রফিকুল ইসলাম, রাজিবপুর, কুড়িগ্রাম প্রতিনিধি :কুড়িগ্রাম জেলার অন্তর্গত ১১১.৩২ বর্গকিলোমিটার আয়তনের রাজিবপুর উপজেলায় ৩ টি ইউনিয়ন রয়েছে, যেখানে বর্তমানে প্রায় ৮০ হাজার লোকের বসবাস।
২০১৪ইং সালের জরিপ মতে, মোট ভোটার সংখ্যা ৪২,৫৪৮ জন, এর মধ্যে পুরুষ ভোটার ২১০৮৬ জন এবং মহিলা ভোটার ২১৪৬২ জন। ২০১৪ইং সাল হতে ৩১ ডিসেম্বর ২০১৭ইং সাল পর্যন্ত আরও প্রায় ৮ হাজার নতুন ভোটার হয়েছে। এর মধ্যে ১নং রাজিবপুর ইউনিয়নে ৩৫৭৭ জন ভোটারসহ মোট ৮ হাজার নতুন ভোটার যোগ হয়েছে।
২৩ অক্টোবর সোমবার নতুন ভোটারদের মধ্যে জাতীয় পরিচয়পত্র (ঘওউ, পেপার ল্যামোনেটেড) বিতরণ কার্যক্রম শুরু হয়েছে। সকাল সাড়ে ১০ টায় ১নং রাজিবপুর ইউনিয়ন পরিষদে রাজিবপুর উপজেলা নির্বাহী কর্মকর্তা জনাব মেহেদী হাসান এ কার্যক্রমের উদ্বোধন করেন। এ সময় উপস্থিত ছিলেন রাজিবপুর উপজেলা পরিষদ ভাইস চেয়ারম্যান জনাব শফিকুল ইসলাম ও রাজিবপুর উপজেরা নির্বাচন কর্মকর্তা জনাব এস. এম. সাইফুর রহমানসহ আরো অনেকে। ৩ দিন ব্যাপি এ বিতরণ কার্যক্রম অব্যাহত থাকবে।
নতুন জাতীয় পরিচয়পত্র হাতে পেয়ে অনেকেই আনন্দিত, আবার অনেকেই নিরানন্দিত এবং হতাশায় ভূগছে। কেউ স্মার্ট আইডি না পেয়ে আবার কেউ ভূল-ত্রুটি সম্পন্ন জাতীয় পরিচয়পত্র হাতে পেয়ে। এ নিয়ে চলছে মিশ্র প্রতিক্রিয়া। খোঁজ নিয়ে দেখা গেছে, নতুন জাতীয় পরিচয়পত্রে নানা ধরণের ভূল-ত্রুটি রয়েছে। কারও নামের বানান, কারও আবার পিতা-মাতার নামের এবং কারও ঠিকানায় ভূল-ত্রুটি রয়েছে।
তবে এই জাতীয় পরিচয়পত্রে উল্লিখিত মেয়াদকাল দেয়া রয়েছে ১৮ আগষ্ট ২০১৮ইং সাল হতে ১৮ আগষ্ট ২০২০ইং সাল। এতে আরও উল্লেখ রয়েছে, এটি সাময়িক জাতীয় পরিচয় পত্র। কবে নাগাদ স্মার্ট আইডি পাওয়া যাবে? এর কোন সদোত্তর পাওয়া যায়নি।

