জাহাঙ্গীর আলম, টাঙ্গাইল
টাঙ্গাইলের ঘাটাইল উপজেলার পুর্বাঞ্চলের একটি বিশাল এলাকা পাহার, একটি সময়ের অবহেলিত জনপদ হিসেবে পরিচিত ছিল। কালের বিবর্তনে আজ এই এলাকা শক্তিশালী অর্থনৈতিক অঞ্চলে পরিণত হয়েছে। তার মধ্যে অর্থনীতিতে মুল ভুমিকা রাখছে বিভিন্ন প্রকারের সবজি চাষ। বর্তমানে এই অঞ্চলের মানুষ বেকারত্ব ঘুছিয়ে স্বনির্ভর হয়েছেন, পেয়েছেন অর্থনৈতিক মুক্তি।
জানা যায়, ঘাটাইলের পাহাড়ি অঞ্চলে সবজি চাষ করে অর্থনীতিতে বিশেষ ভুমিকা রাখছে এই এলাকার কৃষক। এলাকার ফুলমালির চালা, আশারিয়া চালা, কামালপুর, পাগারিয়া, আমতলা, সলিংবাজার, সানেবান্ধা, সাগরদিঘী সহ বিভিন্ন অঞ্চলে সবজি চাষ হচ্ছে। এসব সবজির মধ্যে কলা, পেপে, শশা, বেগুন, সীম, কুমড়া, লাউ, করলা সহ বিভিন রকমের সবজি রয়েছে। এসব সবজি দেশের বিভিন্ন অঞ্চলে রপ্তানী হচ্ছে, বিশেষ করে ঢাকার আশেপাশের অঞ্চলে সবজি চাহিদার অনেকাংশর জোগান দিচ্ছে। এ এলাকার মানুষ এই সবজি চাষের মাধ্যমে তাদের বেকারত্ব দূর করে আতœনির্ভরশীল হয়েছেন, পেয়েছেন অর্থনৈতিক মুক্তি।
ঘাটাইল কৃষি অফিস সুত্রে জানা যায়, এ এলাকায় প্রায় ২০০ থেকে ৩০০ হেক্টর জমিতে সবজি চাষ হচ্ছে। এ অঞ্চলের লোককজন সবজি বিক্রি করে বৎসরে ৪০ থেকে ৫০ লাখ টাকা আয় করছে বলে। যদিও বর্তমানে ডিমের দাম কম থাকাতে অনেক খামারী তাদের ব্যাবসা নিয়ে খুব কষ্টে দিন কাটাচ্ছে।
ঐ এলাকার মোঃ আব্দুল বাকীর জানান, একটি সময় আমাদের এলাকা অনেক পিছিয়ে ছিলো, কিন্তু বর্তমানে সবজি চাষ করে তাদের নিজেদের এবং এলাকার অর্থনৈতিক কর্মকান্ড বিশেষ ভুমিকা রাখছে।
মুরাইদ গ্রামের আবু সাইদ জানান, বর্তমানে আমাদের এলাকায় প্রচুর পরিমানে সবজি চাষ হয়, যা বিক্রি করে অনেক টাকা আয় করা সম্ভব হচ্ছে।
এ বিষযে ঘাটাইল উপজেলা কৃষি অফিসার আব্দুল মতিন বিশ্বাস জানান, আমরা পাহারি অঞ্চলে কৃষকদের কারিগরি সহায়তা দিয়ে যাচ্ছি ভালো ফলনের জন্য। অদুর ভবিষ্যতে আরো সহযোগিতা করবো যাতে তারা সবজি চাষ করে অর্থনৈতিকভাবে লাভবান হতে পারে।
টাঙ্গাইলের ঘাটাইল উপজেলার পুর্বাঞ্চলের একটি বিশাল এলাকা পাহার, একটি সময়ের অবহেলিত জনপদ হিসেবে পরিচিত ছিল। কালের বিবর্তনে আজ এই এলাকা শক্তিশালী অর্থনৈতিক অঞ্চলে পরিণত হয়েছে। তার মধ্যে অর্থনীতিতে মুল ভুমিকা রাখছে বিভিন্ন প্রকারের সবজি চাষ। বর্তমানে এই অঞ্চলের মানুষ বেকারত্ব ঘুছিয়ে স্বনির্ভর হয়েছেন, পেয়েছেন অর্থনৈতিক মুক্তি।
জানা যায়, ঘাটাইলের পাহাড়ি অঞ্চলে সবজি চাষ করে অর্থনীতিতে বিশেষ ভুমিকা রাখছে এই এলাকার কৃষক। এলাকার ফুলমালির চালা, আশারিয়া চালা, কামালপুর, পাগারিয়া, আমতলা, সলিংবাজার, সানেবান্ধা, সাগরদিঘী সহ বিভিন্ন অঞ্চলে সবজি চাষ হচ্ছে। এসব সবজির মধ্যে কলা, পেপে, শশা, বেগুন, সীম, কুমড়া, লাউ, করলা সহ বিভিন রকমের সবজি রয়েছে। এসব সবজি দেশের বিভিন্ন অঞ্চলে রপ্তানী হচ্ছে, বিশেষ করে ঢাকার আশেপাশের অঞ্চলে সবজি চাহিদার অনেকাংশর জোগান দিচ্ছে। এ এলাকার মানুষ এই সবজি চাষের মাধ্যমে তাদের বেকারত্ব দূর করে আতœনির্ভরশীল হয়েছেন, পেয়েছেন অর্থনৈতিক মুক্তি।
ঘাটাইল কৃষি অফিস সুত্রে জানা যায়, এ এলাকায় প্রায় ২০০ থেকে ৩০০ হেক্টর জমিতে সবজি চাষ হচ্ছে। এ অঞ্চলের লোককজন সবজি বিক্রি করে বৎসরে ৪০ থেকে ৫০ লাখ টাকা আয় করছে বলে। যদিও বর্তমানে ডিমের দাম কম থাকাতে অনেক খামারী তাদের ব্যাবসা নিয়ে খুব কষ্টে দিন কাটাচ্ছে।
ঐ এলাকার মোঃ আব্দুল বাকীর জানান, একটি সময় আমাদের এলাকা অনেক পিছিয়ে ছিলো, কিন্তু বর্তমানে সবজি চাষ করে তাদের নিজেদের এবং এলাকার অর্থনৈতিক কর্মকান্ড বিশেষ ভুমিকা রাখছে।
মুরাইদ গ্রামের আবু সাইদ জানান, বর্তমানে আমাদের এলাকায় প্রচুর পরিমানে সবজি চাষ হয়, যা বিক্রি করে অনেক টাকা আয় করা সম্ভব হচ্ছে।
এ বিষযে ঘাটাইল উপজেলা কৃষি অফিসার আব্দুল মতিন বিশ্বাস জানান, আমরা পাহারি অঞ্চলে কৃষকদের কারিগরি সহায়তা দিয়ে যাচ্ছি ভালো ফলনের জন্য। অদুর ভবিষ্যতে আরো সহযোগিতা করবো যাতে তারা সবজি চাষ করে অর্থনৈতিকভাবে লাভবান হতে পারে।

