আজিজুল ইসলাম সজীব,হবিগঞ্জ প্রতিনিধি- হবিগঞ্জের মাধবপুর উপজেলার একমাত্র স্বাস্থ্য কমপ্লেক্সের পরিত্যক্ত আবাসিক ভবনে থেকে কর্মচারি-কর্মকতাদের মাসিক ভাড়া দিতে হচ্ছে। একদিনে পরিত্যক্ত ভবনে থেকে ভাড়া দিতে হচ্ছে কর্মকর্তা- কর্মচারিদের অন্যদিকে নিরাপত্তা হীনতায় ভবনে থাকা কর্মকর্তা-কর্মচারিরা দিন কাটাচ্ছেন।
সিলেটের স্বাস্থ্য বিভাগের সহকারী পরিচালক ডাঃ আনিসুর রহমানের নেতৃত্বে ৩ সদস্যের একটি তদন্ত কমিটি বিষয়টি তদন্ত করেছেন।
এ বিষয়ে তদন্ত কমিটি উপজেলা স্বাস্থ্য কর্মকতার সঙ্গে কথা বলেন।
নিয়ে তিনি উপজেলা স্বাস্থ্য উপজেলা স্বাস্থ্য ও পরিবার পরিকল্পনা কর্মকর্তা ডাঃ ইশতিয়াক মামুন বিভিন্ন নথিপত্র তদন্ত কমিটির কাছে পেশ করেন। পরে তদন্ত কমিটি যারা ঝুঁকি নিয়ে এ পরিত্যক্ত ভবনে বসবাস করছেন তাদের লিখিত বক্তব্য নেন। পরে তদন্ত কমিটি হাসপাতালের বিভিন্ন ওয়ার্ড ঘুরে দেখেন।
পরিদর্শনে হাসপাতালের বেশ কিছু সমস্যা তদন্ত কমিটির চোখে ধরে পরে। এ সব সমস্যা নিয়ে তদন্ত কমিটি উপজেলা স্বাস্থ্য কমর্ককতার সঙ্গে কথা বলেন।
উপজেলা স্বাস্থ্য কর্মকর্তা ডাঃ ইশতিয়াক মামুন জানান, ২০০৬ সালে এলজিইডি কর্তৃপক্ষ হাসপাতালের আবাসিক ভবন চম্পককে কনডম (পরিত্যক্ত) হিসাবে ঘোষনা করেন এবং নিলামে বিক্রির কথা বলেন। কিন্তু নানা জটিলতার কারনে নিলাম হয়নি। কিন্তু এলজিইডি কর্তৃপক্ষ তাদের চিঠিতে উল্লেখ করেন যদি কোন কর্মকর্তা-কর্মচারি নিজ খরচে ভবন মেরামত করেন তাহলে অস্থায়ী ভাবে নিজ দায়িত্বে বসবাস করতে পারবেন।
এই শর্ত মেনে উপজেলা স্বাস্থ্য কমপ্লেক্সের কয়েকজন কর্মকর্তা-কর্মচারি চম্পক ভবনের ৫ টি ইউনিটে বসবাস করে যাচ্ছেন এবং তাদের বেতন থেকে ২০% ভাড়া হিসাবে কেটে রাখা হচ্ছে।
এ ব্যাপারে তদন্ত কমিটির প্রধান সিলেটের স্বাস্থ্য বিভাগের সহকারী পরিচালক ডাঃ আনিসুর রহমান জানান, তদন্ত করে যারা বসবাস করছেন তাদের লিখিত বক্তব্য নেওয়া হচ্ছে। তারা উর্ধ্বতন কর্তৃপক্ষের নিকট তদন্ত প্রতিবেদন পেশ করবেন।

