মোস্তাফিজুর রহমান,গোবিন্দগঞ্জ (গাইবান্ধা)প্রতিনিধি -গাইবান্ধার গোবিন্দগঞ্জে পূর্ব শত্রুতার জেরে ক্ষতিকারক (প্যারাকট গ্রুপের) কীটনাশক স্প্রে করে কৃষকের বার বিঘা জমির ধান নষ্ট করেছে ফেলেছে দূর্বৃত্তরা।
জানা গেছে, গোবিন্দগঞ্জ উপজেলার কামদিয়া ইউনিয়নের পুয়াগাড়ী গ্রামের মৃত আবদুল আজিজ মন্ডলের ছেলে আবদুস ছামাদ তার পৈত্রিক সূত্রে পাওয়া প্রায় দশ একর জমি বিভিন্ন ধরনের ফসল চাষাবাদ করে আসছেন। দীর্ঘদিন থেকে ছামাদের ওয়ারিশদের সঙ্গে জমি নিয়ে বিরোধ চলে আসছিল। এরই এক পর্যায়ে শনিবার দিবাগত রাতের কোন এক সময় কৃষক ছামাদের ধাওয়াচিলা মৌজার বার বিঘা জমিতে (প্যারাকট গ্রুপের) কীটনাশক স্প্রে করে বার বিঘা জমির ধান নষ্ট করেছে ফেলে দূর্বৃত্তরা। ধান নষ্ট করে ফেলায় ছামাদের স্ত্রী জাহানা বেগম অসুস্থ্য হয়ে শয্যাশায়ি হয়ে পড়েছেন। একমাত্র কৃষি ফসলের উপর নির্ভরশীল তার পরিবার। তার এ অপূরনীর ক্ষতি হওয়ায় ভেঙ্গে পড়েছেন তিনি। কান্না জনিত কন্ঠে আবদুস ছামাদ জানান, তার ধানের জমিতে প্রায় ফলন আসত আড়াইশ’ মন। যার আনুমানিক বাজার মূল্য ২ লক্ষাধিক টাকা। তিনি বলেন, এমন ক্ষতি হওয়ায় তার স্ত্রী অসুস্থ্য হয়ে পড়েছেন। ছামাদ আরো বলেন, গত মৌসুমে তার ছয় একর জমির আলুতে এমন স্প্রে করে নষ্ট করেছিল দূর্বত্তরা। এ ঘটনায় এলাকার লোকজনের মাঝে চরম ক্ষেভের সৃষ্টি হয়েছে। জালাল ফকির নামের স্থানীয় কৃষক বলেন, ছামাদের জমি ভেবে তার জমিতের কিছু অংশে স্প্রে করা হযেছে। তিনি জানান, যত বড় শত্রুই হোক না কেন ফসলের এমন ক্ষতি মেনে নেওয়া যায়না। সুষ্ট তদন্তপূর্বক দোষিদের আইনের আওতায় এনে দৃষ্টান্তমূলক শাস্তি দেওয়া দরকার। এ রিপোর্ট লেখা পর্যন্ত থানায় মামলার প্রস্তুতি চলছিল। মুঠোফোনে ৪নং ওয়ার্ডের ইউপি সদস্য হুমায়ন জানান, তিনি এলাকার বাহিরে আছেন। সংশ্লিষ্ট প্রশাসনের উদ্দেশ্যে তিনি বলেন, ঘটনার সাথে যেই জড়িত থাকুক না কেন তাকে খুঁজে বের করে আইনের আওতায় এনে বিচারের দাবী করছি।

