জাহাঙ্গীর আলম, টাঙ্গাইল
ভূঞাপুর পিডিবির সাব-স্টেশনের আওতাধীন গোপালপুর উপজেলার চারটি গ্রামে প্রায় মাসখানেক ধরে বিদ্যুৎ সংযোগ বন্ধ রয়েছে। বিদ্যুৎ না পেয়ে চরম ভোগান্তিতে পড়েছে ওই এলাকার সাধারন মানুষ। রোজায় ভোগান্তি বেড়েছে আরো দ্বিগুন। গ্রামগুলো হল উপজেলার দৌলতপুর, আলমনগর, মনতলা ও বড়ভিটা।
স্থানীয়দের অভিযোগ উপ-সহকারি প্রকৌশলী পূর্ন চন্দ্র পালসহ অফিসের কর্মকর্তাদের ঘুষ না দেয়ায় অন্ধকারেই থাকতে হচ্ছে তাদের।
জানা গেছে, ভূঞাপুর পিডিবির সাব-স্টেশনের অধীনে পার্শ্ববর্তী গোপালপুর উপজেলার দৌলতপুর, আলমনগর, মনতলা ও বড়ভিটার চারটি গ্রামের ট্রান্সফরমার অচল হয়ে পড়ে থাকায় অন্ধকারে রয়েছে এলাকার সাধারন মানুষ। এই ট্রান্সফরমারের অধীনে চার গ্রামের ২ শতাধিক গ্রাহক রয়েছে। নষ্ট হয়ে পড়ে থাকা ট্রান্সফরমারটি মেরামতের জন্য বারবার ভূঞাপুর বিদ্যুৎ অফিসে যোগাযোগ করলে বিদ্যুৎ অফিসের কর্মকর্তারা ট্র্রান্সফরমার মেরামতের জন্য অর্ধলক্ষাধিক টাকা দাবি করে। গ্রাহকদের জানানো হয় টাকা দিলেই দ্রæত ট্রান্সফরমার মেরামত করা হবে।
আলমনগর গ্রামের মজিবুর রহমান জানান, মাসাধিক কাল ধরে ভূঞাপুর বিদ্যুৎ অফিসে ট্রান্সফরমার মেরামতের জন্যর চেষ্টা করেও তাদের দাবী পূরণ না করায় অন্ধকারেই রয়েছি।
দৌলতপুর গ্রামের আনোয়ার হোসেন বলেন, বিদ্যুৎ অফিসে ঘুষ ছাড়া কোন কাজ হয় না। কয়েক মাস আগেও একই ট্রান্সফরমার মেরামতের জন্য বিদ্যুৎ অফিসের কর্মকর্তা ও দালালদের অর্ধলক্ষাধিক টাকা ঘুষ দিতে হয়েছে। প্রায় একমাস হল এলাকায় কোন প্রকার বিদ্যুৎ নেই। এ কারণে রোজায় ইফতার, তারাবি ও রাতের সেহরি খেতে ব্যাপক দুর্ভোগ পোহাতে হচ্ছে। এই ট্রান্সফরমারের অধীনে প্রায় ২ শতাধিক গ্রাহক রয়েছে।
এবিষয়ে ভূঞাপুর বিদ্যুৎ অফিসের উপ-সহকারি প্রকৌশলী পূর্ণ চন্দ্র পাল জানান, ট্রান্সফরমার বিকলের বিষয়টা নির্বাহী প্রকৌশলীকে জানানো হয়েছে। টাকা দাবির বিষয়টি অস্বীকার করেন।
ভূঞাপুর পিডিবির বিক্রয় ও বিতরণ বিভাগের নির্বাহী প্রকৌশলী আব্দুর রাজ্জাক জানান, ট্রান্সফরমার বিকল হওয়ার কোন খবর আমার জানা নেই। কোন লোকজন আমার কাছে আসেনি। ওই এলাকার দায়িত্বপ্রাপ্ত কোন কর্মকর্তা আমাকে অবহিত করেনি।
ভূঞাপুর পিডিবির সাব-স্টেশনের আওতাধীন গোপালপুর উপজেলার চারটি গ্রামে প্রায় মাসখানেক ধরে বিদ্যুৎ সংযোগ বন্ধ রয়েছে। বিদ্যুৎ না পেয়ে চরম ভোগান্তিতে পড়েছে ওই এলাকার সাধারন মানুষ। রোজায় ভোগান্তি বেড়েছে আরো দ্বিগুন। গ্রামগুলো হল উপজেলার দৌলতপুর, আলমনগর, মনতলা ও বড়ভিটা।
স্থানীয়দের অভিযোগ উপ-সহকারি প্রকৌশলী পূর্ন চন্দ্র পালসহ অফিসের কর্মকর্তাদের ঘুষ না দেয়ায় অন্ধকারেই থাকতে হচ্ছে তাদের।
জানা গেছে, ভূঞাপুর পিডিবির সাব-স্টেশনের অধীনে পার্শ্ববর্তী গোপালপুর উপজেলার দৌলতপুর, আলমনগর, মনতলা ও বড়ভিটার চারটি গ্রামের ট্রান্সফরমার অচল হয়ে পড়ে থাকায় অন্ধকারে রয়েছে এলাকার সাধারন মানুষ। এই ট্রান্সফরমারের অধীনে চার গ্রামের ২ শতাধিক গ্রাহক রয়েছে। নষ্ট হয়ে পড়ে থাকা ট্রান্সফরমারটি মেরামতের জন্য বারবার ভূঞাপুর বিদ্যুৎ অফিসে যোগাযোগ করলে বিদ্যুৎ অফিসের কর্মকর্তারা ট্র্রান্সফরমার মেরামতের জন্য অর্ধলক্ষাধিক টাকা দাবি করে। গ্রাহকদের জানানো হয় টাকা দিলেই দ্রæত ট্রান্সফরমার মেরামত করা হবে।
আলমনগর গ্রামের মজিবুর রহমান জানান, মাসাধিক কাল ধরে ভূঞাপুর বিদ্যুৎ অফিসে ট্রান্সফরমার মেরামতের জন্যর চেষ্টা করেও তাদের দাবী পূরণ না করায় অন্ধকারেই রয়েছি।
দৌলতপুর গ্রামের আনোয়ার হোসেন বলেন, বিদ্যুৎ অফিসে ঘুষ ছাড়া কোন কাজ হয় না। কয়েক মাস আগেও একই ট্রান্সফরমার মেরামতের জন্য বিদ্যুৎ অফিসের কর্মকর্তা ও দালালদের অর্ধলক্ষাধিক টাকা ঘুষ দিতে হয়েছে। প্রায় একমাস হল এলাকায় কোন প্রকার বিদ্যুৎ নেই। এ কারণে রোজায় ইফতার, তারাবি ও রাতের সেহরি খেতে ব্যাপক দুর্ভোগ পোহাতে হচ্ছে। এই ট্রান্সফরমারের অধীনে প্রায় ২ শতাধিক গ্রাহক রয়েছে।
এবিষয়ে ভূঞাপুর বিদ্যুৎ অফিসের উপ-সহকারি প্রকৌশলী পূর্ণ চন্দ্র পাল জানান, ট্রান্সফরমার বিকলের বিষয়টা নির্বাহী প্রকৌশলীকে জানানো হয়েছে। টাকা দাবির বিষয়টি অস্বীকার করেন।
ভূঞাপুর পিডিবির বিক্রয় ও বিতরণ বিভাগের নির্বাহী প্রকৌশলী আব্দুর রাজ্জাক জানান, ট্রান্সফরমার বিকল হওয়ার কোন খবর আমার জানা নেই। কোন লোকজন আমার কাছে আসেনি। ওই এলাকার দায়িত্বপ্রাপ্ত কোন কর্মকর্তা আমাকে অবহিত করেনি।

