মাজহারুল ইসলাম শিপলু,মির্জাপুর টাঙ্গাইল প্রতিনিধিঃ,
টাঙ্গাইলের মির্জাপুর উপজেলার জামুর্কী ইউনিয়নের চুকুরিয়া গ্রামের আশরাফ মোল্লা ৭ বছর আগে নিজের পৈত্রিক সম্পত্তি বিক্রি ও টাকা ধার করে ভাগ্য পরিবর্তনের জন্য পাড়ি জমিয়েছিলেন কাতার। কিন্তু ভাগ্য সহায় হয়নি। বেতন ছিল মাত্র ১০ হাজার টাকা, সেখানে কাজ করেছেন ৩ বছর। এই দীর্ঘ সময় শেষে নিজের অর্জন শূণ্য। উল্টো হয়ে আছেন দায়গ্রস্থ। সরজমিনে গিয়ে আশরাফ মোল্লার পরিবারের সাথে কথা হলে এভাবেই বর্নণা করেন। আর তাছাড়া তাদের বসত করা জড়াজীর্ণ ঘরটিও প্রমাণ করে। এদিকে বিদেশ যাওয়ার সময় সেই জায়গা বিক্রি করা টাকার ২৪ হাজার টাকা পাওনা ছিলেন পাশ^বর্তী গ্রামের আঃ ছবুরের কাছে। সেই টাকা দেই দিচ্ছি করে ছবুর পাড় করেছে দীর্ঘ সময়। স্থানীয় ভাবে বিষয়টি সমাধান করার চেষ্টা করেও ব্যর্থ হয় আশরাফ মোল্লা। সর্বশেষ গত ২৬ মে শনিবার বাড়ির সামনে দেখা হয় আঃ ছবুরের সাথে। পাওনা টাকা চাওয়ায় কথা কাটাকাটি তারপর এক পর্যায়ে মারামারি। অন্ডকোষে আঘাত প্রাপ্ত হয় আশরাফ, নিয়ে যাওয়া হয় টাঙ্গাইল জেনারেল হাসপাতালে। কিন্তু কর্তব্যরত ডাক্তার তাকে মৃত ঘোষনা করে। স্ত্রী আর নাবালক দুই সন্তান রেখে আশরাফ এখন পড়পাড়ে। ৯ম শ্রেণীতে পড়া বড় ছেলে মিজানের বয়স ১৫, ৬ষ্ঠ শ্রেনীতে পড়া কণ্যা ফাতেমার বয়স ১২। আশরাফই ছিলেন এই পরিবারের একমাত্র উপার্জনক্ষম ব্যক্তি। এখন নিহত আশরাফ মোল্লার রেখে যাওয়া পরিবারের চোখে শুধুই অনিশ্চয়তা আর হতাশার অন্ধকার।
এ ঘটনায় মির্জাপুর থানায় নিহত আশরাফ মোল্লার স্ত্রী মর্জিনা বাদী হয়ে ছবুর সহ ৬ জনের বিরুদ্ধে একটি মামলা দায়ের করেছেন। মামলা নং-২৯ (০৫)১৮।
ঘটনার ৮দিন অতিবাহিত হওয়ার পর, এমন অবস্থায় মামলার ১ম আসামী ছবুরসহ অন্যান্যরা গ্রেফতার না হওয়ায় আশরাফ মোল্লার পরিবার ও এলাকাবাসীদের মধ্যে চরম ক্ষোভ ও হতাশা বিরাজ করছে। আসামীদের দ্রæত গ্রেফতার ও আঃ ছবুরের দৃষ্টান্তমূলক শাস্তির দাবিতে গতকাল মানববন্ধন করেছে উপজেলার ২নং জামুর্কী ইউনিয়ন চুকুরিয়া গ্রামবাসী। ভবিষ্যৎ অনিশ্চতায় অসহায় কন্ঠে তাদের বাবার হত্যার বিচার দাবী করেছে আশরাফ মোল্লার দুই নাবালক সন্তান।
এ ব্যাপারে মির্জাপুর থানা অফিসার ইনচার্জ একেএম মিজানুল হক বলেন, এ ঘটনায় মামলার ২ নম্বর আসামীকে গ্রেফতার করে জেল হাজতে পাঠানো হয়েছে বাকি আসামীদের খুব দ্রæতই গ্রেফতার করে বিচারের মুখোমুখী করা হবে তিনি উল্লেখ করেন।
টাঙ্গাইলের মির্জাপুর উপজেলার জামুর্কী ইউনিয়নের চুকুরিয়া গ্রামের আশরাফ মোল্লা ৭ বছর আগে নিজের পৈত্রিক সম্পত্তি বিক্রি ও টাকা ধার করে ভাগ্য পরিবর্তনের জন্য পাড়ি জমিয়েছিলেন কাতার। কিন্তু ভাগ্য সহায় হয়নি। বেতন ছিল মাত্র ১০ হাজার টাকা, সেখানে কাজ করেছেন ৩ বছর। এই দীর্ঘ সময় শেষে নিজের অর্জন শূণ্য। উল্টো হয়ে আছেন দায়গ্রস্থ। সরজমিনে গিয়ে আশরাফ মোল্লার পরিবারের সাথে কথা হলে এভাবেই বর্নণা করেন। আর তাছাড়া তাদের বসত করা জড়াজীর্ণ ঘরটিও প্রমাণ করে। এদিকে বিদেশ যাওয়ার সময় সেই জায়গা বিক্রি করা টাকার ২৪ হাজার টাকা পাওনা ছিলেন পাশ^বর্তী গ্রামের আঃ ছবুরের কাছে। সেই টাকা দেই দিচ্ছি করে ছবুর পাড় করেছে দীর্ঘ সময়। স্থানীয় ভাবে বিষয়টি সমাধান করার চেষ্টা করেও ব্যর্থ হয় আশরাফ মোল্লা। সর্বশেষ গত ২৬ মে শনিবার বাড়ির সামনে দেখা হয় আঃ ছবুরের সাথে। পাওনা টাকা চাওয়ায় কথা কাটাকাটি তারপর এক পর্যায়ে মারামারি। অন্ডকোষে আঘাত প্রাপ্ত হয় আশরাফ, নিয়ে যাওয়া হয় টাঙ্গাইল জেনারেল হাসপাতালে। কিন্তু কর্তব্যরত ডাক্তার তাকে মৃত ঘোষনা করে। স্ত্রী আর নাবালক দুই সন্তান রেখে আশরাফ এখন পড়পাড়ে। ৯ম শ্রেণীতে পড়া বড় ছেলে মিজানের বয়স ১৫, ৬ষ্ঠ শ্রেনীতে পড়া কণ্যা ফাতেমার বয়স ১২। আশরাফই ছিলেন এই পরিবারের একমাত্র উপার্জনক্ষম ব্যক্তি। এখন নিহত আশরাফ মোল্লার রেখে যাওয়া পরিবারের চোখে শুধুই অনিশ্চয়তা আর হতাশার অন্ধকার।
এ ঘটনায় মির্জাপুর থানায় নিহত আশরাফ মোল্লার স্ত্রী মর্জিনা বাদী হয়ে ছবুর সহ ৬ জনের বিরুদ্ধে একটি মামলা দায়ের করেছেন। মামলা নং-২৯ (০৫)১৮।
ঘটনার ৮দিন অতিবাহিত হওয়ার পর, এমন অবস্থায় মামলার ১ম আসামী ছবুরসহ অন্যান্যরা গ্রেফতার না হওয়ায় আশরাফ মোল্লার পরিবার ও এলাকাবাসীদের মধ্যে চরম ক্ষোভ ও হতাশা বিরাজ করছে। আসামীদের দ্রæত গ্রেফতার ও আঃ ছবুরের দৃষ্টান্তমূলক শাস্তির দাবিতে গতকাল মানববন্ধন করেছে উপজেলার ২নং জামুর্কী ইউনিয়ন চুকুরিয়া গ্রামবাসী। ভবিষ্যৎ অনিশ্চতায় অসহায় কন্ঠে তাদের বাবার হত্যার বিচার দাবী করেছে আশরাফ মোল্লার দুই নাবালক সন্তান।
এ ব্যাপারে মির্জাপুর থানা অফিসার ইনচার্জ একেএম মিজানুল হক বলেন, এ ঘটনায় মামলার ২ নম্বর আসামীকে গ্রেফতার করে জেল হাজতে পাঠানো হয়েছে বাকি আসামীদের খুব দ্রæতই গ্রেফতার করে বিচারের মুখোমুখী করা হবে তিনি উল্লেখ করেন।

