ফরিদপুর :
আল্লাহ্ আর মুহাম্মাদ আদম, এক দমে তিন জনে মিলে, দমের মালা গলে....... যে জন জপে জমের মালা সে তুলে কাবাতুল্লাহ..... রাত তখন ১০টা পার করে ১১টার ঘরে। আকাশের বুকে চাঁদ জ্যোৎ¯œা তখন বিস্তৃত ¯িœগ্ধ পরশে-পরশে কি যেন বলার মহুনায়। ফরিদপুর শহর থেকে ১৫ কিলোমিটার দুরে ফরিদপুরের সদর উপজেলার চন্ডিপুরে শাহ ছব্দুল চাঁন দায়রা পাক দরবার শরীফে সাধু সংঘ ও লালন-পাঞ্জু শাহ্রে ঘারানার উৎসব চলছে এমন সংবাদ মুঠোফোনে পেয়ে আমি আর সহযোদ্ধা টিটু ছুটলাম সুরের মুচ্ছর্নায় নিজেদের আপ্লুত করার নেশায়।
দ্বি-চক্র যানে পৌঁছালাম সেখানে হাজারো নারী পুরুষ আধ্যাত্মিক সুফিবাদের প্রেম দর্শনে মানুষ প্রীতির মানবতার চাদরে একাকার সকল। মঞ্চ থেকে উল্লেখিত গানের কণ্ঠধ্বনী আমাদেরকে মুগ্ধ করলো। আমরা মাঝ রাত পর্যন্ত ডুবে গেলাম সুরের মোর্চনায়। এই আয়োজনের সমস্ত গান কবিতার নিবেদনে উঠে এলো পরম ঈশ্বর বন্দনা, মানুষ হয়ে মানুষের মধ্যে আপন মানুষকে খোঁজা দেহ ভান্ড থেকে লোভ লালসা হিংসা বিদ্বেস হানাহানি দূর করার অনন্য উপাদান। সুচনা সংগীতে সকলকে মুগ্ধ করলেন কবি আল ফকির আবুল সরকার ফরিদপুরি ও আবু সাঈদ বয়াতী। এরপর কবি গুরু রবিন্দ্র নাথ ঠাকুরের কবিতা আবৃত্তি নিয়ে মঞ্চে আসেন প্রখ্যাত নাট্য পরিচালক ইসরাত শিউলি। স্ব-রচিত কাহিনীর পুঁথিপাট নিয়ে মঞ্চে আসেন এ্যাথেন্স সাওন দেশ থেকে হারিয়ে যাওয়া বাঙালীর এই লোকোজ সাংস্কৃতিক উপস্থাপন সকলকেই মুগ্ধ করে তোলে। এরপর নানা আঙ্গিকের আধ্যাতিক গান বিশ্লেষণ, কবিয়াল শৈল্পিক উচ্চারণ একে অপরের মধ্যে গাথার প্রেমে একাকার করে দেয়। শাহ্ মো. কালু শেখের মহা প্রয়ান দিবস উপলক্ষ্যে শুক্রবার থেকে শনিবার ভোর রাত পর্যন্ত দুদিন ব্যাপি এই আয়োজনে দেশের বিভিন্ন অঞ্চলের সাধক শিল্পীরা অংশ নেন।
আল্লাহ্ আর মুহাম্মাদ আদম, এক দমে তিন জনে মিলে, দমের মালা গলে....... যে জন জপে জমের মালা সে তুলে কাবাতুল্লাহ..... রাত তখন ১০টা পার করে ১১টার ঘরে। আকাশের বুকে চাঁদ জ্যোৎ¯œা তখন বিস্তৃত ¯িœগ্ধ পরশে-পরশে কি যেন বলার মহুনায়। ফরিদপুর শহর থেকে ১৫ কিলোমিটার দুরে ফরিদপুরের সদর উপজেলার চন্ডিপুরে শাহ ছব্দুল চাঁন দায়রা পাক দরবার শরীফে সাধু সংঘ ও লালন-পাঞ্জু শাহ্রে ঘারানার উৎসব চলছে এমন সংবাদ মুঠোফোনে পেয়ে আমি আর সহযোদ্ধা টিটু ছুটলাম সুরের মুচ্ছর্নায় নিজেদের আপ্লুত করার নেশায়।
দ্বি-চক্র যানে পৌঁছালাম সেখানে হাজারো নারী পুরুষ আধ্যাত্মিক সুফিবাদের প্রেম দর্শনে মানুষ প্রীতির মানবতার চাদরে একাকার সকল। মঞ্চ থেকে উল্লেখিত গানের কণ্ঠধ্বনী আমাদেরকে মুগ্ধ করলো। আমরা মাঝ রাত পর্যন্ত ডুবে গেলাম সুরের মোর্চনায়। এই আয়োজনের সমস্ত গান কবিতার নিবেদনে উঠে এলো পরম ঈশ্বর বন্দনা, মানুষ হয়ে মানুষের মধ্যে আপন মানুষকে খোঁজা দেহ ভান্ড থেকে লোভ লালসা হিংসা বিদ্বেস হানাহানি দূর করার অনন্য উপাদান। সুচনা সংগীতে সকলকে মুগ্ধ করলেন কবি আল ফকির আবুল সরকার ফরিদপুরি ও আবু সাঈদ বয়াতী। এরপর কবি গুরু রবিন্দ্র নাথ ঠাকুরের কবিতা আবৃত্তি নিয়ে মঞ্চে আসেন প্রখ্যাত নাট্য পরিচালক ইসরাত শিউলি। স্ব-রচিত কাহিনীর পুঁথিপাট নিয়ে মঞ্চে আসেন এ্যাথেন্স সাওন দেশ থেকে হারিয়ে যাওয়া বাঙালীর এই লোকোজ সাংস্কৃতিক উপস্থাপন সকলকেই মুগ্ধ করে তোলে। এরপর নানা আঙ্গিকের আধ্যাতিক গান বিশ্লেষণ, কবিয়াল শৈল্পিক উচ্চারণ একে অপরের মধ্যে গাথার প্রেমে একাকার করে দেয়। শাহ্ মো. কালু শেখের মহা প্রয়ান দিবস উপলক্ষ্যে শুক্রবার থেকে শনিবার ভোর রাত পর্যন্ত দুদিন ব্যাপি এই আয়োজনে দেশের বিভিন্ন অঞ্চলের সাধক শিল্পীরা অংশ নেন।

