চরভদ্রাসনের দরিদ্র মেধাবী সুরাইয়া ইসলামের দায়িত্ব নিলেন জেলা প্রশাসন - সময় সংবাদ | Popular Bangla News Portal

Breaking

Post Top Ad

Responsive Ads Here

বুধবার, মে ০৯, ২০১৮

চরভদ্রাসনের দরিদ্র মেধাবী সুরাইয়া ইসলামের দায়িত্ব নিলেন জেলা প্রশাসন

চরভদ্রাসন প্রতিনিধি:
ফরিদপুরের চরভদ্রাসন উপজেলার আদর্শ মাধ্যমিক বিদ্যালয়ের মানিবক বিভাগ থেকে এ বছর এসএসসি পরীক্ষায় এ প্লাস পাওয়ার পরও দারিদ্রের কষাঘাতে সুরাইয়া ইসলাম লেখাপড়া চালিয়ে যাওয়া নিয়ে অনিশ্চয়তায় ভুগছিলেন। বুধবার স্থানীয় ‘দৈনিক ভোরের প্রত্যাশা’ জনপ্রীয় অনলাইন ‘সময় সংবাদ’ দৈনিক সময়’ পত্রিকায় প্রতিবেদন মূলক সংবাদ প্রকাশের পর সুরাইয়া ইসলামের লেখাপড়ার দায়িত্ব নিয়েছেন ফরিদপুর জেলা প্রশাসন। সুরাইয়া ইসলামের একাদশ শ্রেনীতে বীনামূল্যে ভর্তি, বই পুস্তক প্রদান, খন্ডকালিন অনুদান ও মাসিক বৃত্তির ব্যবস্থা করেছেন সংশ্লিষ্ট জেলা প্রশাসন।
এতে জেলা প্রশাসনের প্রতি অতিকৃতজ্ঞতা প্রকাশ করে বুধবার সুরাইয়া ইসলামের দরিদ্র পিতা মোঃ ইছাহাক খান বলেন, “ আমাদের মমতাময়ী জেলা প্রশাসক উম্মে সালমা তানজিয়া সব সময়ই আমাদের খোঁজ খবর রাখেন। সেই সুবাদে আমার মত হতদরিদ্র পরিবারের মেয়ের লেখাপড়া চালিয়ে যাওয়ার ভারবোঝা নিয়েছেন। তাই জেলা প্রশাসক মহোদয় সহ দুঃখী বান্ধব এ সরকারের কাছে আমরা আজীবন কৃতজ্ঞ থাকবো”।
    আর জেলা প্রশাসক উম্মে সালমা তানজিয়া জানান, “ মিডিয়ার মাধ্যমে সুরাইয়ার কথা জানতে পারি। তাৎক্ষণিক উপজেলা নির্বাহী অফিসারকে সুরাইয়ার লেখা  পড়ার জন্য সব ধরনের সহযোগীতার ব্যবস্থা গ্রহনের নির্দেশনা দিয়েছি। তিনি আরও জানান, দরিদ্র ও মেধাবী শিক্ষার্থীদের পাশে ফরিদপুর জেলা প্রশাসন সব সময় থাকবে”। একই দিন উপজেলা নির্বাহী অফিসার কামরুন নাহার বলেন, “জেলা প্রশাসক স্যারের নির্দেশনা অনুযায়ী তাৎক্ষনিক ভাবে সুরাইয়াকে উপজেলা পরিষদ থেকে চার হাজার টাকা শিক্ষা সহায়তা ভাতা প্রদানের ব্যবস্থা করেছি এবং চরভদ্রাসন সরকারি কলেজে বীনামূল্যে ভর্তি, বই পুস্তক প্রদান সহ দরিদ্র তহবিল থেকে মাসিক বৃত্তি প্রদানের ব্যবস্থা করেছি”। চরভদ্রাসন সরকারি কলেজের অধ্যক্ষ প্রফেসর শীলা রানী মন্ডল বলেন, “ শুধুমাত্র আর্থিক বা শিক্ষা সরঞ্জাম সহায়তা নয়, অত্র কলেজের দরিদ্র মেধাবীদের পাঠদানের উপরও বিশেষ তদারকি করা হবে”।
পারিবারিক সূত্রে জানা যায় চার বোনের মধ্যে সুরাইয়া তৃতীয়। বড় বোন মারজান নাহার সরকারী রাজেন্দ্র কলেজে বাংলা বিভাগে এম.এ. শ্রেনীতে অধ্যায়নরত আছে, মেজো বোন পপি আক্তার একই বিশ্ববিদ্যালয়ের সমাজ বিজ্ঞান বিভাগে সম্মান দ্বিতীয় বর্ষে এবং ছোট বোন জান্নাতুল ইসলাম দ্বিতীয় শ্রেনীতে পড়াশুনা করেন। তাদের পিতা মোঃ ইছাহাক খান উপজেলা সদর বাজারে ছোট্ট মুদি ব্যবসা থেকে সামান্য আয় দিয়ে কোনোমতে সংসার চলে আসছে।

Post Top Ad

Responsive Ads Here