সময় সংবাদ ডেস্ক//
সিলেটে আটক জঙ্গিদের নিয়ে নগরীর টিলাগড়ের শাপলাবাগ ৩ নম্বর সড়কের ‘শাহ ভিলায়’ অভিযান চালাচ্ছে আইনশৃঙ্খলা বাহিনী। ‘কম্পিউটার প্রশিক্ষণ সেন্টার’ খোলার কথা বলে এ বাড়ির নিচতলায় বাসা ভাড়া নিয়েছিল জঙ্গিরা।
মঙ্গলবার রাতে আটক জঙ্গি নাঈম ও সায়েমকে নিয়ে টিলাগড়ের ‘শাহ ভিলা’র ভাড়া বাসায় অভিযান চালানো হয়।
‘শাহ ভিলা’র মালিক শাহ মো. শামদ আলী জানান, দুই মাস আগে নাঈম ও সায়েম তার কাছে এসে বাসা ভাড়া নেয়ার বিষয়ে আলাপ করে। ওই সময় তারা ‘কম্পিউটার প্রশিক্ষণ সেন্টার’ খোলার কথা বলে এক মাসের ভাড়া অগ্রিম দিয়ে দেয়। চুক্তিপত্র তৈরি করে কয়েকদিন পরে আসার কতা বলে তারা চলে যায়। মাসখানেক তারা আর যোগযোগ করেনি। হঠাৎ গত মাসের ২ তারিখে নাঈম ও সায়েম এসে আরো একমাসের ভাড়া দিয়ে যায়।
তিনি আরো জানান, ‘শাহ ভিলা’ নতুন বাসা। প্রায় সব ফ্ল্যাটই খালি। প্রথম আলোচনায় নাঈম ও সায়েম বলে এমসি কলেজের ৪-৫ জন শিক্ষার্থী মিলে একটি কম্পিউটার প্রশিক্ষণ সেন্টার খুলবে। এ কথা বলেই চারতলা বাসার নিচতলায় একটি ইউনিট ভাড়া নেয় তারা।
এর আগে, জালালাবাদ আবাসিক এলাকার ৪৫/১০ নম্বর বাসা থেকে বোমা শক্তিশালী বোমা, বোমা তৈরির সরঞ্জাম ও কম্পিউটার, ইলেকট্রনিক ডিভাইস উদ্ধার করে কাউন্টার টেররিজম ইউনিট, পুলিশ ও র্যাব।
সিলেট মেট্রোপলিটন পুলিশের শাহপরান থানার এসআই সোহেল রানা জানান, জালালাবাদ আবাসিক এলাকার ওই বাসা থেকে উদ্ধার হওয়া কম্পিউটারে বোমা তৈরির বেশকিছু ভিডিও পাওয়া গেছে।
রোববার রাতে নগরীর মিরাবাজারের উদ্দিপনের ৫১ নম্বর বাসা থেকে নব্য জেএমবির সিলেট সেক্টর কমান্ডার নাঈমুজ্জামানসহ পাঁচজনকে আটক করে কাউন্টার টেররিজম ইউনিট। মঙ্গলবার সকালে তাদের ঢাকায় নেয়া হয়েছে।
কাউন্টার টেরোরিজম অ্যান্ড ট্রান্সন্যাশনাল ক্রাইম ইউনিটের উপ-কমিশনার সাইফুল ইসলাম জানান, নাঈমুজ্জামান নব্য জেএমবির সিলেট আঞ্চলিক কমান্ডার। তিনি শাহজালাল বিজ্ঞান ও প্রযুক্তি বিশ্ববিদ্যালয়ের ছাত্র। প্রাথমিক জিজ্ঞাসাবাদে হযরত শাহজালাল মাজারে হামলার পরিকল্পনার কথা জানিয়েছেন তিনি।


