মেঘনায় ২৩ ঘন্টার পর অপহৃত ট্রলার ও সাত জেলে উদ্ধার | সময় সংবাদ - সময় সংবাদ | Popular Bangla News Portal

Breaking

Post Top Ad

Responsive Ads Here

সোমবার, ফেব্রুয়ারি ২১, ২০২২

মেঘনায় ২৩ ঘন্টার পর অপহৃত ট্রলার ও সাত জেলে উদ্ধার | সময় সংবাদ

 মেঘনায় ২৩ ঘন্টার পর অপহৃত ট্রলার ও সাত জেলে উদ্ধার | সময় সংবাদ


ভোলা সংবাদাতা:

ভোলা মনপুরা মেঘনা নদী থেকে অপহৃত সাত জেলে সহ ট্রলার উদ্ধারে সক্ষম হয়েছে কোষ্টগার্ড।   আজ(২০ ফেব্রুয়ারী)রোবাবর ভোরে তাদের মেঘনা নদীর চর থেকে উদ্ধার করা হয়।জানা যায়  গত শনিবার ভোর ৬টায় মনপুরার চরপিয়ালের পাশে মেঘনা নদীতে মাছ শিকারের সময় তাদের অপহরণ করা হয়। তবে আড়ৎদার ও কোস্টগার্ড জেলেদের উদ্ধারে পৃথক পৃথক বানী দিয়েছেন। 


উদ্ধারকৃত জেলেরা হলেন মনপুরার রহমনপুর গ্রামের মোজাহার বেপারির ছেলে জাহাঙ্গীর, সোলেমানের ছেলে বাবুল, খলিল মাঝির ছেলে ইসমাইল, বাসু মাঝির ছেলে বাসেত, মাইন উদ্দিনের ছেলে রিয়াজ, লতিফ সুকানির ছেলে সোহেল এবং মফিজের ছেলে সোহেল।


এ ব্যাপারে হাতিয়া কোস্টগার্ড সদস্যরা সংবাদ সম্মেলনে বলেন আজ ভোর ৫টায় হাতিয়ার চরআতাউরে অভিযান চালিয়ে একটি ট্রলারসহ সাত জেলেকে উদ্ধার করা হয়েছে। কোস্টগার্ডের হাতিয়ার স্টেশন কমান্ডার ইফতেখারুল আলম জানান, মনপুরায় মেঘনা নদীর চরসাকুচিসংলগ্ন এলাকায় ইঞ্জিনচালিত কাঠের নৌকা থেকে সাত জেলেকে একটি ডাকাত দল অপহরণ করে মুক্তিপণ দাবি করে।


পরবর্তী সময়ে মুক্তিপণ দাবি করা মোবাইল নম্বর ট্র্যাক করে কোস্টগার্ড জানতে পারে তারা উপজেলার দাসেরহাট এলাকায় অবস্থান করছে। পরে ইফতেখারুল আলমের নেতৃত্বে ১৭ সদস্যের একটি দল অভিযান চালিয়ে মেঘনা নদীর চরআতাউরের পাশের এলাকা থেকে তাদের অক্ষত অবস্থায় উদ্ধার করা হয়।এ সময় অপহরণকারীরা কোস্টগার্ডের উপস্থিতি টের পেয়ে জঙ্গলে পালিয়ে যাওয়ায় কাউকে আটক করা সম্ভব হয়নি।


তিনি বলেন আরো বলেন জলদস্যুরা কোস্টগার্ডের উপস্থিতি টের পেয়ে অপহৃত জেলেদের হাত-পা বাঁধা অবস্থায় ট্রলারে ফেলে চলে যায়। জেলেরা সুস্থ আছেন। প্রাথমিক চিকিৎসা শেষে তাদের পরিবারের কাছে হস্তান্তর করা হয়েছে।’


এদিকে উদ্ধার জেলেদের আড়ৎদার ও ইউপি চেয়ারম্যান অলিউল্ল্যাহ কাজল দাবি করেন এবং মুক্তিপণের বিনিময়ে জেলেদের উদ্ধার করা সম্ভব হয়েছে।

তিনি বলেন, মুক্তিপণের ২ লাখ ২ হাজার টাকা দস্যুদের পাঁচটি বিকাশ নম্বরে দেয়ার পর তারা জেলেদের মুক্তি দিয়েছে।এ ঘটনায় উদ্ধার জেলে জাহাঙ্গীর বলেন, ‘শনিবার চরপিয়াল এলাকায় নদীতে মাছ ধরার সময় হাতিয়ার জলদস্যু মহিউদ্দিন বাহিনীর ১০-১২ জন সদস্য ধারালো অস্ত্র দেখিয়ে আমার ট্রলারে আইসা জাল, মাছ ও মোবাইল নিয়ে যায়।


‘এ সময় আমার পাশে অন্য ট্রলারেও একইভাবে হামলা চালায় তারা। তবে বেশি মাছ ও টাকা না পাওয়ায় সাত ট্রলারের প্রধান সাতজন মাঝির চোখ বেঁধে আমার ট্রলারসহ জঙ্গলের ভেতর নিয়ে যায়।’এর পর থেকে আমাদের বাড়ি ও আড়তদারের নম্বর নিয়ে মুক্তিপণ দাবি করে অনেকবার কল দেয়। পরে কীভাবে কী হইছে আমি আর বলতে পারি না।তবে এখনো পর্যন্ত জলদস্যুর কাউকে গ্রেফতার করা সম্ভব হয় নি।




Post Top Ad

Responsive Ads Here