![]() |
| যাত্রীবাহি সকল যানবাহন চলাচল বন্ধ- দূর্ভোগ সকল শ্রেনী পেশার মানুষ |
ওবায়দুল ইসলাম রবি, রাজশাহী
দেশব্যাপী নির্দলয়ী নেপেক্ষ নির্বাচন ভোট চুরী এবং নিত্য প্রয়োজনিীয় দ্রব্য মূল্য বৃদ্ধির প্রতিবাদে রাজশাহী বিভিাগীয় সমাবেশ করবে বিএনপি। রাজশাহীতে বাংলাদেশ জাতিয়তাবাদী দল (বিএনপি) সমাবেশ কেন্দ্র করে সকল ধরনের দূরপাল্লার যাত্রীবাহি যানবাহন চলাচল বন্ধ আছে। জেলা পুলিশ ও আরএমপি, র্যাব-৫, ডিবিসহ বিভিন্ন্ আইন শৃঙ্খলা বাহিনী কর্মকর্তা ও সদস্যরা নিরাপত্তায় কর্তব্যরত আছে।
বিএনপির সমাবেশের কারনে কোন অপ্রিতিকর ঘটনার সূত্রপাত বন্ধের লক্ষে গতকাল সোমবার দুপুর থেকেই জেলার সকল যানবাহন চলাচল সীমতি করা হয়েছে। দলীয় কোন কন্দলে সাধারন মানুষ ও সম্পদের রক্ষা করার উদ্দ্যেশে পুলিশসহ সকল স্তরের আইন শৃঙ্খলা বাহিনী কাজ করছে বলে জানায় কর্তব্যরত পুলিশ।
জেলার রাজশাহী-ঢাকা মহাসড়কসহ বেলপুকুর বাইপাস মোড়, বানেশ^র,পুঠিয়া, গোদাগাড়ী, মোহনপুরসহ ৯টি উপজেলার বিভিন্ন মোড়ে পুলিশের কঠোর নিরাপত্তায় কাজ করছে। এবিষয়ে রাজশাহী মটর ও শ্রমীক পক্ষ থেকে তেমন কোন বক্তব্য গনমাধ্যমকে বলেন নি। তবে তারা নিশ্চিত করে বলেন মটর শ্রমীকের অভ্যন্তরিন কারনে যানবাহন চলাচল বন্ধ আছে।
রাজশাহীতে কমিউনিটি সেন্টারে বিভাগীয় সমাবেশের অনুমতি পেয়েছে বিএনপি। মঙ্গলবার সন্ধ্যায় নগরের পাঠান পাড়ায় নাইস কনভেনশন সেন্টারে (উত্তরা কমিউনিটি সেন্টার) বিএনপিকে সমাবেশ করার অনুমতি দেয়েছে পুলিশ। এর আগে বিএনপির বিভাগীয় সমাবেশ ঘিরে ‘হামলার আশঙ্কায়’ রাজশাহী থেকে সব রুটের বাস চলাচল বন্ধ করে দেওয়া হয়েছে। কোন ধরনের পূর্ব ঘোষণা ছাড়া আকস্মিক বাস বন্ধ করে দেয়ায় যাত্রীরা চরম দুর্ভোগে পড়েছেন। মঙ্গলবার বিএনপির রাজশাহী বিভাগীয় সমাবেশ অনুষ্ঠিত হবে। সোমবার রাতে পুলিশ কমিউনিটি সেন্টারে সমাবেশ করার অনুমতি দেয়।
রাজশাহীর পরিবহণ মালিক ও শ্রমিক নেতাদের দাবি, বাস চলাচল করলে হামলার আশঙ্কা আছে। তাই শ্রমিকদের নিরাপত্তার কথা বিবেচনা করে তারা বাস চলাচল আপাতত বন্ধ করে দিয়েছেন। পরিস্থিতি বুঝে পরে তারা আবারও বাস চলাচলের সিদ্ধান্ত নেবেন। রাজশাহী শহরকে নিরাপত্তার আচঁলে ডেকে রেখেছে আইন শৃঙ্খলা বাহিনী।

