বাবর আল মামুন,নাগরপুরবিশিষ্ট শিল্পপতি আহসানুল ইসলাম টিটু ২০০৩ সালে নাগরপুর উপজেলা আওয়ামী লীগের প্রয়াত সভাপতি গোলাম মোহাম্মদ খান তারেকের মৃত্যর পর পারিবারিক সিন্তান্তে নাগরপুর উপজেলা আওয়ামী লীগে রাজনীতির হাল ধরেন।
তিনি এসেই সর্বপ্রথম আওয়ামী লীগের সহযোগী সংগঠনের কমিটি গঠনে হাতদেন। তার শ্রম, মেধা, অর্থ,সময়ের মাধ্যমে গড়ে তুলেন সকল সহযোগী সংগঠন। ২০০৪ সালে এই নেতার নেতৃত্বে নাগরপুর উপজেলা আওয়ামী লীগের সম্মেলন হয় ।তাঁরপর থেকেই নাগরপুরে প্রত্যন্ত অঞ্চলে গিয়ে আওয়ামী লীগ সুসংঘঠিত করে গড়ে তুলেন। এর পুরস্কার হিসেবে ২০০৬ এবং ২০০৮ সালে বঙ্গবন্ধু কন্যা তাঁর হাতে নৌকা মার্কার টিকিট তুলে দেন। কতিপয় বিপদগামী আওয়ামী লীগের কর্মীদের কারণে এই নেতার সকল যোগ্যতা থাকা সত্বেও নৌকা মার্কা পরাজিত হয়। তবুও হাল ছাড়েননি এই নেতা আরও দ্বিগুন উৎসাহ নিয়ে সংগঠন গোছানোর কাজে লেগে পড়েন। যখন শেয়ার বাজারে দস তখন দেশরত্ন শেখ হাসিনা আহসানুল ইসলাম টিটুর উপর আস্থা রেখে তাকে ঢাকা স্টক এক্সচেঞ্জের সভাপতির দ্বায়িত্ব দেন। ২০১৪ সালে নৌকা মার্কায় মনোনয়ন না পেলেও আওয়ামী লীগের কর্মীদের ঐক্যবদ্ধ রাখেন। আওয়ামী লাীগ বিরোধীদল থাকা অবস্থায় নেতা কর্মীদের বিপদে আপদে সব সময় পাশে থেকেছেন। আজ অবধি পর্যন্ত সাধারণ নেতাকর্মীদের পাশে থেকে সংগঠন গোছানোর কাজে এবং শেখ হাসিনা সরকারের উন্নয়নের বার্তা পৌছানোর জন্য নাগরপুর-দেলদুয়ারের মাঠে ঘাঠে ঘুরে বেড়াচ্ছেন। তার কর্মকান্ডের মাধ্যমে নাগরপুর-দেলদুয়ারের নেতা কর্র্মীদের আস্থা অর্জন করেছে। এই সময়ে নাগরপুর-দেলদুয়ারে সব চাইতে জনপ্রিয় নেতা আহসানুল ইসলাম টিটু ।

