কুতুব উদ্দিন রাজু,চট্টগ্রাম: জাতির জন্য জাতীয় চারনেতা জেলখানায় জীবন বিসর্জন পৃথিবীর ইতিহাসে বিরল-- চট্টগ্রাম সাহিত্য পাঠচক্রের উদ্যোগে জেল হত্যা দিবস স্মরণে এক আলোচনা সভা গত ৫ নভেম্বর সংগঠনের আহবায়ক বাবুল কান্তি দাশের সভাপতিত্বে নগরীর চট্টগ্রাম একাডেমী মিলনায়তনে অনুষ্ঠিত হয়।
এতে প্রধান অতিথি হিসেবে উপস্হিত ছিলেন রূপালী ব্যাংকের পরিচালক,চট্টগ্রাম প্রেসক্লাবের সাবেক সভাপতি সাংবাদিক আবু সুফিয়ান।সংগঠনের সচিব আসিফ ইকবালের পরিচালনায় এতে প্রবন্ধ পাঠ করেন লেখক সজল চৌধুরী। আলোচক হিসেবে আলোচনা করেন সার্ক মানবাধিকার ফাউন্ডেশন কেন্দ্রীয় সহ সভাপতি লায়ন মোঃ জাফর উল্লাহ এমজেএফ,ত্রিপুরা ভারত আগত বিশিষ্ট শিক্ষাবিদ লেখক ও গবেষক ড.দেবব্রত দেবরায়,বিশিষ্ট লেখক,প্রকাশক ও আইনজীবী রাখাল মজুমদার,বিশিষ্ট কবি,ছড়াকার রতন আচার্য্য,শিলিগুড়ি পশ্চিমবঙ্গের কবি সুলেখা মজুমদার,ত্রিপুরার বিশিষ্ট কবি নিভা চৌধুরী,আগরতলার মৌমিতা প্রকাশনের প্রকাশক সোমা মজুমদার,,সাবেকমন্ত্রী জহুর আহমদ চৌধুরী ফাউন্ডেশনের পরিচালক শরফুদ্দীন চৌধুরী রাজু, ফুলকলির জেনারেল ম্যানেজার এম,এ,সবুর,ভারত থেকে আগত কবি শ্রীমতি সন্ধা ভৌমিক,কবি,জ্যোতির্ময় রায়,বিশিষ্ট কবি ও প্রাবন্ধিক মন্টু দাশ,গুয়াহাটি ভারত থেকে কবি শ্রীমতি রীতা ররুয়া,ত্রিপুরার কবি বিশিষ্ট কবি মৌসুমী কর,বিশিষ্ট নাট্যশিল্পীও উপস্হাপিকা নন্দিতা ভট্টাচার্য,বিশিষ্ট কবি সুদীপ্তা দেবনাথ, লবাড়ি অসম ভারত থেকে আগত কবি শ্রী বিপুল কান্তি দত্ত, ত্রিপুরার কবি ও উপস্হাপিকা শ্রীমতি সঞ্চিতা পালএকুশে মেলার সংগঠক শওকত আলী সেলিম,চকবাজার থানা আওয়ামীলীগের সাংগাঠনিক সম্পাদক অমর দত্ত,ডাঃ জামাল উদ্দীন, শিক্ষাবিদ মানস দাশ গুপ্ত আবৃত্তিশিল্পী দিলরুবা খানম, শবনম ফেরদৌসী, ডাঃ বরুণ কুমার আচার্য বলাই,কবি সজল দাশ,সংগঠক রতন দাশগুপ্ত, সাবেক ছাত্রনেতা সালাউদ্দীন,নুরুল হুদা চৌধুরী,প্রকৌশলী টি,কে,সিকদার,নারায়ন দাশ,সৈয়দা শাহানা আরা বেগম, রুমকি সেনগুপ্তা, চৌধুরী,বোরহান উদ্দীন গিফারী, রাজীব চক্রবর্তী,কুতুব উদ্দীন রাজু ,সুমন চৌধুরী,রতন ঘোষ,সাইফুল আরাফাত বাপ্পা, সিহাব, মানিক।
সভায় প্রধান অতিথি তার বক্তব্যে বলেন জাতির জনক বঙ্গবন্ধুর চার বিশ্বস্তনেতা জাতির দুঃর্দিনের কান্ডারী,মুজিব নগর সরকারের অস্হায়ী রাষ্ট্রপতি সৈয়দ নজরুল ইসলাম,প্রধানমন্ত্রী শহীদ তাজউদ্দীন,মুজিবনগর সরকারেরমন্ত্রী ক্যাপ্টেন মনসুর আলী ও এইচ,এম,কামরুজ্জামানকে সেদিন পাকিস্তানের পেতাতœরা জেলখানায় হত্যা করে মুলত এদেশ থেকে বঙ্গবন্ধুর আদর্শ ও স্বাধীনতার চেতনা ভুলুন্ঠিত করতে চেয়েছিল।
পাকিস্তানের পরাজিত শক্তিরা ৭৫ সালের ১৫ আগষ্ট জাতির জনক বঙ্গবন্ধুকে স্বপরিবারে হত্যা করে ক্ষান্ত হননি। ৩ রা নভেম্বর জেল খানায় জাতীয় চারনেতাকেও তারা নির্মমভাবে হত্যা করে এদেশকে একটি পাকিস্তানী ভাবধারার রাষ্ট্রে পরিণত করতে চেয়েছিল।
জাতীয় চারনেতা সেদিন জাতির জন্য, বঙ্গবন্ধুর আদর্শের প্রতিদান জীবন বিসর্জন করে বাঙালী জাতিকে ঋণী করেছেন।সভায় বক্তারারা তাদের এই আতœত্যাগের অবদান কখনো ভুলার নয়।বাঙালী জাতির ইতিহাসে জাতীয় চারনেতার অবদান ইতিহাসের স্বর্ণাক্ষরে লেখা থাকবে। জাতীয় চারনেতার আতœত্যাগের মর্যাদা ও বাংলাদেশের স্বাধীনতাকে সমুজ্জ্বল রাখতে আগামী নির্বাচনেও নৌকা প্রতীককে বিজয়ী করে বঙ্গবন্ধুকন্যাকে পুনরায় প্রধানমন্ত্রীত্বের সুযোগ দানের আহবান জানান।সভার শুরুতে জাতির জনক বঙ্গবন্ধু,জাতীয় চারনেতা, সকল শহীদ মুক্তিযোদ্ধাদের আতœার মাগফেরাক কামনায় নিরবতা পালন করা হয়।

