জাহাঙ্গীর আলম, টাঙ্গাইল
টাঙ্গাইল সদর উপজেলার রসুলপুর বাছিরন নেছা উচ্চ বিদ্যালয়ের অবসরপ্রাপ্ত শিক্ষক অনিল কুমার দাস ও তার স্ত্রী কল্পনা রাণী দাস হত্যা মামলার রহস্য দীর্ঘ নয় মাসেও উদঘাটন হয়নি। দীর্ঘদিনেও মামলাটির কোন সুরাহা না হওয়ার কারণে গোয়েন্দা (ডিবি) পুলিশের কাছ থেকে পুলিশ সুপার সঞ্জিত কুমার রায়ের নির্দেশে রোববার মামলাটির তদন্তভার অতিরিক্ত পুলিশ সুপারের নিকট হস্তান্তর করেছেন।
পুলিশ সুপার কার্যালয় সূত্রে জানা যায়, মামলার তদন্তকারী কর্মকর্তা জেলা গোয়েন্দা (ডিবি) পুলিশের ওসি অশোক কুমার সিংহকে পরিবর্তন করে অতিরিক্ত পুলিশ সুপার (সদর সার্কেল) মো. রেজাউর রহমানকে দায়িত্ব দেয়া হয়েছে।
নিহত দম্পতির ছেলে নির্মল কুমার দাসের দাবি, আমার বাবা-মায়ের হত্যাকারী কে বা কারা? কী কারণে তাদের হত্যা করা হলো? বিগত নয় মাসেও তা জানতে পারলাম না কেন?
তিনি বলেন, অতি দ্রæত আমার বাবা-মায়ের প্রকৃত হত্যাকারীদের খুঁজে বের করে বিচারের আওতায় এনে সর্বোচ্চ শাস্তির দাবি করছি।
এ প্রসঙ্গে নতুন তদন্তকারী কর্মকর্তা অতিরিক্ত পুলিশ সুপার (সদর সার্কেল) মো. রেজাউর রহমান বলেন, আমার ওপর আস্থা রেখে এই জোড়া খুনের তদন্তভার দেয়া হয়েছে। এ মামলার তদন্তকাজ সঠিকভাবে শেষ করে এবং খুনিদের চিহ্নিত করে আইনের আওতায় আনবো।
উল্লেখ্য, ২০১৭ সালে ২৬ জুলাই রাতে টাঙ্গাইল সদর উপজেলার রসুলপুর বাছিরন নেছা উচ্চ বিদ্যালয়ের অবসরপ্রাপ্ত শিক্ষক অনিল কুমার দাস (৬৮) ও তার স্ত্রী কল্পনা রাণী দাস (৫৯) নিজ বাড়িতে খুন হন। তাদের মরদেহ নির্মাণাধীন দালানের সেপটিক ট্যাংকের ভেতর থেকে উদ্ধার করা হয়।
টাঙ্গাইল সদর উপজেলার রসুলপুর বাছিরন নেছা উচ্চ বিদ্যালয়ের অবসরপ্রাপ্ত শিক্ষক অনিল কুমার দাস ও তার স্ত্রী কল্পনা রাণী দাস হত্যা মামলার রহস্য দীর্ঘ নয় মাসেও উদঘাটন হয়নি। দীর্ঘদিনেও মামলাটির কোন সুরাহা না হওয়ার কারণে গোয়েন্দা (ডিবি) পুলিশের কাছ থেকে পুলিশ সুপার সঞ্জিত কুমার রায়ের নির্দেশে রোববার মামলাটির তদন্তভার অতিরিক্ত পুলিশ সুপারের নিকট হস্তান্তর করেছেন।
পুলিশ সুপার কার্যালয় সূত্রে জানা যায়, মামলার তদন্তকারী কর্মকর্তা জেলা গোয়েন্দা (ডিবি) পুলিশের ওসি অশোক কুমার সিংহকে পরিবর্তন করে অতিরিক্ত পুলিশ সুপার (সদর সার্কেল) মো. রেজাউর রহমানকে দায়িত্ব দেয়া হয়েছে।
নিহত দম্পতির ছেলে নির্মল কুমার দাসের দাবি, আমার বাবা-মায়ের হত্যাকারী কে বা কারা? কী কারণে তাদের হত্যা করা হলো? বিগত নয় মাসেও তা জানতে পারলাম না কেন?
তিনি বলেন, অতি দ্রæত আমার বাবা-মায়ের প্রকৃত হত্যাকারীদের খুঁজে বের করে বিচারের আওতায় এনে সর্বোচ্চ শাস্তির দাবি করছি।
এ প্রসঙ্গে নতুন তদন্তকারী কর্মকর্তা অতিরিক্ত পুলিশ সুপার (সদর সার্কেল) মো. রেজাউর রহমান বলেন, আমার ওপর আস্থা রেখে এই জোড়া খুনের তদন্তভার দেয়া হয়েছে। এ মামলার তদন্তকাজ সঠিকভাবে শেষ করে এবং খুনিদের চিহ্নিত করে আইনের আওতায় আনবো।
উল্লেখ্য, ২০১৭ সালে ২৬ জুলাই রাতে টাঙ্গাইল সদর উপজেলার রসুলপুর বাছিরন নেছা উচ্চ বিদ্যালয়ের অবসরপ্রাপ্ত শিক্ষক অনিল কুমার দাস (৬৮) ও তার স্ত্রী কল্পনা রাণী দাস (৫৯) নিজ বাড়িতে খুন হন। তাদের মরদেহ নির্মাণাধীন দালানের সেপটিক ট্যাংকের ভেতর থেকে উদ্ধার করা হয়।

