নিজস্ব প্রতিবেদকঃ "দুর্জয় তারুণ্য... বাংলাদেশের জন্য..." এই শ্লোগান কে সামনে নিয়ে বাংলাদেশের সৃজনশীল তরুণ-তরুণীদের ভালো কাজে সম্পৃক্ত করতে একজন স্বপ্নবাজ তরুণ এনায়েত কবির দুর্জয় তারুণ্য সংগঠনটি ২০১৬ সালের ২১ সেপ্টেম্বর প্রতিষ্ঠা করেন।
এটি একটি সামাজিক,স্বেচ্ছাসেবী, অরাজনৈতিক এবং জনকল্যাণ মূলক দেশব্যাপী সৃজনশীল তরুণ-তরুণীদের প্লাটফর্ম। দুর্জয় তারুণ্য স্বপ্ন দেখে এদেশের তরুণ দের নিয়ে। যে তরুণরা বাংলাদেশের সকল আন্দোলন সংগ্রামে নেতৃত্ব দিয়েছে। যাদের হাত ধরেই এই স্বাধীন বাংলাদেশ প্রতিষ্ঠা হয়েছে। বাংলাদেশের স্বাধীনতা যুদ্ধে যে সকল মুক্তিযোদ্ধা বুকের তাজা রক্ত দিয়ে এই দেশ কে স্বাধীন করেছে যে সকল মা-বোন তাদের সম্ভ্রম হারিয়েছে, সেই সকল বীর শহীদ এবং নির্যাতিত মা-বোনদের একমাত্র স্বপ্ন ছিলো এদেশ কে স্বাধীন করা। দেশকে সোনার বাংলা হিসাবে গোড়ে তোলা।
স্বাধীনতার পর এই দেশে যেন কোন সামাজিক, রাজনৈতিক এবং অর্থনৈতিক সমস্যা না থাকে। কিন্তু বর্তমানে বাংলাদেশে এখনো স্বাধীনতার সুফল ভোগ করতে পারছি না। আর তাই দুর্জয় তারুণ্য সেই স্বাধীনতা যুদ্ধের ৩০ লক্ষ্য শহীদের স্মরণে দেশব্যাপী ৩০ লক্ষ্য স্বেচ্ছাসেবক এবং ২ লক্ষ্য সম্ভ্রম হারানো মা-বোনদের স্যালুট জানাতে ২ লক্ষ্য উপদেষ্টা তৈরির বিশাল প্রকল্প হাতে নিয়েছে। যার কার্যক্রম এই বিজয়ের মাস থেকে শুরু হয়েছে।
প্রকল্প বাস্তবায়নের কার্যক্রম সমূহঃ দুর্জয় তারুণ্য বাংলাদেশের ০৮ টি বিভাগ, ৬৪ জেলার সকল উপজেলা, সিটি-কর্পোরেশন, পৌরসভা ও ইউনিয়নের সৃজনশীল তরুণ-তরুণী দের নিয়ে সংগঠন তৈরি করে অনলাইনে ফেসবুক গ্রুপে জীবনের সফলতার গল্প শিরোনামে ৩০ দিনব্যাপী নিয়মিত ভাবে কর্মজীবন গঠন
ও উন্নয়নে যুব নেতৃত্ব, সামাজিক দায়বদ্ধতা, স্বেচ্ছাসেবী এবং জীবনে সফল হতে যে সকল বিষয় খুবই প্রয়োজনীয় তা শেখাতে ব্যবস্থা গ্রহণ করেছে। জিযারা জীবনে সফল হতে চায়, জীবনকে পরিপূর্ণ করতে চায় তাদের জন্য এই প্রশিক্ষণটি গুরুত্বপূর্ণ ভূমিকা রাখবে।
এই প্রকল্পের ৩০ লক্ষ্য স্বেচ্ছাসেবক যারা বেকারত্ব, দুর্নীতি, ইভটিজিং, বাল্যবিবাহ, যৌতুক প্রথা ও এসিড নিক্ষেপ, যৌন হয়রানি ইত্যাদি অসামাজিক কাজের বিরুদ্ধে কাজ করবে, তারাই হবে এই যুগের মুক্তিযোদ্ধা, দেশপ্রেমিক স্বেচ্ছাসেবক সৃজনশীল ইয়ুথ লিডার। ইতোমধ্যেই দুর্জয় তারুণ্য সংগঠনটি স্বাস্থ্য, শিক্ষা, সমাজসেবা, ক্রীড়া শক্তির বিকাশ ও সাহিত্য সংস্কৃতির উন্নয়নে দুই বছরের অধিক সময় ধরে কাজ করে যাচ্ছে। সেসব কাজের মাঝে অন্যতম হলো' "স্বেচ্ছায় রক্তদান, বিনামূল্যে ব্লাড গ্রুপিং, হেলথ ক্যাম্প, বৃক্ষরোপণ কর্মসূচি, বইপড়া উৎসব, সাইকেল র্যালী, সুবিধা বঞ্চিত শিশু ও বয়স্ক শিক্ষালয়"। ভবিষ্যতে ভিক্ষুক, প্রতিবন্ধী, হিজড়াসহ বিভিন্ন শ্রেনীর সুবিধা বঞ্চিতদের নিয়ে কাজ করবে। এছাড়াও দুর্জয় তারুণ্য ২০১৯ সালে বাংলাদেশের ৬৪ জেলায় সকল উপজেলাসহ সকল শিক্ষাপ্রতিষ্ঠান স্কুল, কলেজ, বিশ্ববিদ্যালয়, মাদ্রাসা ও কমিউনিটিতে সচেতনতা মূলক ক্যাম্পিং শুরু করবে। দুর্জয় তারুণ্য সংগঠনের স্বপ্ন বাংলাদেশের সকল ইয়ুথদের কে ভবিষ্যৎ স্বপ্ন পূরণে বা জীবনে সফলতার গল্প তৈরি তে ব্যাপক ভূমিকা পালন করবে। বাংলাদেশ সহ বিশ্বের সর্ববৃহৎ যুব সংগঠন হিসাবে কাজ করে যাবে। এর ধারাবাহিকতায় সকল বিভাগ, জেলা উপজেলায় ব্যাপকভাবে কার্যক্রম শুরু হয়েছে। দূর্জয় তারুণ্যের লক্ষ হল আগামী ২০২০ সালের মধ্যে বাংলাদেশ তথা বিশ্বের সর্ববৃহৎ যুব সংগঠন হিসাবে গোড়ে তুলতে নিরলস ভাবে কাজ করে যাবে তরুণ - তরুণীরা।

