জাহাঙ্গীর আলম, টাঙ্গাইল
মুুক্তিযুদ্ধ বিষয়কমন্ত্রী আ.ক.ম মোজাম্মেল হক এমপি বলেছেন, মুক্তিযোদ্ধাদের চিকিৎসার সকল ব্যয়ভার বহন করবে সরকার। যারা দেশ মাতৃকার মুক্তির জন্য নিজের জীবন বাজি রেখে যুদ্ধ করেছে তাদের বাসস্থানসহ সকল দায়িত্বই সরকার নিবেন। দেশে কয়েকদিন আগে কোমলমতি শিক্ষার্থীরা যে আন্দোলন করেছে তা যুক্তিসঙ্গত। তবে আন্দোলনের সময় দূর্বৃত্তরা যে হামলা চালিয়েছে তাদের আইনের আওতায় এনে বিচার করা হবে। আমাদের দেশের সাবেক প্রধান বিচারপতি সুরেন্দ্র কুমার সিনহা চোর ও ঘুষ খোর ছিলেন। দেশের প্রচলিত আইনে তার বিচার করা হবে।
তিনি বলেন, প্রধানমন্ত্রী শেখ হাসিনার নেতৃত্বে বাংলাদেশ এগিয়ে যাচ্ছে। তারই ধারাবাহিকতায় বঙ্গবন্ধু হাসপাতালসহ দেশের বড় বড় হাসপাতালে ১৫ লাখ টাকা ও জেলা এবং উপজেলা পর্যায়ের হাসপাতাল গুলোকে ১ লাখ টাকা করে মুক্তিযোদ্ধাদের চিকিৎসার জন্য অগ্রিম দেওয়া হবে। আগামী ১৫ আগস্ট জাতির জনক বঙ্গবন্ধুর শাহাদৎ বার্ষিকী ও জাতীয় শোক দিবসে এ অনুষ্ঠানের উদ্বোধন করা হবে।
তিনি আরও বলেন, বঙ্গবন্ধুর খুনীদের বিচার হলেও হত্যার পরিকল্পনাকারীদের বিচার এখনও হয়নি। খুনি মোস্তাক ও জিয়ার মত বড় খুনিদের বিচার করা হয়নি। মহান মুক্তিযুদ্ধের বিরুদ্ধে যারা কথা বলে সেই জামায়াত-শিবিরের নিবন্ধন বাতিল করা হবে ও জামাত শিবিরের সন্তানেরা যাতে কোন ধরনের সরকারি চাকুরী না পায় সে লক্ষ্যে প্রয়োজনীয় প্রদক্ষেপ গ্রহণ করা হবে। টাঙ্গাইল জেলা মুক্তিযোদ্ধা কমপ্লেক্স ভবন উদ্বোধন অনুষ্ঠানে প্রধান অতিথির বক্তব্যে তিনি এসব কথা বলেন। মঙ্গলবার দুপুরে টাঙ্গাইলের জেলা প্রশাসক খান মো. নুরুল আমিনের সভাপতিত্বে জেলা মুক্তিযোদ্ধা কমপ্লেক্স ভবনে এ অনুষ্ঠানের আয়োজন করা হয়। এসময় বক্তব্য রাখেন মুক্তিযুদ্ধ মন্ত্রণালয়ের যুগ্ম সচিব মো. মইনুল ইসলাম, টাঙ্গাইলের পুলিশ সুপার সঞ্জিত কুমার রায়, জেলা মুক্তিযোদ্ধা সংসদের সাবেক কমান্ডার খন্দকার জহুরুল হক ডিপ্টি, ফজলুল হক বীরপ্রতীক, জেলা আওয়ামী লীগের সহ-সভাপতি মো. আনিছুর রহমান, যুগ্ম সাধারণ সম্পাদক খ. আশরাফুজ্জামান স্মৃতি, গণপুর্তের নির্বাহী প্রকৌশলী শম্ভুরাম পাল প্রমুখ।অনুষ্ঠানটি সঞ্চালনা করেন নির্বাহী ম্যাজিস্ট্রেট রেজা মো. গোলাম মাছুম প্রধান।

