হাসিনাসহ আমন্ত্রিত অতিথিরা। বাংলাদেশের ইতিহাসে প্রথমবারের মতো টানা দ্বিতীয় মেয়াদে রাষ্ট্রপতি হিসেবে শপথ নিয়ে রেকর্ড গড়লেন মো. আবদুল হামিদ।
রাষ্ট্রপতি হিসেবে মোহাম্মদ আবদুল হামিদের প্রথম মেয়াদের শেষ কার্যদিবস ছিলো সোমবার।
তবে এর আগেই গেল ৭ ফেব্রুয়ারি বিনা প্রতিদ্বন্দ্বিতায় দ্বিতীয় মেয়াদে নির্বাচিত হন তিনি। ২০১৩ সালে রাষ্ট্রপতি জিলুর রহমানের মৃত্যুর পর ভারপ্রাপ্ত রাষ্ট্রপ্রধান হন তৎকালীন স্পিকার এডভোকেট আব্দুল হামিদ। পরে ২২ এপ্রিল দেশের ২০তম রাষ্ট্রপতি নির্বাচিত হন তিনি।
দেশবাসীর কাছে শ্রদ্ধা আর ভালোবাসার প্রতীক রাষ্ট্রপতি মোহাম্মদ আবদুল হামিদ। তাঁর পরিচিতি ‘ভাটির শার্দুল’ হিসেবে। বর্ণাঢ্য রাজনৈতিক জীবনের অধিকারী আবদুল হামিদ ভালেবাসেন সাধারণ মানুষের সাথে মিশে থাকতে। এমনকি রাষ্ট্রপতি হিসেবে যতো কঠোর নিরাপত্তার মধ্যেই থাকেন না কেন, কোনো বাঁধাই তাঁকে আটকাতে পারেনা মানুষের সাথে মিশে থাকার অভ্যাসকে। অনেক সময় অকপটে বলেও বসেন- মানুষের সান্নিধ্য ছাড়া তাঁর বেঁচে থাকা অসম্ভব। ষোল কোটি মানুষের ভালবাসা নিয়ে আবারো তিনি আসীন হলেন রাষ্ট্রের প্রধান আসনে।
কিশোরগঞ্জের মিঠামইন, ইটনা, অষ্টগ্রাম থেকে ৭ বারের নির্বাচিত সংসদ সদস্য, ডেপুটি স্পিকার, দুইবার স্পিকার, বিরোধী দলীয় উপনেতা, অস্থায়ী রাষ্ট্রপতি থেকে ২০তম রাষ্ট্রপতি হন এডভোকেট আবদুল হামিদ। বিনা প্রতিদ্বন্দ্বীতায় তিনিই নির্বাচিত হলেন দেশের ২১তম রাষ্ট্রপতি।
তাঁর রাজনৈতিক জীবন শুরু হয়েছিল ১৯৫৯ সালে তৎকালীন ছাত্রলীগের তরুণ কর্মী হিসেবে। সেই থেকে কখনও আদর্শচ্যুত হননি।
দলমত নির্বিশেষে সব মানুষের ভালোবাসায় ঋদ্ধ আব্দুল হামিদের জন্ম ১৯৪৪ সালের ১ জানুয়ারি কিশোরগঞ্জ জেলার মিঠামইন উপজেলার কামালপুর গ্রামে। তাঁর বাবার মরহুম হাজী মোহাম্মদ তায়েব উদ্দিন ও মা মরহুমা তমিজা খাতুন। তিনি তিন পুত্র ও এক কন্যা সন্তানের জনক।
রাষ্ট্রপতি হিসেবে দ্বিতীয় মেয়াদে শপথ নিলেন মোহাম্মদ আবদুল হামিদ। বঙ্গভবনের দরবার হলে আবদুল হামিদকে শপথবাক্য পাঠ করান জাতীয় সংসদের স্পিকার ডক্টর শিরীন শারমিন চৌধুরী। এসময় উপস্থিত ছিলেন প্রধানমন্ত্রী শেখ হাসিনাসহ আমন্ত্রিত অতিথিরা। বাংলাদেশের ইতিহাসে প্রথমবারের মতো টানা দ্বিতীয় মেয়াদে রাষ্ট্রপতি হিসেবে শপথ নিয়ে রেকর্ড গড়লেন মো. আবদুল হামিদ।
রাষ্ট্রপতি হিসেবে মোহাম্মদ আবদুল হামিদের প্রথম মেয়াদের শেষ কার্যদিবস ছিলো সোমবার।
তবে এর আগেই গেল ৭ ফেব্রুয়ারি বিনা প্রতিদ্বন্দ্বিতায় দ্বিতীয় মেয়াদে নির্বাচিত হন তিনি। ২০১৩ সালে রাষ্ট্রপতি জিলুর রহমানের মৃত্যুর পর ভারপ্রাপ্ত রাষ্ট্রপ্রধান হন তৎকালীন স্পিকার এডভোকেট আব্দুল হামিদ। পরে ২২ এপ্রিল দেশের ২০তম রাষ্ট্রপতি নির্বাচিত হন তিনি।
দেশবাসীর কাছে শ্রদ্ধা আর ভালোবাসার প্রতীক রাষ্ট্রপতি মোহাম্মদ আবদুল হামিদ। তাঁর পরিচিতি ‘ভাটির শার্দুল’ হিসেবে। বর্ণাঢ্য রাজনৈতিক জীবনের অধিকারী আবদুল হামিদ ভালেবাসেন সাধারণ মানুষের সাথে মিশে থাকতে। এমনকি রাষ্ট্রপতি হিসেবে যতো কঠোর নিরাপত্তার মধ্যেই থাকেন না কেন, কোনো বাঁধাই তাঁকে আটকাতে পারেনা মানুষের সাথে মিশে থাকার অভ্যাসকে। অনেক সময় অকপটে বলেও বসেন- মানুষের সান্নিধ্য ছাড়া তাঁর বেঁচে থাকা অসম্ভব। ষোল কোটি মানুষের ভালবাসা নিয়ে আবারো তিনি আসীন হলেন রাষ্ট্রের প্রধান আসনে।
কিশোরগঞ্জের মিঠামইন, ইটনা, অষ্টগ্রাম থেকে ৭ বারের নির্বাচিত সংসদ সদস্য, ডেপুটি স্পিকার, দুইবার স্পিকার, বিরোধী দলীয় উপনেতা, অস্থায়ী রাষ্ট্রপতি থেকে ২০তম রাষ্ট্রপতি হন এডভোকেট আবদুল হামিদ। বিনা প্রতিদ্বন্দ্বীতায় তিনিই নির্বাচিত হলেন দেশের ২১তম রাষ্ট্রপতি।
তাঁর রাজনৈতিক জীবন শুরু হয়েছিল ১৯৫৯ সালে তৎকালীন ছাত্রলীগের তরুণ কর্মী হিসেবে। সেই থেকে কখনও আদর্শচ্যুত হননি।
দলমত নির্বিশেষে সব মানুষের ভালোবাসায় ঋদ্ধ আব্দুল হামিদের জন্ম ১৯৪৪ সালের ১ জানুয়ারি কিশোরগঞ্জ জেলার মিঠামইন উপজেলার কামালপুর গ্রামে। তাঁর বাবার মরহুম হাজী মোহাম্মদ তায়েব উদ্দিন ও মা মরহুমা তমিজা খাতুন। তিনি তিন পুত্র ও এক কন্যা সন্তানের জনক।

