গলাকাটা মায়ের আঁচলের নিচে জাপটে ছিল ছোট্ট তানিশার মাথাকাটা দেহ - সময় সংবাদ | Popular Bangla News Portal

Breaking

Post Top Ad

Responsive Ads Here

বুধবার, জুন ১৬, ২০২১

গলাকাটা মায়ের আঁচলের নিচে জাপটে ছিল ছোট্ট তানিশার মাথাকাটা দেহ



সময় সংবাদ ডেস্কঃ


 হয়তো গভীর ঘুমে নিমজ্জিত ছিল সিলেটের গোয়াইনঘাটের ফতেহপুর ইউপির বিন্নাকান্দি গ্রামের হিফজুরের পরিবার। নতুন দিনের স্বপ্ন চোখে সাজিয়ে ঘুমিয়ে পড়েছিল তারা। কিন্তু কে জানতো সেই ঘুম আর ভাঙবে না। রাত পোহানোর আগেই চিরঘুমে চলে যায় মাসহ দুই সন্তান। স্নেহের সন্তানটিকে হয়তো বাঁচাতে চেয়েছিলেন বাবা। তাই তাকেও উপর্যুপরি কোপায় দুর্বৃত্তরা। আশঙ্কাজনক অবস্থায় তাকে উদ্ধার করে পুলিশ।

নিহতরা হলেন- বিন্নাকান্দি গ্রামের হিফজুর রহমানের স্ত্রী আলিমা বেগম, তার ছেলে মিজান ও মেয়ে তানিশা। আশঙ্কাজনক অবস্থায় হিফজুর রহমানকে ওসমানী হাসপাতালে পাঠানো হয়েছে।


ঘটনাস্থলে গিয়ে দেখা যায়, বিছানায় ছিল হিফজুর আলিমার দশ বছর বয়সী ছেলে মিজানের মরদেহ। গলার এক পাশ কাটা ছিল তার। আরেক পাশে মায়ের মরদেহ আর তার আঁচলের নিচে জাপটে ধরে থাকা তিন বছর বয়সী মেয়ে তানিশার মরদেহ। ছোট্ট তানিশার মাথাকাটার একপাশে কাটা ছিল। নৃশংসভাবে তাদের হত্যা করে দুর্বৃত্তরা। 


বুধবার সকালে ঘুম থেকে উঠতে দেরি দেখে প্রতিবেশীরা হিফজুরের ঘরের সামনে যান। এসময় ঘরের দরজা খোলা দেখে ঘরে প্রবেশ করে হিফজুর, তার স্ত্রী ও দুই সন্তানকে রক্তাক্ত দেখে পুলিশে খবর দেন। এসময় হিফজুর গোঙাচ্ছিল বলে তারা জানান। 


খবর পেয়ে গোয়াইনঘাট থানা পুলিশ তিনজনের মরদেহ উদ্ধার করে। আশঙ্কাজনক অবস্থায় হিফজুরকে উদ্ধার করে হাসপাতালে পাঠান। হিফজুরের শরীরের বিভিন্ন স্থানে দায়ের কোপ ছিল। এছাড়া নিহতদের গলাকাটা ও শরীরে দায়ের কোপ ছিল। 


গোয়াইনঘাট থানার ওসি আব্দুল আহাদ ঘটনার সত্যতা নিশ্চিত করে জানান, তিনজনের মরদেহ উদ্ধার করা হয়েছে। একজনকে গুরুতর আহতাবস্থায় উদ্ধার করে হাসপাতালে পাঠানো হয়েছে। পুলিশ ঘটনাস্থলে রয়েছে। ঘটনার কারণ খুঁজতে তদন্ত চলছে। 

Post Top Ad

Responsive Ads Here