![]() |
| পরকিয়ায় ৮ মাসের গর্ভবতী |
হারুন অর রশিদ দোয়ারাবাজার প্রতিনিধিঃসুনামগঞ্জ জেলার দোয়ারাবাজার উপজেলার মান্নার গাও ইউনিয়নের কাটাখালী বাজারের পাশে কামার গাও গ্রামের ডুবাই প্রবাসী আঙুর মিয়ার স্ত্রী শিল্পী বেগম স্বামী বিদেশে থাকার সুযোগে পরকিয়া প্রেমে হাবুডুবু খাচ্ছে। পরিবার থেকে বার বার বাধা নিশেধ দিলেও শিল্পী তার প্রেমিক সুহেল মিয়ার সাথে অবৈধ মেলা মেশা চালিয়ে ৮ মাসের গর্ভবতী হয়ে পরে। জানা যায়,৫ বছর আগে নোয়া গাও ইদন পুর নিবাসী মমশর আলীর মেয়ে শিল্পী বেগমের সাথে কামার গাও নিবাসী মৃত মুজাহিদ আলীর পুত্র আঙুর মিয়ার সাথে তার বিয়ে হয়। তাদের ৪ বছরের একটি মেয়ে সন্তান ও রয়েছে।
প্রেমিকের সাথে মেলামেশা করার জন্য শিল্পী তার স্বামীর বাড়ীতে না থেকে কাটাখালী বাজারে প্রেমিক সুহেলের দোকানের পাশে ঘর বাড়া করে বসবাস করত। বিষয় টি এলাকায় ব্যাপক ভাবে সমালোচনা হওয়ার পর,
সোমবার বিকালে মান্নার গাও ইউপি চেয়ারম্যান এর মাধ্যমে সালিশ বৈঠক অনুষ্টিত হয়। সালিশ বৈঠকে প্রেমিক যুগলকে আলাদা ভাবে জিঙ্গাসা বাদ করলে তারা দূজনে বলে ১ বছর যাবত তারা পরকিয়া প্রেমে অবৈধ মেলামেশা করে আসছে, বর্তমানে শিল্পী বেগম ৮ মাসের গর্ভবতী। সালিস বৈঠকে তার স্বামী আঙুর মিয়ার সাথে মোবাইল ফোনে যোগাযোগ করলে আঙুর মিয়া তার স্ত্রী শিল্পী বেগমকে তালাক প্রদান করলে। একই বৈঠকে মান্নার গাও ইউনিয়নের কাজী ডেকে শিল্পীর নতুন প্রেমিক সুহেল মিয়ার সাথে ৫ লাখ টাকা দেনমোহরের মাধ্যমে বিয়ে হয়।
এ ব্যাপারে প্রেমিক সুহেলকে জিঙ্গাসা করলে সে তার প্রেমিকা শিল্পীর সাথে পরকিয়া প্রেম অবৈধ মেলামেশার মাধ্যমে শিল্পীকে ৮ মাসের গর্ভবতীও বিয়ের কথা স্বীকার করে।
ডুলপশি নিবাসী মুসলিম আলী বলেন,
উপজেলার সুরমা ইউনিয়নের কদম তলী গ্রামের রিপাত আলীর পুত্র সুহেল একজন
লুচ্ছা সে ডুবাই প্রবাসী আঙুরের বউকে নানা প্রলুবন দেখিয়ে অবৈধ মেলামেশা করে গর্ভবতী করে।
এ ব্যাপারে মান্নার গাও ইউপি চেয়ারম্যান আবু হেনা আজিজ বলেন, বিষয়টি খুবই জগণ্য তাই এলাকা বাসীকে সাথে নিয়ে ৫ লাখ টাকা দেনমোহরের মাধ্যমে প্রেমিক প্রেমিকাকে বিয়ে পরাই।

