নিরেন দাস(জয়পুরহাট)প্রতিনিধিঃ
জয়পুরহাটে বালু ব্যবসায়ী রেজওয়ান হোসেন হত্যা মামলায় জেলা স্বেচ্ছাসেবক লীগের সাধারণ সম্পাদক খোরশেদ আলম সৈকত ১৭ দিন পর জামিনে মুক্ত হয়েছেন। বৃহস্পতিবার (২১ নভেম্বর) দুপুরে উচ্চ আদালতে জামিনের আদেশ হলে জয়পুরহাট জেলা কারাগার থেকে তিনি ১ বছরের জন্য স্থায়ী ভাবে মুক্ত হন। খোরশেদ আলম সৈকত জয়পুরহাট সদর উপজেলার হেলকুন্ডা গ্রামের খাজামদ্দীন মণ্ডলের ছেলে ও পুরানাপৈল ইউনিয়ন পরিষদের চেয়ারম্যান।
স্বেচ্ছাসেবক নেতা খোরশেদ জামিন লাভ করে প্রথমে জয়পুরহাট শহীদ ডা: আবুল কাশেম ময়দানে শহীদ মিনার ও জেলা আ’লীগ কার্যালয়ে বঙ্গবন্ধুর প্রতিকৃতিতে পুস্পমাল্য অরপণ করেন। পরে পুরানাপৈল ইউনিয়নে এক প্রতিবাদ সভায় সভাপতিত্ব করেন ইউনিয়ন আ’লীগের সভাপতি শহিদুল ইসলাম।
সভায় অন্যান্যদের মাঝে বক্তব্য রাখেন জয়পুরহাট পৌর আ’লীগের যুগ্ম সাধারণ সম্পাদক মেয়র মোস্তাফিজুর রহমান মোস্তাক, জেলা আ’লীগের যুগ্ম সাধারণ সম্পাদক জাকির হোসেন, জেলা আ’লীগের কোষাধ্যক্ষ রুকিন্দিপুর ইউনিয়ন পরিষদের চেয়ারম্যান আহসান কবীর এপ্লব, সদর উপজেলা আ’লীগের সভাপতি গোলাম মোস্তফা, সাধারণ সম্পাদক জুহুরুল ইসলাম, জেলা স্বেচ্ছাসেবক লীগের সভাপতি প্রভাষক মাসুদ রেজা, জেলা ছাত্রলীগের সভাপতি রাজা জাকারিয়া প্রমূখ।
প্রতিবাদ সভায় বক্তারা বলেন-খোরশেদ আলম সৈকতের জনপপ্রিয়তায় ভয় পেয়ে এবং পুরানাপৈল ইউনিয়নে উন্নয়ন বাধাগ্রস্ত করতে আ’লীগেরই একটি অংশ এই মিথ্যা মামলায় তাকেসহ বেশ কয়েকজন নিরাপরাধ মানুষকে ফাঁসিয়েছে।অনতিবিলম্বে এজাহার থেকে খোরশেদ আলম সৈকত সহ নিরপরাধ ব্যক্তিদের নাম বাদ দিয়ে প্রকৃত আসামীদের নাম অন্তভুক্ত করার পাশাপাশি তাদের দ্রুত গ্রেফতারের দাবীও জানান বক্তারা।

