পান্না,নাগরপুর থেকে- ঝরে পড়া শিশুদের জন্য বিশ্বব্যাংক ও বাংলাদেশ সরকারের অর্থায়নে ২০১১ সালে প্রতিষ্ঠিত করা হয় আনন্দ স্কুল ।
এরই ধারাবাহিকতায় টাঙ্গাইলের নাগরপুর উপজেলায় প্রতিষ্ঠিত করা হয় বেশ কিছু আনন্দ স্কুল। প্রতিটি স্কুলে একজন করে শিক্ষক নিয়োগ করা হয় । ছয় মাস পর এ প্রকল্পের বরাদ্দ আসে । শিক্ষার্থীদের প্রয়োজনীয় উপকরণ বাবদ প্রতিটি স্কুলে ছয় মাস পর ৪,২০০ টাকা , এক বছর পর প্রতিটি শিক্ষার্থীদের পোশাকের জন্য ৪০০ টাকা , ঘরভাড়া বাবদ ১২০০ টাকা এবং প্রতি ছয় মাস পর একজন শিক্ষককে ১২ হাজার টাকা বেতন দেওয়া হয়। নাগরপুরের কিছু আনন্দ স্কুলে ঘুরে দেখা যায় প্রায় স্কুল গুলো ঘর মালিক নিজেই ব্যবহার করছে , স্কুল না বাড়ী তা চিহিৃত করার উপায় নাই। অথচ নির্দেশ ছিল শিক্ষক গন সকাল ৯ টা হতে ৩ টা পর্যন্ত ক্লাস নেওয়ার। সংশ্লিষ্ট কিছু আনন্দ স্কুলের পাশাপাশি বসতকারীদের সাথে আলোচনা করে জানা যায় যে আনন্দ স্কুল দিয়ে কোন সফলতাই আসে নাই । শিক্ষকরা শুধু বেতন উঠিয়ে নেয় ,কোন দিন ক্লাস করাতে দেখি না। প্রথম পর্যায়ে কিছুদিন ক্লাসে দেখা যেত। দেখা হল নাগরপুরের দপ্তিয়ার ইউনিয়নের বাগকাটারী গ্রামের জাহাঙ্গীর আলমের সাথে , সে বললঃ- আমার বাড়ীর পাশেই একটি আনন্দ স্কুল আছে , এ স্কুলে শিক্ষিকা অন্য এক জায়গায় চলে গেছে এ স্কুলে ছেলেমেয়েরা স্কুলে আসে না। স্কুল ঘরটি প্রায় সময়ই তালাবদ্ধ দেখি।

